
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠন এবং একাধিক বিল পাসের প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির অভিযোগ, সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি ও দীর্ঘদিনের সংসদীয় চর্চা উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশেষ করে, ‘স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট ও বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত’ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে টিআইবি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি প্রশ্ন তোলে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব। টিআইবির মতে, এর মাধ্যমে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্যই অঙ্কুরে বিনষ্ট করার নজির তৈরি হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এ ধরনের চর্চা দেখা যায়নি।
বিবৃতিতে টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে একদিকে কার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘন করে সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে বিল উত্থাপন এবং কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই বা আলোচনা ছাড়াই দ্রুত পাস করা হয়েছে। অন্যদিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও প্রচলিত রীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারি দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “কার্যপ্রণালী-বিধির ৭৭ বিধি অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রী বিল উত্থাপনের পর বিলটি স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণ অথবা জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রচারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারেন। তবে প্রচলিত সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিল সাধারণত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর ক্ষেত্রে এর কোনোটাই করা হয়নি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব আমলে নেওয়া বা সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বিলটি সম্পর্কে প্রস্তাব করতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিল উত্থাপনের কমপক্ষে তিন দিন আগে সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ করার রেওয়াজ থাকলেও, এই বিলটি উত্থাপনের ঠিক আগমুহূর্তে এর অনুলিপি সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করা হয়। ফলে বিলটি যাচাইয়ের জন্য একদিকে যেমন সংসদ সদস্যদের কোনো বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া হয়নি, অন্যদিকে কার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে একতরফাভাবে আইনটি পাস করা হয়েছে।’
টিআইবির মতে, শুধু ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬ নয়; বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল, ২০২৬ এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬-ও কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী দলের মতামত ও আপত্তি উপেক্ষা করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আরও কয়েকটি বিল দ্রুত পাস করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এমন একতরফাভাবে বিল পাসের প্রক্রিয়া আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও সংসদীয় বিধি লঙ্ঘন করায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কর্তৃত্ববাদী আমলের সংসদের সঙ্গে বর্তমান সংসদের পার্থক্য কোথায়।’
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। কার্যপ্রণালী বিধির ১৮৮ উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যিনি ইতোমধ্যে স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত হয়েছেন, তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের যে মূল উদ্দেশ্য তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। ইতিপূর্বে বিশেষ করে নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এ জাতীয় চর্চা দেখা যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটির সদস্য বা সভাপতি নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এসব কমিটির সক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।’
বিবৃতিতে টিআইবি আরও উল্লেখ করে, জুলাই জাতীয় সনদের ২৪ নম্বর ধারায় ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট অঙ্গীকার করেছিল যে, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, বিশেষ অধিকার কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদও সংসদে আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। সে হিসাবে প্রায় ২৬ শতাংশ কমিটির সভাপতি বিরোধী দলের সদস্য হওয়ার কথা ছিল।
এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে যা ঘটেছে, তাতে শুধু জুলাই সনদের অঙ্গীকার কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা নয়, বরং ক্ষমতাসীন দলের ৩১ দফা ও নির্বাচনি ইশতেহারকেও অর্থহীন হিসেবে পরিণত করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।’
টিআইবির পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, বিতর্কিতভাবে গঠিত কমিটিগুলো পুনর্গঠন করতে এবং ভবিষ্যতে বাকি সব কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিজেদের ঘোষিত অঙ্গীকার ও সংসদীয় চর্চার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে।
একই সঙ্গে সংবিধানের ৭৮(৫) অনুচ্ছেদের আলোকে সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
এছাড়া জুলাই জাতীয় সনদে উল্লিখিত চারটি সংসদীয় কমিটির প্রতিটিতে অন্তত একজন করে এবং সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সব নারী সংসদ সদস্যকে অন্তত একটি স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠন এবং একাধিক বিল পাসের প্রক্রিয়া নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটির অভিযোগ, সংসদীয় কার্যপ্রণালী বিধি ও দীর্ঘদিনের সংসদীয় চর্চা উপেক্ষা করে ক্ষমতাসীন দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহারের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। বিশেষ করে, ‘স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট ও বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত’ পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রীকে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য করা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে টিআইবি।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি প্রশ্ন তোলে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু কার্যকর নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব। টিআইবির মতে, এর মাধ্যমে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের মূল উদ্দেশ্যই অঙ্কুরে বিনষ্ট করার নজির তৈরি হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এ ধরনের চর্চা দেখা যায়নি।
বিবৃতিতে টিআইবি জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে একদিকে কার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘন করে সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে বিল উত্থাপন এবং কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই বা আলোচনা ছাড়াই দ্রুত পাস করা হয়েছে। অন্যদিকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রেও প্রচলিত রীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে সরকারি দল একচ্ছত্র ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে। একই সঙ্গে সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বাড়াতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, “কার্যপ্রণালী-বিধির ৭৭ বিধি অনুযায়ী, কোনো মন্ত্রী বিল উত্থাপনের পর বিলটি স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ ও বাছাই কমিটিতে প্রেরণ অথবা জনমত যাচাইয়ের জন্য প্রচারের আহ্বান জানানোর পাশাপাশি বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণের প্রস্তাব করতে পারেন। তবে প্রচলিত সংসদীয় প্রথা অনুযায়ী বিল সাধারণত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। কিন্তু ‘ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬’-এর ক্ষেত্রে এর কোনোটাই করা হয়নি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে প্রস্তাবিত জনমত যাচাই বা বাছাই কমিটিতে প্রেরণের প্রস্তাব আমলে নেওয়া বা সংশোধনী প্রস্তাব দেওয়ারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।”
তিনি আরও বলেন, ‘সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বিলটি সম্পর্কে প্রস্তাব করতে পারেন না। এক্ষেত্রে বিল উত্থাপনের কমপক্ষে তিন দিন আগে সংসদ সদস্যদের কাছে বিলের অনুলিপি সরবরাহ করার রেওয়াজ থাকলেও, এই বিলটি উত্থাপনের ঠিক আগমুহূর্তে এর অনুলিপি সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করা হয়। ফলে বিলটি যাচাইয়ের জন্য একদিকে যেমন সংসদ সদস্যদের কোনো বাস্তবসম্মত সুযোগ দেওয়া হয়নি, অন্যদিকে কার্যপ্রণালী বিধি লঙ্ঘনের মাধ্যমে একতরফাভাবে আইনটি পাস করা হয়েছে।’
টিআইবির মতে, শুধু ইনভেস্ট বাংলাদেশ আইন, ২০২৬ নয়; বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) বিল, ২০২৬ এবং পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) (সংশোধন) বিল, ২০২৬-ও কোনো পূর্ব নোটিশ ছাড়াই সম্পূরক কার্যসূচির মাধ্যমে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বিরোধী দলের মতামত ও আপত্তি উপেক্ষা করে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে আরও কয়েকটি বিল দ্রুত পাস করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘এমন একতরফাভাবে বিল পাসের প্রক্রিয়া আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক ও সংসদীয় বিধি লঙ্ঘন করায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কর্তৃত্ববাদী আমলের সংসদের সঙ্গে বর্তমান সংসদের পার্থক্য কোথায়।’
সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন নিয়েও গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে টিআইবি। কার্যপ্রণালী বিধির ১৮৮ উল্লেখ করে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী, যিনি ইতোমধ্যে স্বার্থের সংঘাতে দুষ্ট বহুবিধ কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত হয়েছেন, তাকে অর্থ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রিসভার একজন সদস্যের পক্ষে অন্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর কতটুকু নজরদারি ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর ফলে সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠনের যে মূল উদ্দেশ্য তা অঙ্কুরেই বিনষ্ট করার দৃষ্টান্ত স্থাপিত হলো। ইতিপূর্বে বিশেষ করে নব্বই-পরবর্তী কোনো সংসদে স্থায়ী কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে এ জাতীয় চর্চা দেখা যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বার্থসংশ্লিষ্ট বা বিতর্কিত ব্যক্তিদের কমিটির সদস্য বা সভাপতি নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি গঠিত হলে সরকারের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এসব কমিটির সক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে বাধ্য।’
বিবৃতিতে টিআইবি আরও উল্লেখ করে, জুলাই জাতীয় সনদের ২৪ নম্বর ধারায় ৩০টি রাজনৈতিক দল ও জোট অঙ্গীকার করেছিল যে, জাতীয় সংসদের সরকারি হিসাব কমিটি, বিশেষ অধিকার কমিটি, অনুমিত হিসাব কমিটি এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান কমিটির সভাপতি পদে বিরোধীদলীয় সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি পদও সংসদে আসনসংখ্যার অনুপাতে বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে বণ্টন করা হবে। সে হিসাবে প্রায় ২৬ শতাংশ কমিটির সভাপতি বিরোধী দলের সদস্য হওয়ার কথা ছিল।
এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে যা ঘটেছে, তাতে শুধু জুলাই সনদের অঙ্গীকার কাগজেই সীমাবদ্ধ রাখা নয়, বরং ক্ষমতাসীন দলের ৩১ দফা ও নির্বাচনি ইশতেহারকেও অর্থহীন হিসেবে পরিণত করার ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে।’
টিআইবির পক্ষ থেকে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, বিতর্কিতভাবে গঠিত কমিটিগুলো পুনর্গঠন করতে এবং ভবিষ্যতে বাকি সব কমিটি গঠনের ক্ষেত্রে নিজেদের ঘোষিত অঙ্গীকার ও সংসদীয় চর্চার প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকতে।
একই সঙ্গে সংবিধানের ৭৮(৫) অনুচ্ছেদের আলোকে সংসদীয় কমিটির ক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির জন্য সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে সম্পৃক্ত করে দ্রুত নতুন আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি।
এছাড়া জুলাই জাতীয় সনদে উল্লিখিত চারটি সংসদীয় কমিটির প্রতিটিতে অন্তত একজন করে এবং সরাসরি ভোটে নির্বাচিত সব নারী সংসদ সদস্যকে অন্তত একটি স্থায়ী কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি।

সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২৬ বাস্তবায়ন এবং প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ বন্ধের সময় নির্ধারণ নিয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদম
২ ঘণ্টা আগে
গত সাত মাসে দেশে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহাদী আমিনের এমন বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেছেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেনি— এমন দাবি করার মতো তথ্
২ ঘণ্টা আগে