
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে অবিলম্বে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে) ও লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পৃথক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও সিপিজে এ আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া, টিআইবি, আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তারে নিন্দা জানিয়ে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
সিপিজে বিবৃতিতে বলেছে, ‘জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।’
সংগঠনটির এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের কর্মসূচি সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দিতে হবে এবং সরকারের সমালোচনা করায় গণমাধ্যমের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।’
এদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংগঠনটির আঞ্চলিক গবেষক রিহাব মাহমুর আনিস আলমগীরের মুক্তির পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে অন্তর্বর্তী সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রিহাব মাহমুর বলেন, ‘আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন রয়েছে— এমন ধারণার ভিত্তিতে ব্যক্তিদের নিশানা করার যে উদ্বেগজনক প্রবণতা চলছে, তারই ধারাবাহিকতা। নিজস্ব অভিমত বা মতামত প্রকাশকারীদের কণ্ঠরোধ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার না করে বরং অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের, বিশেষ করে নির্বাচনের প্রাক্কালে বাক্স্বাধীনতা ও সংগঠন করার স্বাধীনতার পথ সুগম করা উচিত।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এই আঞ্চলিক গবেষক আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) প্রতি তাদের দায়বদ্ধতাকে সম্মান জানাতে হবে এবং অবিলম্বে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দিতে হবে।’
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সারা রাতে ডিবি কার্যালয়েই রাখা হয় তাকে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় পরদিন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ।
গ্রেপ্তার দেখানোর পর আনিস আলমগীরকে সোমবারই আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এখনো রিমান্ডে রয়েছেন তিনি।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে অবিলম্বে বিনা শর্তে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সাংবাদিকদের অধিকার নিয়ে কাজ করা যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংগঠন কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্ট (সিপিজে) ও লন্ডনভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) পৃথক বিবৃতিতে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও সিপিজে এ আহ্বান জানিয়েছে। এ ছাড়া, টিআইবি, আইন ও সালিশ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তারে নিন্দা জানিয়ে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছে।
সিপিজে বিবৃতিতে বলেছে, ‘জাতীয় নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে এভাবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একজন সাংবাদিককে গ্রেপ্তার করা গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ গণমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের অঙ্গীকার নিয়ে গভীর উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।’
সংগঠনটির এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চলের কর্মসূচি সমন্বয়ক কুনাল মজুমদার বলেন, ‘বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষকে অবিলম্বে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দিতে হবে এবং সরকারের সমালোচনা করায় গণমাধ্যমের সদস্যদের লক্ষ্যবস্তু করার প্রবণতা বন্ধ করতে হবে।’
এদিকে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সংগঠনটির আঞ্চলিক গবেষক রিহাব মাহমুর আনিস আলমগীরের মুক্তির পাশাপাশি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পথ সুগম করতে অন্তর্বর্তী সরকারে প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
রিহাব মাহমুর বলেন, ‘আনিস আলমগীরের গ্রেপ্তার বর্তমানে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের কর্মকাণ্ডের প্রতি সমর্থন রয়েছে— এমন ধারণার ভিত্তিতে ব্যক্তিদের নিশানা করার যে উদ্বেগজনক প্রবণতা চলছে, তারই ধারাবাহিকতা। নিজস্ব অভিমত বা মতামত প্রকাশকারীদের কণ্ঠরোধ করতে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অপব্যবহার না করে বরং অন্তর্বর্তী সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের, বিশেষ করে নির্বাচনের প্রাক্কালে বাক্স্বাধীনতা ও সংগঠন করার স্বাধীনতার পথ সুগম করা উচিত।’
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের এই আঞ্চলিক গবেষক আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারকে অবশ্যই জাতিসংঘের নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার-সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তির (আইসিসিপিআর) প্রতি তাদের দায়বদ্ধতাকে সম্মান জানাতে হবে এবং অবিলম্বে আনিস আলমগীরকে মুক্তি দিতে হবে।’
এর আগে গত রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনিস আলমগীরকে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সারা রাতে ডিবি কার্যালয়েই রাখা হয় তাকে। রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের হওয়া সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় পরদিন সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সাংবাদিক আনিস আলমগীর, অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনসহ মোট চারজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে উত্তরা পশ্চিম থানায় অভিযোগটি দায়ের করেছিলেন জুলাই রেভল্যুশনারি অ্যালায়েন্সের কেন্দ্রীয় সংগঠক আরিয়ান আহমেদ।
গ্রেপ্তার দেখানোর পর আনিস আলমগীরকে সোমবারই আদালতে হাজির করা হয়। ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালত তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এখনো রিমান্ডে রয়েছেন তিনি।

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
৪ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
৫ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে থাকা অবস্থায় গত ২৫ জুন বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন আজকের তারিখ থেকেই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ীই শুরু হলো ভিসা কার্যক্রম।
৬ ঘণ্টা আগে