
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) একটি আইন প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের আদালতে মামলা জিতে নতুন নজির গড়েছে। আইন খাতে এআই প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব ও বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ‘গারফিল্ড এআই’ নামের প্রতিষ্ঠানটি গত মাসে ইংল্যান্ডের ওয়ান্ডসওয়ার্থ কাউন্টি কোর্টে একজন ফ্রিল্যান্স কর্মীর বকেয়া পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মামলায় জয়লাভ করে। গত বছর যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি দেশটির প্রথম এআইভিত্তিক ল’ ফার্ম।
মামলাটির বাদী ছিলেন মানবসম্পদ (এইচআর)-সংক্রান্ত ফ্রিল্যান্স সেবাদাতা তামিরেস কামাল তাকিদির। তিনি একটি আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৭ হাজার পাউন্ড পাওনা দাবি আদায়ের জন্য গারফিল্ড এআইয়ের সহায়তা নেন। বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।
গারফিল্ড এআই মামলার প্রায় সব প্রাথমিক আইনি কাজ সম্পন্ন করে। এর মধ্যে ছিল আইনি নোটিশ প্রস্তুত, মামলা দায়ের, সাক্ষীদের বিবৃতির খসড়া তৈরি, আদালতের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত এবং বিবাদীপক্ষের পাল্টা দাবির জবাব তৈরি। তবে আদালতে শুনানির সময় বাদীপক্ষের হয়ে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য একজন মানব ব্যারিস্টার নিয়োগ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক লিটিগেশন আইনজীবী ফিলিপ ইয়ংয়ের দাবি, শুধু যুক্তরাজ্য নয়, সম্ভবত বিশ্বেই এটিই প্রথম ঘটনা, যেখানে এআইয়ের সহায়তায় পরিচালিত আইনি প্রস্তুতির মাধ্যমে আদালতে জয় এসেছে।
১৪ মে অনুষ্ঠিত প্রায় তিন ঘণ্টার শুনানির জন্য গারফিল্ড এআই চারজন সাক্ষীর জবানবন্দি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করেছিল। শুনানি শেষে আদালত তাকিদিরের পক্ষে রায় দিয়ে তার পাওনা অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন।
তাকিদির বলেন, “আমি যে কাজ করেছি তার জন্য আমার পাওনা ছিল। কিন্তু সেই অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত চাপের, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ মনে হচ্ছিল। গারফিল্ডের কারণে আমি দাবিটি অনুসরণ করার এবং শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিবাদীপক্ষ যখন পাল্টা দাবি তোলে, তখন সেটি আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা বলেই মনে হয়েছিল। তবে আমি জানতাম, আমার পাশে এমন একটি আইনি সহায়তা রয়েছে, যা সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর।”
আদালতে বাদীপক্ষের হয়ে লড়া ব্যারিস্টার ডমিনিক লি বলেন, গারফিল্ড মামলাটি স্পষ্ট ও সুচারুভাবে উপস্থাপন করেছে। তবে আদালতের শুনানিতে সওয়াল-জবাব ও যুক্তি উপস্থাপনের কাজ এখনও মানুষেরই করতে হয়।
ফিলিপ ইয়ং বলেন, “এটি শুধু গারফিল্ড এআইয়ের জন্য নয়, বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একটি মাইলফলক। দীর্ঘদিন ধরে অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মামলা পরিচালনার খরচ, সময় ও মানসিক চাপের কারণে তাদের পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা থেকে সরে এসেছে।”
তার ভাষায়, “এআই বিচারক, ব্যারিস্টার বা আইনব্যবস্থার জায়গা নেয়নি। বরং এটি পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজলভ্য, দক্ষ ও সাশ্রয়ী করেছে।”
গারফিল্ড এআই মূলত ঋণ বা বকেয়া অর্থ আদায়ের দাবি নিয়ে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ২ পাউন্ডের বিনিময়ে পাওনা আদায়ের অনুস্মারক চিঠি তৈরি করে দেয় এবং ৫০ পাউন্ড থেকে শুরু করে আদালতে দাবি দাখিলের প্রয়োজনীয় ফরম পূরণে সহায়তা করে। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত ৬০০টির বেশি দাবি প্রক্রিয়াজাত করে গ্রাহকদের জন্য প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড আদায় করেছে। অধিকাংশ মামলাই আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগেই সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, গারফিল্ড পরিচালিত মামলাগুলোর আর্থিক মূল্য সাধারণত ৩০ পাউন্ড থেকে ১০ হাজার পাউন্ডের মধ্যে। তাকিদিরের ৭ হাজার পাউন্ডের দাবির মামলাটিতে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে প্রায় ৪০০ পাউন্ড ফি দিয়েছিলেন। বিপরীতে বিবাদীপক্ষ একজন সলিসিটর ও একজন ব্যারিস্টার নিয়োগ করেছিল।
তবে আইন খাতে এআইয়ের অগ্রযাত্রার পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। গোপনীয়তা, নির্ভুলতা এবং বিভিন্ন দেশের আইনগত কাঠামোর পার্থক্যের কারণে এ খাতে এআইয়ের ব্যবহার তুলনামূলক ধীরগতিতে এগোচ্ছে।
ইতোমধ্যে এআই ব্যবহারে কয়েকটি আলোচিত ভুলও সামনে এসেছে। গত মে মাসে যুক্তরাজ্যের আইন প্রতিষ্ঠান পিনসেন্ট ম্যাসনসকে আদালতে এআইয়ের তৈরি ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বক্তব্য উপস্থাপনের কারণে তিরস্কার করা হয়। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় আইন প্রতিষ্ঠান সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল এপ্রিলে একটি ফেডারেল দেউলিয়াত্ব আদালতকে জানায়, তাদের প্রস্তুত করা এক নথিতে এআইয়ের একাধিক ‘হ্যালুসিনেশন’ বা মনগড়া তথ্য ছিল।
তবু আইন খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আইন প্রতিষ্ঠান কার্কল্যান্ড অ্যান্ড এলিস সম্প্রতি জানিয়েছে, তারা নিজস্ব এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) একটি আইন প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যের আদালতে মামলা জিতে নতুন নজির গড়েছে। আইন খাতে এআই প্রযুক্তির সম্ভাব্য প্রভাব ও বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ‘গারফিল্ড এআই’ নামের প্রতিষ্ঠানটি গত মাসে ইংল্যান্ডের ওয়ান্ডসওয়ার্থ কাউন্টি কোর্টে একজন ফ্রিল্যান্স কর্মীর বকেয়া পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মামলায় জয়লাভ করে। গত বছর যুক্তরাজ্যের নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানটি দেশটির প্রথম এআইভিত্তিক ল’ ফার্ম।
মামলাটির বাদী ছিলেন মানবসম্পদ (এইচআর)-সংক্রান্ত ফ্রিল্যান্স সেবাদাতা তামিরেস কামাল তাকিদির। তিনি একটি আতিথেয়তা খাতের প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রায় ৭ হাজার পাউন্ড পাওনা দাবি আদায়ের জন্য গারফিল্ড এআইয়ের সহায়তা নেন। বিরোধ নিষ্পত্তির চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন।
গারফিল্ড এআই মামলার প্রায় সব প্রাথমিক আইনি কাজ সম্পন্ন করে। এর মধ্যে ছিল আইনি নোটিশ প্রস্তুত, মামলা দায়ের, সাক্ষীদের বিবৃতির খসড়া তৈরি, আদালতের জন্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত এবং বিবাদীপক্ষের পাল্টা দাবির জবাব তৈরি। তবে আদালতে শুনানির সময় বাদীপক্ষের হয়ে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য একজন মানব ব্যারিস্টার নিয়োগ করা হয়।
প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক লিটিগেশন আইনজীবী ফিলিপ ইয়ংয়ের দাবি, শুধু যুক্তরাজ্য নয়, সম্ভবত বিশ্বেই এটিই প্রথম ঘটনা, যেখানে এআইয়ের সহায়তায় পরিচালিত আইনি প্রস্তুতির মাধ্যমে আদালতে জয় এসেছে।
১৪ মে অনুষ্ঠিত প্রায় তিন ঘণ্টার শুনানির জন্য গারফিল্ড এআই চারজন সাক্ষীর জবানবন্দি এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র প্রস্তুত করেছিল। শুনানি শেষে আদালত তাকিদিরের পক্ষে রায় দিয়ে তার পাওনা অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেন।
তাকিদির বলেন, “আমি যে কাজ করেছি তার জন্য আমার পাওনা ছিল। কিন্তু সেই অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত চাপের, ব্যয়বহুল এবং সময়সাপেক্ষ মনে হচ্ছিল। গারফিল্ডের কারণে আমি দাবিটি অনুসরণ করার এবং শেষ পর্যন্ত এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিবাদীপক্ষ যখন পাল্টা দাবি তোলে, তখন সেটি আমাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা বলেই মনে হয়েছিল। তবে আমি জানতাম, আমার পাশে এমন একটি আইনি সহায়তা রয়েছে, যা সহজলভ্য, সাশ্রয়ী এবং কার্যকর।”
আদালতে বাদীপক্ষের হয়ে লড়া ব্যারিস্টার ডমিনিক লি বলেন, গারফিল্ড মামলাটি স্পষ্ট ও সুচারুভাবে উপস্থাপন করেছে। তবে আদালতের শুনানিতে সওয়াল-জবাব ও যুক্তি উপস্থাপনের কাজ এখনও মানুষেরই করতে হয়।
ফিলিপ ইয়ং বলেন, “এটি শুধু গারফিল্ড এআইয়ের জন্য নয়, বিচারপ্রাপ্তির সুযোগ সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও একটি মাইলফলক। দীর্ঘদিন ধরে অনেক ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মামলা পরিচালনার খরচ, সময় ও মানসিক চাপের কারণে তাদের পাওনা অর্থ আদায়ের চেষ্টা থেকে সরে এসেছে।”
তার ভাষায়, “এআই বিচারক, ব্যারিস্টার বা আইনব্যবস্থার জায়গা নেয়নি। বরং এটি পুরো প্রক্রিয়াটিকে আরও সহজলভ্য, দক্ষ ও সাশ্রয়ী করেছে।”
গারফিল্ড এআই মূলত ঋণ বা বকেয়া অর্থ আদায়ের দাবি নিয়ে কাজ করে। প্রতিষ্ঠানটি মাত্র ২ পাউন্ডের বিনিময়ে পাওনা আদায়ের অনুস্মারক চিঠি তৈরি করে দেয় এবং ৫০ পাউন্ড থেকে শুরু করে আদালতে দাবি দাখিলের প্রয়োজনীয় ফরম পূরণে সহায়তা করে। তাদের দাবি, এখন পর্যন্ত ৬০০টির বেশি দাবি প্রক্রিয়াজাত করে গ্রাহকদের জন্য প্রায় ৫ লাখ পাউন্ড আদায় করেছে। অধিকাংশ মামলাই আদালতের চূড়ান্ত রায়ের আগেই সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী, গারফিল্ড পরিচালিত মামলাগুলোর আর্থিক মূল্য সাধারণত ৩০ পাউন্ড থেকে ১০ হাজার পাউন্ডের মধ্যে। তাকিদিরের ৭ হাজার পাউন্ডের দাবির মামলাটিতে তিনি প্রতিষ্ঠানটিকে প্রায় ৪০০ পাউন্ড ফি দিয়েছিলেন। বিপরীতে বিবাদীপক্ষ একজন সলিসিটর ও একজন ব্যারিস্টার নিয়োগ করেছিল।
তবে আইন খাতে এআইয়ের অগ্রযাত্রার পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। গোপনীয়তা, নির্ভুলতা এবং বিভিন্ন দেশের আইনগত কাঠামোর পার্থক্যের কারণে এ খাতে এআইয়ের ব্যবহার তুলনামূলক ধীরগতিতে এগোচ্ছে।
ইতোমধ্যে এআই ব্যবহারে কয়েকটি আলোচিত ভুলও সামনে এসেছে। গত মে মাসে যুক্তরাজ্যের আইন প্রতিষ্ঠান পিনসেন্ট ম্যাসনসকে আদালতে এআইয়ের তৈরি ভুল তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বক্তব্য উপস্থাপনের কারণে তিরস্কার করা হয়। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় আইন প্রতিষ্ঠান সুলিভান অ্যান্ড ক্রমওয়েল এপ্রিলে একটি ফেডারেল দেউলিয়াত্ব আদালতকে জানায়, তাদের প্রস্তুত করা এক নথিতে এআইয়ের একাধিক ‘হ্যালুসিনেশন’ বা মনগড়া তথ্য ছিল।
তবু আইন খাতের বড় প্রতিষ্ঠানগুলো এআই প্রযুক্তিতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ আইন প্রতিষ্ঠান কার্কল্যান্ড অ্যান্ড এলিস সম্প্রতি জানিয়েছে, তারা নিজস্ব এআই প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গত ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোয় বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ পাবেন। আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাবেন ৫০ শতাংশ। এই অর্থ গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে।
১ দিন আগে
এআই নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বাড়ার মধ্যেই জীববিজ্ঞান ও ওষুধবিজ্ঞানে নিজেদের কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে অ্যানথ্রপিক।মঙ্গলবার রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অ্যানথ্রপিকের জীবনবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান এরিক কডেরার-আব্রামস প্রতিষ্ঠানটির ওয়েট ল্যাব থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
২ দিন আগে
ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার শাজাহান ইসলাম জানান, কাফরুল থানার সামনে মিরপুর সুপার লিংক নামের একটি বাসে আগুন লাগার খবর পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। সাড়ে ১০ দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
২ দিন আগে
শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরবি বিভাগের সাতজন; ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভালনারেবিলিটি স্টাডিজ, অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ প্রোগ্রাম, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগের তিনজন করে শিক্ষার্থী রয়েছেন। ভূগোল ও পরিবেশ, ইংরেজি এবং দর্শন বিভাগ থেকে শাস্তি
২ দিন আগে