
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবন ত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের একদিন পর রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত তার ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরে যাচ্ছন তিনি।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান।
বঙ্গভবন থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর গাড়িবহরে রাষ্ট্রপতির গাড়িসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোট ১৮টি যানবাহন ছিল। দুপুর থেকেই বঙ্গভবনের সামনে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও উৎসুক মানুষ জড়ো হন। এ সময় পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।
এদিকে, রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত মো. সাহাবুদ্দিনের ব্যক্তিগত বাসভবনে তাঁর ফেরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাড়ির নিচতলার বসার অংশে নতুন করে রং করা হয়েছে এবং আসবাবপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি ওই ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
গুলশানের বাসভবনেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে।
মো. সাহাবুদ্দিনের বঙ্গভবন ছাড়ার পর সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি অবস্থান করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের সরকারি বাসভবনে।
গত শুক্রবার বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠান মো. সাহাবুদ্দিন। পরে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে স্পিকার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২১ মাস আগেই তিনি পদত্যাগ করে বঙ্গভবন ছাড়লেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভবন ত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের একদিন পর রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত তার ব্যক্তিগত বাসভবনে ফিরে যাচ্ছন তিনি।
রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে তিনি রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান।
বঙ্গভবন থেকে বের হওয়ার সময় তাঁর গাড়িবহরে রাষ্ট্রপতির গাড়িসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোট ১৮টি যানবাহন ছিল। দুপুর থেকেই বঙ্গভবনের সামনে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী ও উৎসুক মানুষ জড়ো হন। এ সময় পুরো এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করে পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নেন।
এদিকে, রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত মো. সাহাবুদ্দিনের ব্যক্তিগত বাসভবনে তাঁর ফেরার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বাড়ির নিচতলার বসার অংশে নতুন করে রং করা হয়েছে এবং আসবাবপত্র পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার কাজ চলছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি ওই ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
গুলশানের বাসভবনেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। সকাল থেকেই সেখানে পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের মোতায়েন থাকতে দেখা গেছে।
মো. সাহাবুদ্দিনের বঙ্গভবন ছাড়ার পর সেখান থেকেই রাষ্ট্রীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি অবস্থান করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের সরকারি বাসভবনে।
গত শুক্রবার বিকেলে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র পাঠান মো. সাহাবুদ্দিন। পরে সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে স্পিকার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় দেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেন মো. সাহাবুদ্দিন। পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২১ মাস আগেই তিনি পদত্যাগ করে বঙ্গভবন ছাড়লেন।

শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
১ দিন আগে
নগরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও জড়িতদের শনাক্তে কাজ শুরু করেছে পুলিশ।
১ দিন আগে
বিশ্বব্যাংকের মতে, দক্ষিণ এশিয়ার জনমিতিক পরিবর্তন নীতিগত পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। সরকারগুলো যদি এখনই স্কুলব্যবস্থার পরিকল্পনা করে এবং এই পরিবর্তন থেকে পাওয়া সুবিধা আবার শিক্ষায় বিনিয়োগ করে, তাহলে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়াকে প্রতিটি শিশুর জন্য আরও উন্নতমানের শিক্ষা নিশ্চিত করার স
১ দিন আগে
নির্দেশনায় বলা হয়, স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সব দাপ্তরিক মূল ভবন এবং জেলা পরিষদের আওতাধীন স্থাপনাগুলোতে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করতে হবে।
১ দিন আগে