
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘অবৈধ পুশইন’ কার্যক্রমের প্রতিবাদে আগামী ১৭ জুন ঢাকায় এবং ২৩ জুন সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতা মিতু সরকার। এ দিন অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম। বৈঠকে সজীব রায়, ভুলন ভৌমিক, কাজী ইকবাল, আমীর আব্বাস, মিনহাজ আহমেদ, সাজ্জাদ সুমন ও মিতু সরকার অংশ নেন।
বৈঠকে নেতারা বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ভারতের বাংলাভাষী বাঙালিদের বাংলাদেশে ‘বেআইনিভাবে পুশইন’ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাদের বলেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়ম-কানুন লঙ্ঘন করে এ ধরনের মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘নীরবতা’র কঠোর সমালোচনা করা হয়।
বৈঠকে নেতারা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকে সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার এবং দেশটির সাউথ ব্লক ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে দিয়ে জনগণের বৃহত্তর ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’ এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
নেতারা আরও বলেন, ‘অতীতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যেভাবে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে ব্যবহার করে শাসন দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছিল, বর্তমানেও দিল্লির শাসকগোষ্ঠী সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।’ তাদের দাবি, বাংলাদেশের জনগণকে দোষারোপ করে আন্তর্জাতিক পরিসরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বৈঠকে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘ভারতের পদলেহী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার’ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা নজিরবিহীন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই প্রচারণা আরও প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
নেতারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএসএফ সীমান্তে গুলি করে বিচারবহির্ভূতভাবে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করে আসলেও এসব ঘটনার বিচার হয়নি। অতীতে বাংলাদেশের কোনো সরকারই এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দ্বারস্থ হয়নি বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
বৈঠকে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারতের ‘অবৈধ পুশইনে’র বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে ভারতসহ সব ধরনের সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তারও কঠোর সমালোচনা করা হয় বৈঠকে। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতাদের দাবি, বর্তমান বিএনপি সরকারকে এই ‘অসম ও অধীনতামূলক’ চুক্তি বাতিল করতে হবে এবং বিষয়টি জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্য উত্থাপন করতে হবে।
এ ছাড়া শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সামরিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাতিলের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়াড জোটে বাংলাদেশকে যুক্ত করা বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো সামরিক চুক্তি করার উদ্যোগ জনগণ মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন নেতারা।
বৈঠক শেষে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ‘অবৈধ পুশইন’, সীমান্ত হত্যা ও ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামী ১৭ জুন বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২৩ জুন সারাদেশে একই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি পালন করা হবে।

বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘অবৈধ পুশইন’ কার্যক্রমের প্রতিবাদে আগামী ১৭ জুন ঢাকায় এবং ২৩ জুন সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জাতীয় মুক্তি কাউন্সিল। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের এক বৈঠকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার (১১ জুন) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতা মিতু সরকার। এ দিন অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী ফয়জুল হাকিম। বৈঠকে সজীব রায়, ভুলন ভৌমিক, কাজী ইকবাল, আমীর আব্বাস, মিনহাজ আহমেদ, সাজ্জাদ সুমন ও মিতু সরকার অংশ নেন।
বৈঠকে নেতারা বাংলাদেশ সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ভারতের বাংলাভাষী বাঙালিদের বাংলাদেশে ‘বেআইনিভাবে পুশইন’ করার ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তাদের বলেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়ম-কানুন লঙ্ঘন করে এ ধরনের মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘নীরবতা’র কঠোর সমালোচনা করা হয়।
বৈঠকে নেতারা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারকে সীমান্তে ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান নিতে হবে। তারা অভিযোগ করেন, ‘ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার এবং দেশটির সাউথ ব্লক ভারত ও দক্ষিণ এশিয়া জুড়ে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সাম্প্রদায়িকতা ছড়িয়ে দিয়ে জনগণের বৃহত্তর ঐক্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।’ এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ এশিয়ার জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তারা।
নেতারা আরও বলেন, ‘অতীতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা যেভাবে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে ব্যবহার করে শাসন দীর্ঘায়িত করতে চেয়েছিল, বর্তমানেও দিল্লির শাসকগোষ্ঠী সাম্প্রদায়িকতা উসকে দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করছে।’ তাদের দাবি, বাংলাদেশের জনগণকে দোষারোপ করে আন্তর্জাতিক পরিসরে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালানো হচ্ছে।
বৈঠকে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ‘ভারতের পদলেহী ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার’ ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর ভারতে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা নজিরবিহীন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সেই প্রচারণা আরও প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।
নেতারা দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে বিএসএফ সীমান্তে গুলি করে বিচারবহির্ভূতভাবে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা করে আসলেও এসব ঘটনার বিচার হয়নি। অতীতে বাংলাদেশের কোনো সরকারই এসব হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দ্বারস্থ হয়নি বলেও অভিযোগ তোলা হয়।
বৈঠকে সীমান্তবর্তী এলাকাগুলোতে ভারতের ‘অবৈধ পুশইনে’র বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রতি অভিনন্দন জানানো হয়। একই সঙ্গে ভারতসহ সব ধরনের সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানানো হয়।
বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তারও কঠোর সমালোচনা করা হয় বৈঠকে। জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের নেতাদের দাবি, বর্তমান বিএনপি সরকারকে এই ‘অসম ও অধীনতামূলক’ চুক্তি বাতিল করতে হবে এবং বিষয়টি জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্য উত্থাপন করতে হবে।
এ ছাড়া শেখ হাসিনার আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত সামরিক চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাতিলের দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন কোয়াড জোটে বাংলাদেশকে যুক্ত করা বা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো সামরিক চুক্তি করার উদ্যোগ জনগণ মেনে নেবে না বলেও মন্তব্য করেন নেতারা।
বৈঠক শেষে ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ‘অবৈধ পুশইন’, সীমান্ত হত্যা ও ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদে আগামী ১৭ জুন বিকেলে ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এ ছাড়া ২৩ জুন সারাদেশে একই দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি পালন করা হবে।

রিমান্ড শুনানির সময় আদালতপাড়ায় লোডশেডিং থাকায় মোবাইল ফোনের আলো জ্বালিয়ে শুনানি করতে হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আসামিদের হাজতখানা থেকে বের করে এজলাসে নেওয়া হয়৷ বিকেল ৩টা ৪৭ মিনিটের দিকে বিচারক আরিফুর রহমান এজলাসে উঠলেও তখনো বিদ্যুৎ আসেনি। বিচারকের পাশে প্রসিকিউশন বিভাগের কয়েকজন মোবাইলের আলো জ্বালিয়ে রা
২০ ঘণ্টা আগে
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
১ দিন আগে
এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে