
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
এসব সমিতির গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (১১ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিটি আইজিপির কাছে পাঠানো হয়। পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মকর্তা চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে এসব এলাকায় ‘জনরোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে’। কিছু এলাকায় বিদ্যুতের উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশ বা প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো। উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশও তাদের আওতাধীন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। জাতীয়ভাবে উৎপাদিত বিদ্যুতের যে বরাদ্দ তারা পায়, সেটিই গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সম্মিলিত গড় চাহিদা ছিল প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে কোনো কোনো এলাকায় দিনে ৮ ঘণ্টা, ১০ ঘণ্টা এমনকি ১২ ঘণ্টাও লোডশেডিং হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর করছে। এতে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে রয়েছেন।’
সাম্প্রতিক গ্যাস ঘাটতির মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে লোডশেডিং ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর চাপ তুলনামূলক বেশি পড়ছে গ্রামাঞ্চলে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে আইজিপিকে।
চিঠির অনুলিপি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, বিদ্যুৎ সচিবের একান্ত সচিব এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবকে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার ও জেনারেল ম্যানেজার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানার ওসিদের কাছেও চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
‘গ্যাস সংকটে’ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত
চলমান বিদ্যুৎ সংকটের জন্য গ্যাসের ঘাটতিকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়া গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারে না।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নতুন একটি কৌশলে কাজ শুরু করার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমরা একটা কৌশল নিয়েছি। আমরা সেই কৌশলটা গতকাল সন্ধ্যা থেকে নিয়েছি। আমরা আশা করছি আজকে সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে, ইনশাল্লাহ।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরের বৈরী পরিস্থিতির কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন এলএনজি খালাস করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে দুর্ঘটনার পর এক্সেলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালও এখনো পুরো সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘এক্সেলারেট টার্মিনাল থেকে আমরা এখনো ফুল ক্যাপাসিটিতে কাজ করতে পারছি না। দেশি উৎপাদন রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব না। এটা আপনারা জানেন। এটা দীর্ঘমেয়াদি একটা ব্যাপার।’
মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনার চেষ্টা
গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও সরকার আলোচনা করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী অমিত। মালয়েশিয়ায় চিঠি পাঠানোর পর তিনি ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী দেশটির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। পরে বাংলাদেশের একটি দল মালয়েশিয়ায় যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের (মালয়েশিয়া) অফার নিয়ে কাজ করছি। তার ধারাবাহিকতায় তাদের কাছ থেকে আমরা আশা করছি অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব।’
আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার বিষয়টিও বিবেচনায় আছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী অমিত। তবে এ ধরনের বিশেষ ট্যাংক সহজে পাওয়া যায় না বলে এটিকে ‘তাৎক্ষণিক নয়, মধ্যমেয়াদি সমাধান’ হিসেবে দেখছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সামাল দিতে সরকার বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও পরামর্শ নিচ্ছে এবং হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে যতগুলো বিকল্প ছিল আমরা সকল বিকল্প নিয়ে কাজ করছি।’
আগের সরকারগুলোর জ্বালানি নীতির সমালোচনাও করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার দাবি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ায় বর্তমান সংকটের ভিত্তি আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘দেখেন, যখন ভুল নীতি আপনি গ্রহণ করবেন একটি সময় তার মাসুল দিতে হবে।’ তবে বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ওই চিঠি দেয়নি।

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
এসব সমিতির গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদারের অনুরোধ জানিয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন।
বুধবার (১১ আগস্ট) সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত চিঠিটি আইজিপির কাছে পাঠানো হয়। পল্লী বিদ্যুতের একজন কর্মকর্তা চিঠি পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
চিঠিতে বলা হয়, জ্বালানি সংকট ও তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে না। ফলে বিদ্যুৎ সরবরাহ কমেছে। বিশেষ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রামাঞ্চলে অতিরিক্ত লোডশেডিং হচ্ছে। এতে এসব এলাকায় ‘জনরোষ বৃদ্ধি পাচ্ছে’। কিছু এলাকায় বিদ্যুতের উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে হামলার ঘটনাও ঘটছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন বলেছে, দেশের বিদ্যুৎ গ্রাহকের প্রায় ৮০ শতাংশ বা প্রায় ৪ কোটি গ্রাহককে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো। উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রায় ৬০ শতাংশও তাদের আওতাধীন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। তবে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলো নিজেরা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে না। জাতীয়ভাবে উৎপাদিত বিদ্যুতের যে বরাদ্দ তারা পায়, সেটিই গ্রাহকদের মধ্যে সরবরাহ করে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, গত কয়েক দিনে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সম্মিলিত গড় চাহিদা ছিল প্রায় ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট। এর বিপরীতে গড়ে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে কোনো কোনো এলাকায় দিনে ৮ ঘণ্টা, ১০ ঘণ্টা এমনকি ১২ ঘণ্টাও লোডশেডিং হচ্ছে।
চিঠিতে বলা হয়, ‘দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে বিভিন্ন এলাকায় সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধ হয়ে পল্লী বিদ্যুতের উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুর করছে। এতে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতা ও আতঙ্কে রয়েছেন।’
সাম্প্রতিক গ্যাস ঘাটতির মধ্যে জাতীয় পর্যায়ে লোডশেডিং ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। এর চাপ তুলনামূলক বেশি পড়ছে গ্রামাঞ্চলে। এ পরিস্থিতিতে প্রতিটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতাধীন গ্রিড, উপকেন্দ্র ও কার্যালয়ে নিরাপত্তা জোরদার করতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে আইজিপিকে।
চিঠির অনুলিপি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর একান্ত সচিব, বিদ্যুৎ সচিবের একান্ত সচিব এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের চেয়ারম্যানের একান্ত সচিবকে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া দেশের সব জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার ও জেনারেল ম্যানেজার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং থানার ওসিদের কাছেও চিঠির অনুলিপি পাঠানো হয়েছে।
‘গ্যাস সংকটে’ বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত
চলমান বিদ্যুৎ সংকটের জন্য গ্যাসের ঘাটতিকে অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, পর্যাপ্ত গ্যাস না পাওয়া গেলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজন অনুযায়ী উৎপাদন করতে পারে না।
পরিস্থিতি সামাল দিতে গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নতুন একটি কৌশলে কাজ শুরু করার কথাও জানান তিনি। বলেন, ‘আমরা একটা কৌশল নিয়েছি। আমরা সেই কৌশলটা গতকাল সন্ধ্যা থেকে নিয়েছি। আমরা আশা করছি আজকে সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে, ইনশাল্লাহ।’
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বঙ্গোপসাগরের বৈরী পরিস্থিতির কারণে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে নতুন এলএনজি খালাস করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে দুর্ঘটনার পর এক্সেলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনালও এখনো পুরো সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, ‘এক্সেলারেট টার্মিনাল থেকে আমরা এখনো ফুল ক্যাপাসিটিতে কাজ করতে পারছি না। দেশি উৎপাদন রাতারাতি বাড়ানো সম্ভব না। এটা আপনারা জানেন। এটা দীর্ঘমেয়াদি একটা ব্যাপার।’
মালয়েশিয়া থেকে এলএনজি আনার চেষ্টা
গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে মালয়েশিয়ার সঙ্গেও সরকার আলোচনা করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী অমিত। মালয়েশিয়ায় চিঠি পাঠানোর পর তিনি ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী দেশটির সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক করেন। পরে বাংলাদেশের একটি দল মালয়েশিয়ায় যায়।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা তাদের (মালয়েশিয়া) অফার নিয়ে কাজ করছি। তার ধারাবাহিকতায় তাদের কাছ থেকে আমরা আশা করছি অন্তত এক কার্গো এলএনজি পাব।’
আইএসও ট্যাংকের মাধ্যমে এলএনজি আনার বিষয়টিও বিবেচনায় আছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী অমিত। তবে এ ধরনের বিশেষ ট্যাংক সহজে পাওয়া যায় না বলে এটিকে ‘তাৎক্ষণিক নয়, মধ্যমেয়াদি সমাধান’ হিসেবে দেখছেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী জানান, বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সামাল দিতে সরকার বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকেও পরামর্শ নিচ্ছে এবং হাতে থাকা সব বিকল্প নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে যতগুলো বিকল্প ছিল আমরা সকল বিকল্প নিয়ে কাজ করছি।’
আগের সরকারগুলোর জ্বালানি নীতির সমালোচনাও করেন অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তার দাবি, মধ্যমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের দিকে যথেষ্ট গুরুত্ব না দেওয়ায় বর্তমান সংকটের ভিত্তি আগে থেকেই তৈরি হয়েছিল।
তিনি বলেন, ‘দেখেন, যখন ভুল নীতি আপনি গ্রহণ করবেন একটি সময় তার মাসুল দিতে হবে।’ তবে বিদ্যুৎ অফিসের নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশকে চিঠি দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয় ওই চিঠি দেয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গত ১৫ মার্চ থেকে হামে আক্রান্ত ও হামের উপসর্গ নিয়ে অসুস্থ রোগীদের তথ্য নিয়মিত প্রকাশ করছে। সেই হিসাব অনুযায়ী, এ সময়ের মধ্যে নিশ্চিত হামে ১০০ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় ছয় মাসে প্রাণ গেছে ১ হাজার ৩৬ জনের। দেশের ইতিহাসে হামে এত মৃত্যুর ঘটনা আগে ঘ
৩ ঘণ্টা আগে
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণে এয়ারবাস কেনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। তিনি বলেন, যেকোনো ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে
৩ ঘণ্টা আগে
মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
৩ ঘণ্টা আগে