
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

প্রার্থীদের অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “প্রার্থীদের কাছে অস্ত্র রাখা আচরণবিধির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ নয়। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনের পরিবেশ বিবেচনায় কমিশন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৭৫ থেকে ২০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ বিষয়ে ইইউর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চুক্তি হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।
তিনি জানান, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় কমিশনের উচ্চ প্রতিনিধি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাস (Kaja Kallas) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইইউ ইওএম) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ইসি সচিব বলেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবস (Ivars Ijabs)-কে প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সময় কিছু কিছু এলাকায় স্থানীয় প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “পর্যবেক্ষকরা যেসব ইকুইপমেন্ট নিয়ে আসবেন, সেগুলোর ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম ও প্রোটোকল মানতে হবে।”

প্রার্থীদের অস্ত্র দেওয়ার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) নির্বাচন ভবনের সামনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, “প্রার্থীদের কাছে অস্ত্র রাখা আচরণবিধির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ নয়। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রয়োজন হলে আচরণবিধিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।”
তিনি আরও বলেন, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও নির্বাচনের পরিবেশ বিবেচনায় কমিশন প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেবে।
এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ১৭৫ থেকে ২০০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এ বিষয়ে ইইউর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চুক্তি হয়েছে বলে জানান ইসি সচিব।
তিনি জানান, বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণের পরিপ্রেক্ষিতে ইউরোপীয় কমিশনের উচ্চ প্রতিনিধি ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কাজা কাল্লাস (Kaja Kallas) আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য একটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন (ইইউ ইওএম) মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
ইসি সচিব বলেন, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভার্স ইজাবস (Ivars Ijabs)-কে প্রধান পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সময় কিছু কিছু এলাকায় স্থানীয় প্রোটোকল অনুসরণ করতে হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “পর্যবেক্ষকরা যেসব ইকুইপমেন্ট নিয়ে আসবেন, সেগুলোর ক্ষেত্রেও নির্ধারিত নিয়ম ও প্রোটোকল মানতে হবে।”

বৈঠক সূত্র জানিয়েছে, চার নির্বাচন কমিশনার ও ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন নির্বাচন কর্মকর্তাদের নিয়ে এ বৈঠক আয়োজন করা হয়েছিল। সকাল ১১টা থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক। তাতে ইতিবাচক আলোচনা হলেও চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি এ বৈঠক থেকে।
৫ ঘণ্টা আগে
এ টি এম আজহার বলেন, ‘আপনারা জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার কথা বলেছেন। শুধু একটা কথা বলছি, ধরলাম আমরা নিষিদ্ধ হয়ে গেলাম। এই শূন্যস্থান পূর্ণতা করবে কে? আপনারা কি একাই দেশ চালাবেন? আপনারা কি একদলীয় শাসন কায়েম করবেন?’
৬ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত আইজি পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত চার কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এর মধ্যে পুলিশ অধিদপ্তরের ডিআইজি মো. মুশফেকুর রহমানকে পুলিশ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত আইজি এবং এনএসআইয়ের পরিচালক (ডিআইজি) ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইনকে সিআইডির অতিরিক্ত আইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
এমন প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীন সফরে থাকা অবস্থায় গত ২৫ জুন বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী ট্যুরিস্ট ভিসা চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। তিনি সেদিন আজকের তারিখ থেকেই ভিসা চালুর ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ীই শুরু হলো ভিসা কার্যক্রম।
৭ ঘণ্টা আগে