
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আগামী অক্টোবরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাংবিধানিক এই সংস্থাটি বলছে, এরই মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজনের জন্য ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রয়েছে, চূড়ান্ত হয়ে আছে ভোটার তালিকা। প্রস্তুত রয়েছেন প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররাও। ফলে অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা নেই বলেই মনে করছে ইসি।
রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির এক বৈঠকের আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই এ বৈঠক আয়োজন করেছিল ইসি।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের বড় অংশ জুড়ে আলোচনায় ছিল নির্বাচনি আচরণবিধি। ইসির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে এ আচরণবিধির খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের আলাদা আলাদা নির্বাচনের জন্য পাঁচ ধরনের বিধিমালার খসড়া ইসির ওয়েবসাইটে আপলোড করে অংশীজনদের মতামত চাওয়া হয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে মতামত দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব মতামত নিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত করার আশা করছে ইসি।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে অধিকাংশ মত পাওয়া গেছে। ভোটগ্রহণের আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি হিসেবে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনি সরঞ্জামসহ অন্যান্য পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটগ্রহণের ব্যয় কমানোর ওপর জোর দেন নির্বাচন কমিশনাররা।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোনটার নির্বাচন আগে বা কোনটার পরে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা অবহিত করেছেন। সবকিছু নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপর এই স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় আমাদের ব্যালট বাক্স প্রস্তুত। প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের প্রস্তুতিও আছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরেই কাজ এগুচ্ছে ইসি। নির্বাচন যখনই হোক, নিয়ম অনুযায়ী ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আবদুর রহমানেল মাছউদ আরও বলেন, এবারের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো হবে নির্দলীয়। অর্থাৎ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার থাকবে না। তারপরও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি নিয়েও তাদের মতামত চাওয়া হয়েছে, অন্যান্য অংশীজনদের মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পেলে ১৫ দিনের মধ্যে আচরণবিধি চূড়ান্ত করে ফেলতে পারব।

আগামী অক্টোবরেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করতে প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সাংবিধানিক এই সংস্থাটি বলছে, এরই মধ্যে এই নির্বাচন আয়োজনের জন্য ব্যালট বাক্স প্রস্তুত রয়েছে, চূড়ান্ত হয়ে আছে ভোটার তালিকা। প্রস্তুত রয়েছেন প্রিজাইডিং ও পোলিং অফিসাররাও। ফলে অক্টোবরে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে কোনো বাধা নেই বলেই মনে করছে ইসি।
রোববার (২৮ জুন) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির এক বৈঠকের আলোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সার্বিক প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতেই এ বৈঠক আয়োজন করেছিল ইসি।
বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের বড় অংশ জুড়ে আলোচনায় ছিল নির্বাচনি আচরণবিধি। ইসির পক্ষ থেকে এরই মধ্যে এ আচরণবিধির খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকারের আলাদা আলাদা নির্বাচনের জন্য পাঁচ ধরনের বিধিমালার খসড়া ইসির ওয়েবসাইটে আপলোড করে অংশীজনদের মতামত চাওয়া হয়েছে। ৩০ জুনের মধ্যে মতামত দিতে রাজনৈতিক দলগুলোকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে। সব মতামত নিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে খসড়া চূড়ান্ত করার আশা করছে ইসি।
বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ভোটগ্রহণের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে অধিকাংশ মত পাওয়া গেছে। ভোটগ্রহণের আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি হিসেবে ভোটার তালিকা ও নির্বাচনি সরঞ্জামসহ অন্যান্য পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। ভোটগ্রহণের ব্যয় কমানোর ওপর জোর দেন নির্বাচন কমিশনাররা।
বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সাংবাদিকদের বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সব বিষয় নিয়েই আলোচনা হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার হাজার স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে কোনটার নির্বাচন আগে বা কোনটার পরে আয়োজন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রস্তুতি নিয়ে সংশ্লিষ্টরা অবহিত করেছেন। সবকিছু নিয়ে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।
নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় নিয়ে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পরপর এই স্থানীয় নির্বাচন হওয়ায় আমাদের ব্যালট বাক্স প্রস্তুত। প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসার নিয়োগের প্রস্তুতিও আছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনে অক্টোবরকে লক্ষ্য ধরেই কাজ এগুচ্ছে ইসি। নির্বাচন যখনই হোক, নিয়ম অনুযায়ী ৪৫ দিন আগে তফসিল ঘোষণা করা হবে।
আবদুর রহমানেল মাছউদ আরও বলেন, এবারের স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো হবে নির্দলীয়। অর্থাৎ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকের ব্যবহার থাকবে না। তারপরও রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আচরণবিধি নিয়েও তাদের মতামত চাওয়া হয়েছে, অন্যান্য অংশীজনদের মতামত চাওয়া হয়েছে। মতামত পেলে ১৫ দিনের মধ্যে আচরণবিধি চূড়ান্ত করে ফেলতে পারব।

এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
২ দিন আগে