
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছুটির দিনের সকালে সারা দেশ কেঁপে উঠেছে ভূমিকম্পে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবনা, নরসিংদী, কুড়িগ্রামসহ প্রায় সারা দেশেই এ ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের তথ্য মেলেনি।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় সারা দেশে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের হিসাব বলছে, ভূমিকম্পের অনুমিত মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৫। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে বাংলাদেশের নরসিংদীর ঘোড়াশাল থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে এর উৎপত্তি। বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি প্রভাব ফেলেছে।
পরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা পাওয়া গেছে ৫ দশমিক ৭, যা মাঝারি আকারের ভূমিকম্প। সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে এটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী, ২৩ দশমিক ৭৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯০ দশমিক ৫১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
প্রাথমিক তথ্য বলছে, রাজধানী ঢাকা ও নরসিংদীতে ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
মিরপুরের বাসিন্দা আতিকুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে বলেন, সকালে বাসায় কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি পুরো ভবন কেঁপে উঠেছে। দ্রুত পরিবারকে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে গিয়েছি। এত বড় ভূমিকম্প অনেক দিন অনুভব করিনি।
ভূমিকম্পের প্রভাবে রাজধানীর কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে খবর মিলেছে।
নরসিংদীর ভেলানগর এলাকার বাসিন্দা আশরাফী সুলতানা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ছুটির দিনের সকালে নাশতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে প্রবল ভূকম্পন। বাসার আলমারি, শোকেসসহ সব আসবাবপত্র নড়ে উঠেছে। মনে হচ্ছিল শোকেস-আলমারি থেকে জিনিসপত্র বুঝি পড়ে যাবে।
ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও ভবন ধসে পড়া বা এ ধরনের তথ্য জানাতে পারেনি।

ছুটির দিনের সকালে সারা দেশ কেঁপে উঠেছে ভূমিকম্পে। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবনা, নরসিংদী, কুড়িগ্রামসহ প্রায় সারা দেশেই এ ভূমিকম্পের কম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের তথ্য মেলেনি।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৯ মিনিটের দিকে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয় সারা দেশে।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএসের হিসাব বলছে, ভূমিকম্পের অনুমিত মাত্রা রিখটার স্কেলে ৫.৫। ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে বাংলাদেশের নরসিংদীর ঘোড়াশাল থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম-উত্তরপশ্চিমে এর উৎপত্তি। বাংলাদেশ ও ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি প্রভাব ফেলেছে।
পরে আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা পাওয়া গেছে ৫ দশমিক ৭, যা মাঝারি আকারের ভূমিকম্প। সকাল ১০টা ৩৮ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে এটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী, ২৩ দশমিক ৭৭ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯০ দশমিক ৫১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
প্রাথমিক তথ্য বলছে, রাজধানী ঢাকা ও নরসিংদীতে ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। ভূমিকম্পের পরপরই মানুষজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রাস্তায় বেরিয়ে আসেন।
মিরপুরের বাসিন্দা আতিকুর রহমান রাজনীতি ডটকমকে বলেন, সকালে বাসায় কাজ করছিলাম। হঠাৎ দেখি পুরো ভবন কেঁপে উঠেছে। দ্রুত পরিবারকে নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে গিয়েছি। এত বড় ভূমিকম্প অনেক দিন অনুভব করিনি।
ভূমিকম্পের প্রভাবে রাজধানীর কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে বলে খবর মিলেছে।
নরসিংদীর ভেলানগর এলাকার বাসিন্দা আশরাফী সুলতানা রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ছুটির দিনের সকালে নাশতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। হঠাৎ করে প্রবল ভূকম্পন। বাসার আলমারি, শোকেসসহ সব আসবাবপত্র নড়ে উঠেছে। মনে হচ্ছিল শোকেস-আলমারি থেকে জিনিসপত্র বুঝি পড়ে যাবে।
ফায়ার সার্ভিসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোথাও ভবন ধসে পড়া বা এ ধরনের তথ্য জানাতে পারেনি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, স্কুল ফিডিং কার্যক্রমে শিশুদের জন্য নির্ধারিত পুষ্টিকর খাদ্যের মান ও সরবরাহে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়ম বরদাশত করা হবে না।
১২ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।
১২ ঘণ্টা আগে
দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (২৩ মে) সকাল ৮টা থেকে আজ রোববার সকাল ৮টা পর্যন্ত সময়ে এসব শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
সড়ক, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ট্রেনে ঘরমুখো যাত্রীর চাপ বেড়েছে। কেননা, মানুষের কাছে ট্রেন ভ্রমণ এখনো সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক মাধ্যমগুলোর একটি। তবে যাত্রী চাহিদার তুলনায় রেলের সক্ষমতা এখনও সীমিত। ফলে পুরোনো রেললাইন ও লোকোমোটিভ দিয়েই বাড়তি সতর্কতার সঙ্গে ট্রেন চলা
১৩ ঘণ্টা আগে