
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশকে পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত রাখতে জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবাই সচেতন হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানা ধরনের বর্জ্য এখন রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলের সড়ক, বাজার এবং জনসমাগমস্থলে যত্রতত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েক দশক আগের তুলনায় এ প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবহার শেষে আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং সঠিকভাবে তা অপসারণ করা গেলে পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি সাধারণ মানুষের চলাচলও সহজ হবে। রাস্তাঘাটে জমে থাকা ময়লা ও দুর্গন্ধ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের বক্তব্যে ঘরের পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তুলনা টেনে তিনি বলেন, কেউই নিজের বাড়িতে চারদিকে আবর্জনা ছড়িয়ে থাকতে চান না। তাহলে দেশের পরিবেশও একইভাবে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখার দায়িত্ব সবার।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক পুকুর ও পুকুরপাড়ে ময়লার স্তূপ চোখে পড়েছে। অথচ একসময় এসব জায়গা ছিল মানুষের অবসর কাটানোর স্থান। তিনি মনে করেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ধরে রাখতে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।
সবশেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার দেশ। তাই সবাই মিলে সচেতনভাবে কাজ করলে ধীরে ধীরে দেশকে আবর্জনামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব। এজন্য দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশকে পরিচ্ছন্ন ও আবর্জনামুক্ত রাখতে জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, সবাই সচেতন হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ ও সুন্দর পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।
সোমবার (৩ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।
ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট, ব্যবহৃত টিস্যুসহ নানা ধরনের বর্জ্য এখন রাজধানী থেকে শুরু করে জেলা, উপজেলা ও গ্রামাঞ্চলের সড়ক, বাজার এবং জনসমাগমস্থলে যত্রতত্র পড়ে থাকতে দেখা যায়। কয়েক দশক আগের তুলনায় এ প্রবণতা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবহার শেষে আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং সঠিকভাবে তা অপসারণ করা গেলে পরিবেশ যেমন পরিচ্ছন্ন থাকবে, তেমনি সাধারণ মানুষের চলাচলও সহজ হবে। রাস্তাঘাটে জমে থাকা ময়লা ও দুর্গন্ধ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ায় বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
নিজের বক্তব্যে ঘরের পরিচ্ছন্নতার সঙ্গে বাইরের পরিবেশের তুলনা টেনে তিনি বলেন, কেউই নিজের বাড়িতে চারদিকে আবর্জনা ছড়িয়ে থাকতে চান না। তাহলে দেশের পরিবেশও একইভাবে পরিষ্কার ও সুন্দর রাখার দায়িত্ব সবার।
দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক পুকুর ও পুকুরপাড়ে ময়লার স্তূপ চোখে পড়েছে। অথচ একসময় এসব জায়গা ছিল মানুষের অবসর কাটানোর স্থান। তিনি মনে করেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ধরে রাখতে প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্বশীল আচরণ জরুরি।
সবশেষে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবার দেশ। তাই সবাই মিলে সচেতনভাবে কাজ করলে ধীরে ধীরে দেশকে আবর্জনামুক্ত ও বাসযোগ্য করে তোলা সম্ভব। এজন্য দেশবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
২ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে