
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে কী বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ৮টা নাগাদ তাকে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছান কর্মকর্তারা।
আরেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না নিজের ফেসবুক পোস্টে আনিস আলমগীরকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানান। জানতে চাইলে ডিবির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে সূত্রটি।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘কিছু বিষয়ে কথা বলার জন্য আমরা তাকে নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে পরে জনসংযোগ শাখা থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।’
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না— জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কিছু বিষয় তো আছেই। আমরা তার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে পরে আপনাদের জানানো হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে টেলিভিশন টকশোতে নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় ছিলেন আনিস আলমগীর। সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন তিনি। মৌলবাদ ও উগ্রপন্থারও কট্টর বিরোধিতা করে থাকেন তিনি।
সবশেষ রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকেও নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আনিস আলমগীর। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘বিদেশে পলাতক দুই কুলাঙ্গার ইউটিউবার দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের এই কাজের সমালোচনা করেছি অন্তত আমি পাঁচটি প্রমিনেন্ট টেলিভিশন শোতে। তাই সেই কুলাঙ্গাররা আমার ওপর প্রতিশোধ নিতে আমাকে ঘিরে পরিকল্পিত অপপ্রচারে লিপ্ত। টেলিভিশনকে হুমকি দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা প্রকাশ্যে গুপ্ত হত্যার হুমকির ভাষা ব্যবহার করছে, যা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধের ঘটনায় তাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে আনিস আলমগীর লিখেছেন, ‘আমার দৈনন্দিন ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডকে জোর করে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি তার বেঁচে থাকার প্রার্থনা করে পোস্ট দিয়েছি। আল্লাহ ওদের চোখ অন্ধ করে রেখেছে, সে কারণে তা দেখেনি। ওরা আমাকে আওয়ামী লীগ বানানোর জোর প্রচেষ্টায় ব্যস্ত।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘স্পষ্ট করে বলছি— হাদির সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। জীবনে তার সঙ্গে আমার কথা হয়নি, দেখা হয়নি, এমনকি আহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তার নামও আমি কোথাও লিখিনি, বলিনি। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞতার কারণে হাদি তার শত্রুদের নির্বাচনি ক্যাম্পেইনে এনেছিল। শত্রুরা তার সঙ্গে বসবাস করছিল।’
‘আর তার গুণগ্রাহী নামের বলদগুলা এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করছে এবং সমাজে ঘৃণিত দুই ইউটিউবারের ভিউ ব্যবসা বাড়াচ্ছে, যাদের কোনো নৈতিকতা নেই, দায়বদ্ধতাও নেই— দেশ ও সমাজের প্রতি। মিথ্যা দিয়ে সত্য ঢেকে রাখা যায় না। সময়ই এর জবাব দেবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আনিস আলমগীরের কর্মজীবন শুরু দৈনিক দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে। পরে তিনি আরটিভি ও বৈশাখী টিভির বার্তা প্রধান এবং চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দৈনিক আজকের কাগজ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার কূটনৈতিক প্রতিবেদক ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করে আসছেন তিনি।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে হেফাজতে নিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে কী বিষয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি।
রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে নিয়ে যাওয়া হয়। রাত ৮টা নাগাদ তাকে নিয়ে ডিবি কার্যালয়ে পৌঁছান কর্মকর্তারা।
আরেক জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না নিজের ফেসবুক পোস্টে আনিস আলমগীরকে ডিবি হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানান। জানতে চাইলে ডিবির একটি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে সূত্রটি।
এদিকে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, ‘কিছু বিষয়ে কথা বলার জন্য আমরা তাকে নিয়ে এসেছি। এ বিষয়ে পরে জনসংযোগ শাখা থেকে বিস্তারিত জানানো হবে।’
আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে কি না— জানতে চাইলে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কিছু বিষয় তো আছেই। আমরা তার সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব। এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হলে পরে আপনাদের জানানো হবে।’
সাম্প্রতিক সময়ে টেলিভিশন টকশোতে নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় ছিলেন আনিস আলমগীর। সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেছেন তিনি। মৌলবাদ ও উগ্রপন্থারও কট্টর বিরোধিতা করে থাকেন তিনি।
সবশেষ রোববার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকেও নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন আনিস আলমগীর। সেখানে তিনি লিখেছেন, ‘বিদেশে পলাতক দুই কুলাঙ্গার ইউটিউবার দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাদের এই কাজের সমালোচনা করেছি অন্তত আমি পাঁচটি প্রমিনেন্ট টেলিভিশন শোতে। তাই সেই কুলাঙ্গাররা আমার ওপর প্রতিশোধ নিতে আমাকে ঘিরে পরিকল্পিত অপপ্রচারে লিপ্ত। টেলিভিশনকে হুমকি দিচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে তারা প্রকাশ্যে গুপ্ত হত্যার হুমকির ভাষা ব্যবহার করছে, যা সরাসরি ফৌজদারি অপরাধ।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতা শরীফ ওসমান হাদির গুলিবিদ্ধের ঘটনায় তাকে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে আনিস আলমগীর লিখেছেন, ‘আমার দৈনন্দিন ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডকে জোর করে হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। বরং হাদি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে আমি তার বেঁচে থাকার প্রার্থনা করে পোস্ট দিয়েছি। আল্লাহ ওদের চোখ অন্ধ করে রেখেছে, সে কারণে তা দেখেনি। ওরা আমাকে আওয়ামী লীগ বানানোর জোর প্রচেষ্টায় ব্যস্ত।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘স্পষ্ট করে বলছি— হাদির সঙ্গে আমার কোনো শত্রুতা নেই। জীবনে তার সঙ্গে আমার কথা হয়নি, দেখা হয়নি, এমনকি আহত হওয়ার আগ পর্যন্ত তার নামও আমি কোথাও লিখিনি, বলিনি। রাজনীতিতে অনভিজ্ঞতার কারণে হাদি তার শত্রুদের নির্বাচনি ক্যাম্পেইনে এনেছিল। শত্রুরা তার সঙ্গে বসবাস করছিল।’
‘আর তার গুণগ্রাহী নামের বলদগুলা এ ধরনের অপপ্রচারের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করছে এবং সমাজে ঘৃণিত দুই ইউটিউবারের ভিউ ব্যবসা বাড়াচ্ছে, যাদের কোনো নৈতিকতা নেই, দায়বদ্ধতাও নেই— দেশ ও সমাজের প্রতি। মিথ্যা দিয়ে সত্য ঢেকে রাখা যায় না। সময়ই এর জবাব দেবে।’
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী আনিস আলমগীরের কর্মজীবন শুরু দৈনিক দেশ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে। পরে তিনি আরটিভি ও বৈশাখী টিভির বার্তা প্রধান এবং চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দৈনিক আজকের কাগজ ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার কূটনৈতিক প্রতিবেদক ছিলেন। সাংবাদিকতার পাশাপাশি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান করে আসছেন তিনি।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
৯ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
১০ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
১০ ঘণ্টা আগে
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে থাকা অবস্থায় গত ২৫ জুন বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন আজকের তারিখ থেকেই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ীই শুরু হলো ভিসা কার্যক্রম।
১১ ঘণ্টা আগে