
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

খাঁচায় পালন করা মুরগির ডিমের তুলনায় অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ ডিম উৎপাদনে জলবায়ুর ওপর প্রায় দ্বিগুণ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে দাবি করেছে নতুন এক গবেষণা। গবেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যে যদি পুরো ডিম উৎপাদন ব্যবস্থা অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাহলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো উৎপাদন ব্যবস্থা অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ হলে বছরে প্রায় ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য (tCO2e) গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হবে। বিপরীতে, সব ডিম যদি খাঁচায় পালন করা মুরগি থেকে উৎপাদিত হয়, তাহলে নিঃসরণ হবে প্রায় ১১ লাখ ৮৪ হাজার টন।
গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে রয়েল সোসাইটি ওপেন সোর্স -এ। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন পোলট্রি খামারের তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ, জমির ব্যবহার, দূষণ এবং প্রাণীকল্যাণের বিভিন্ন সূচক মূল্যায়ন করা হয়েছে।
গবেষকদের ব্যাখ্যা, খাঁচায় থাকা মুরগি তুলনামূলকভাবে বেশি দক্ষতার সঙ্গে ডিম উৎপাদন করে। একই পরিমাণ ডিম উৎপাদনে অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ পদ্ধতিতে বেশি সংখ্যক মুরগির প্রয়োজন হয়। ফলে খাদ্য, জমি ও অন্যান্য সম্পদের ব্যবহারও বেড়ে যায়।
শুধু কার্বন নিঃসরণ নয়, পানিদূষণ, মাটির অম্লতা বৃদ্ধি এবং জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ পদ্ধতিতে মুরগির মৃত্যুহারও তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।
তবে গবেষকরা নিজেরাই স্বীকার করেছেন, গবেষণাটি ২০০৯-১০ সালের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ডিম উৎপাদন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এসেছে, তা এতে প্রতিফলিত হয়নি। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহার বা জীববৈচিত্র্যের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলোও গবেষণার আওতায় ছিল না।
গবেষক হ্যারিয়েট বার্টলেট বলেন, প্রাণীকল্যাণে ভালো হিসেবে পরিচিত অর্গানিক ও ফ্রি-রেঞ্জ খামারগুলো একই পরিমাণ ডিম উৎপাদনে বেশি মুরগি ব্যবহার করে। এর ফলে পরিবেশগত প্রভাবও বেড়ে যেতে পারে। তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেন, কারখানাভিত্তিক খামারের পুরো চিত্র এই গবেষণায় উঠে আসেনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, অর্গানিক পদ্ধতিতে কীটনাশকের ব্যবহার কম হতে পারে এবং খামারের জীববৈচিত্র্য তুলনামূলক ভালো থাকতে পারে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে খাঁচাভিত্তিক, বার্ন, সাধারণ ফ্রি-রেঞ্জ ও অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ—এই চার ধরনের উৎপাদন ব্যবস্থার সমন্বয়ে বছরে প্রায় ১৪ লাখ ৩৯ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়।

খাঁচায় পালন করা মুরগির ডিমের তুলনায় অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ ডিম উৎপাদনে জলবায়ুর ওপর প্রায় দ্বিগুণ নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বলে দাবি করেছে নতুন এক গবেষণা। গবেষকদের মতে, যুক্তরাজ্যে যদি পুরো ডিম উৎপাদন ব্যবস্থা অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাহলে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে।
গবেষণায় দেখা গেছে, পুরো উৎপাদন ব্যবস্থা অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ হলে বছরে প্রায় ২৩ লাখ ১৬ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য (tCO2e) গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হবে। বিপরীতে, সব ডিম যদি খাঁচায় পালন করা মুরগি থেকে উৎপাদিত হয়, তাহলে নিঃসরণ হবে প্রায় ১১ লাখ ৮৪ হাজার টন।
গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে রয়েল সোসাইটি ওপেন সোর্স -এ। এতে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন পোলট্রি খামারের তথ্য বিশ্লেষণ করে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ, জমির ব্যবহার, দূষণ এবং প্রাণীকল্যাণের বিভিন্ন সূচক মূল্যায়ন করা হয়েছে।
গবেষকদের ব্যাখ্যা, খাঁচায় থাকা মুরগি তুলনামূলকভাবে বেশি দক্ষতার সঙ্গে ডিম উৎপাদন করে। একই পরিমাণ ডিম উৎপাদনে অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ পদ্ধতিতে বেশি সংখ্যক মুরগির প্রয়োজন হয়। ফলে খাদ্য, জমি ও অন্যান্য সম্পদের ব্যবহারও বেড়ে যায়।
শুধু কার্বন নিঃসরণ নয়, পানিদূষণ, মাটির অম্লতা বৃদ্ধি এবং জমি ব্যবহারের ক্ষেত্রেও অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ ব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে বলে গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ পদ্ধতিতে মুরগির মৃত্যুহারও তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে।
তবে গবেষকরা নিজেরাই স্বীকার করেছেন, গবেষণাটি ২০০৯-১০ সালের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে ডিম উৎপাদন ব্যবস্থায় যে পরিবর্তন এসেছে, তা এতে প্রতিফলিত হয়নি। এছাড়া কীটনাশক ব্যবহার বা জীববৈচিত্র্যের মতো পরিবেশগত বিষয়গুলোও গবেষণার আওতায় ছিল না।
গবেষক হ্যারিয়েট বার্টলেট বলেন, প্রাণীকল্যাণে ভালো হিসেবে পরিচিত অর্গানিক ও ফ্রি-রেঞ্জ খামারগুলো একই পরিমাণ ডিম উৎপাদনে বেশি মুরগি ব্যবহার করে। এর ফলে পরিবেশগত প্রভাবও বেড়ে যেতে পারে। তবে তিনি এটিও উল্লেখ করেন, কারখানাভিত্তিক খামারের পুরো চিত্র এই গবেষণায় উঠে আসেনি। উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, অর্গানিক পদ্ধতিতে কীটনাশকের ব্যবহার কম হতে পারে এবং খামারের জীববৈচিত্র্য তুলনামূলক ভালো থাকতে পারে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে যুক্তরাজ্যে খাঁচাভিত্তিক, বার্ন, সাধারণ ফ্রি-রেঞ্জ ও অর্গানিক ফ্রি-রেঞ্জ—এই চার ধরনের উৎপাদন ব্যবস্থার সমন্বয়ে বছরে প্রায় ১৪ লাখ ৩৯ হাজার টন কার্বন ডাই-অক্সাইড সমতুল্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হয়।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে