
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এখন থেকে দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদনের সময়সীমা ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি ‘সড়ক পরিবহন বিধিমালা ২০২২’ সংশোধনের মাধ্যমে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ-র সার্ভিস পোর্টালে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এখন ঘরে বসেই আবেদন করতে পারবেন ভুক্তভোগীরা।
সংশোধিত বিধিমালায় এই পরিবর্তন যুক্ত করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি অথবা নিহতের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি থেকে সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পেতে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া চালু হয়। আগে এই আবেদন করতে হতো ম্যানুয়ালি, যা ছিল সময়সাপেক্ষ ও ঝামেলাপূর্ণ। এখন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি) ব্যবহার করে ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে।
বিআরটিএর কর্মকর্তারা বলছেন, সময়সীমা বাড়ানোর ফলে ভুক্তভোগীরা উপকৃত হবেন। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার পরপরই চিকিৎসা, মানসিক চাপ ও নানা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা সম্ভব হয় না। সময় বাড়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা তুলনামূলক সহজ হবে।
সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের সহায়তায় কাজ করা বেসরকারি সংগঠন সেন্টার ফর ওয়ার্ক অ্যান্ড অকুপেশনাল হেলথ সেফটির প্রধান সমন্বয়কারী মো. সেলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে করে ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থায় আরও বেশি মানুষ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং ভুক্তভোগীরা আইনি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না’।
এদিকে সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার পায় ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির পরিবার পায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ।
উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর। বিআরটিএর তথ্যমতে, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ২ হাজার ৬৪১টি চেক বিতরণ করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে। এর মধ্যে নিহত ২ হাজার ১৯৫ জন, আহত ৩১৬ জন এবং গুরুতর আহত ১৩০ জনের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে।

এখন থেকে দুর্ঘটনার পর ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদনের সময়সীমা ৩০ দিন থেকে বাড়িয়ে ৯০ দিন করা হয়েছে। গত ২৫ জানুয়ারি ‘সড়ক পরিবহন বিধিমালা ২০২২’ সংশোধনের মাধ্যমে এই নতুন নিয়ম কার্যকর করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিআরটিএ-র সার্ভিস পোর্টালে অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া চালু হওয়ায় এখন ঘরে বসেই আবেদন করতে পারবেন ভুক্তভোগীরা।
সংশোধিত বিধিমালায় এই পরিবর্তন যুক্ত করা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তি অথবা নিহতের পরিবারের সদস্যরা দুর্ঘটনার তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
এর আগে গত ২৬ জানুয়ারি থেকে সড়ক দুর্ঘটনার ক্ষতিপূরণ পেতে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া চালু হয়। আগে এই আবেদন করতে হতো ম্যানুয়ালি, যা ছিল সময়সাপেক্ষ ও ঝামেলাপূর্ণ। এখন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভিস পোর্টাল (বিএসপি) ব্যবহার করে ঘরে বসেই অনলাইনে আবেদন করা যাচ্ছে।
বিআরটিএর কর্মকর্তারা বলছেন, সময়সীমা বাড়ানোর ফলে ভুক্তভোগীরা উপকৃত হবেন। অনেক ক্ষেত্রে দুর্ঘটনার পরপরই চিকিৎসা, মানসিক চাপ ও নানা প্রশাসনিক জটিলতার কারণে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করা সম্ভব হয় না। সময় বাড়ায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ, চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত এবং আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা তুলনামূলক সহজ হবে।
সড়ক পরিবহন শ্রমিকদের সহায়তায় কাজ করা বেসরকারি সংগঠন সেন্টার ফর ওয়ার্ক অ্যান্ড অকুপেশনাল হেলথ সেফটির প্রধান সমন্বয়কারী মো. সেলিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এই সিদ্ধান্ত সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ। এতে করে ক্ষতিপূরণ ব্যবস্থায় আরও বেশি মানুষ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে এবং ভুক্তভোগীরা আইনি সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন না’।
এদিকে সড়ক পরিবহন আইনের আওতায় দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির পরিবার পায় ৫ লাখ টাকা এবং আহত ব্যক্তির পরিবার পায় ৩ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ।
উল্লেখ্য, সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হয় ২০২৩ সালের ১৯ অক্টোবর। বিআরটিএর তথ্যমতে, ২০২৩ সাল থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ১১৬ কোটি ৮১ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। এ সময়ে ২ হাজার ৬৪১টি চেক বিতরণ করা হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে। এর মধ্যে নিহত ২ হাজার ১৯৫ জন, আহত ৩১৬ জন এবং গুরুতর আহত ১৩০ জনের পরিবার ক্ষতিপূরণ পেয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে আরও বেশি প্রতিযোগিতামূলক। গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে জনবান্ধব ও সত্যিকারের প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করতে এখন থেকেই ভোটার ও নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে চলমান হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। দেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৫৮টিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া, টিকার ঘাটতি এবং মৃত্যুর ক্রমবর্ধমান হারের ওপর ভিত্তি করে পরিস্থিতিকে জাতীয়ভাবে ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে মূল্যায়ন করেছে সংস্থাটি।
৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠকে সার্ক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেন। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রতিনিধিদলগুলো সার্কের উন্নয়নের জন্য তাদের নিজ নিজ জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গি ও অগ্রাধিকার তুলে ধরে।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রাদুর্ভাব শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জন মারা গেছেন। আর হামের উপসর্গ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ১৯৮ জন।
৫ ঘণ্টা আগে