
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

আবিষ্কারের ফল সব সময় মধুর হয় না। সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের বিপরীত স্রোতে যদি চলে কোন আবিষ্কারের ধারা, তখব বিজ্ঞানীরা সেটাকে সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করেন। আবিষ্কারের ফল সব সময় মধুর হয় না। সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের বিপরীত স্রোতে যদি চলে কোন আবিষ্কারের ধারা, তখব বিজ্ঞানীরা সেটাকে সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করেন।
তাই বলে কি সেই আবিষ্কার মিথ্যে হয়ে যায়?
প্রকৃত আবিষ্কার মিথ্যে হয় না বটে, কিন্তু যিনি আবিষ্কারক, বিজ্ঞানীকুলের বিরূপ সমালোচনা মর্মপীড়ার কারণ হতে পারে। ক্রমাগত মানসিক আঘাত ভেঙে ফেলতে পারে আবিষ্কারকের ধৈর্যের বাঁধ।
ঠিক এমনটাই ঘটেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতে।
সে সময় এনট্রপি নিয়ে ঊনবিংশ বিজ্ঞানীরা মহা ঝামেলায় পড়ে যান। অনেকই ভাবতে শুরু করেন, এনট্রপি হয়তো শক্তির সংরক্ষণ নীতি লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু এনট্রপির সমাধান বের করতে পারেননি কোনো বিজ্ঞানী। অস্ট্রিয়ান লুডভিক বোলজম্যান তো আত্মহত্যাই করে বসেন, এনট্রপির ব্যাপারটা মেনে নিতে না পেরে। বোলজম্যান যুক্তি খুঁজে পাচ্ছিলেন না, সব সময় এনট্রপি কেন বেড়েই চলে। বোলজম্যান ছিলেন তাপগতিবিদ্যার প্রবাদ পুরুষ। তাপ কি তা নিয়েই বিজ্ঞানীরা হিমসিম খেয়েছেন বহুদিন। তাপ কীএ নিয়েই ধোয়াশা ছিল। বরফকে উৎতপ্ত করলে কেন পানিতে পরিণত হয়। আবার পানিকে উতপ্ত করলে কেন পানির তাপমাত্রা বাড়ে? কিন্তু সেই ঊনবিংশ শতাব্দীতে পরমাণু ব্যাপারটাও বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত ছিল না। বরং দুইদল বিজ্ঞানী দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল পরমাণু প্রশ্নে। বোলজম্যান অবশ্য পরমাণুবাদী ছিলেন। তিনি বিশ^াস করতে জগতের সকল বস্তুই পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুবাদ দিয়েই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেন। যেসব ঘটনার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছিল না, তিনি ভাবলেন, সেগুলোও পরমাণুবাদের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যাবে। কিন্তু বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই তাঁর কথা বিশ^াস করতেন না। বরং বোলজম্যানের ঘোর বিরোধী ছিলেন তাঁরা। এমনকি বৈজ্ঞানিক সমাজ তাঁকে এক ঘরে করে রাখে। বোলজম্যান তাঁর নিজের কাজ করে গেলেন নিভৃতে। বস্তুকে উতপ্ত করলে বস্তুর তাপমাত্রা বাড়ে, এর পেছনে নিশ্চয়ই পরমাণুর খেলা আছে, ভাবতেন বোলজম্যান। আরও ভাবতেন, বস্তুতে যখন তাপ প্রয়োগ করা হয়, তখন বস্তুর ভেতরের পরমাণুগুলোর মধ্যে বিশৃঙ্খলতার সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় এনট্রপির।
এনট্রপি যদি এত বেশিই হয় এবং বেড়েই চলে, তাহলে অতীতে কেন কম ছিল? এই প্রশ্নের জবাব দিনের পর দিন না পেয়ে তিনি বিষণœতায় ভোগেন। ক্রমে ক্রমে মানসিক রোগীতে পরিণত হন। শেষমেশ আত্মহত্যা করে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি খোঁজেন।

আবিষ্কারের ফল সব সময় মধুর হয় না। সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের বিপরীত স্রোতে যদি চলে কোন আবিষ্কারের ধারা, তখব বিজ্ঞানীরা সেটাকে সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করেন। আবিষ্কারের ফল সব সময় মধুর হয় না। সাধারণ কাণ্ডজ্ঞানের বিপরীত স্রোতে যদি চলে কোন আবিষ্কারের ধারা, তখব বিজ্ঞানীরা সেটাকে সমালোচনার বাণে বিদ্ধ করেন।
তাই বলে কি সেই আবিষ্কার মিথ্যে হয়ে যায়?
প্রকৃত আবিষ্কার মিথ্যে হয় না বটে, কিন্তু যিনি আবিষ্কারক, বিজ্ঞানীকুলের বিরূপ সমালোচনা মর্মপীড়ার কারণ হতে পারে। ক্রমাগত মানসিক আঘাত ভেঙে ফেলতে পারে আবিষ্কারকের ধৈর্যের বাঁধ।
ঠিক এমনটাই ঘটেছিল ঊনবিংশ শতাব্দীতে।
সে সময় এনট্রপি নিয়ে ঊনবিংশ বিজ্ঞানীরা মহা ঝামেলায় পড়ে যান। অনেকই ভাবতে শুরু করেন, এনট্রপি হয়তো শক্তির সংরক্ষণ নীতি লঙ্ঘন করেছে। কিন্তু এনট্রপির সমাধান বের করতে পারেননি কোনো বিজ্ঞানী। অস্ট্রিয়ান লুডভিক বোলজম্যান তো আত্মহত্যাই করে বসেন, এনট্রপির ব্যাপারটা মেনে নিতে না পেরে। বোলজম্যান যুক্তি খুঁজে পাচ্ছিলেন না, সব সময় এনট্রপি কেন বেড়েই চলে। বোলজম্যান ছিলেন তাপগতিবিদ্যার প্রবাদ পুরুষ। তাপ কি তা নিয়েই বিজ্ঞানীরা হিমসিম খেয়েছেন বহুদিন। তাপ কীএ নিয়েই ধোয়াশা ছিল। বরফকে উৎতপ্ত করলে কেন পানিতে পরিণত হয়। আবার পানিকে উতপ্ত করলে কেন পানির তাপমাত্রা বাড়ে? কিন্তু সেই ঊনবিংশ শতাব্দীতে পরমাণু ব্যাপারটাও বিজ্ঞানে প্রতিষ্ঠিত ছিল না। বরং দুইদল বিজ্ঞানী দুভাগে ভাগ হয়ে গিয়েছিল পরমাণু প্রশ্নে। বোলজম্যান অবশ্য পরমাণুবাদী ছিলেন। তিনি বিশ^াস করতে জগতের সকল বস্তুই পরমাণু দিয়ে তৈরি। পরমাণুবাদ দিয়েই প্রাকৃতিক ঘটনাগুলোর ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করলেন। যেসব ঘটনার ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছিল না, তিনি ভাবলেন, সেগুলোও পরমাণুবাদের সাহায্যে ব্যাখ্যা করা যাবে। কিন্তু বেশিরভাগ বিজ্ঞানীই তাঁর কথা বিশ^াস করতেন না। বরং বোলজম্যানের ঘোর বিরোধী ছিলেন তাঁরা। এমনকি বৈজ্ঞানিক সমাজ তাঁকে এক ঘরে করে রাখে। বোলজম্যান তাঁর নিজের কাজ করে গেলেন নিভৃতে। বস্তুকে উতপ্ত করলে বস্তুর তাপমাত্রা বাড়ে, এর পেছনে নিশ্চয়ই পরমাণুর খেলা আছে, ভাবতেন বোলজম্যান। আরও ভাবতেন, বস্তুতে যখন তাপ প্রয়োগ করা হয়, তখন বস্তুর ভেতরের পরমাণুগুলোর মধ্যে বিশৃঙ্খলতার সৃষ্টি হয়। সৃষ্টি হয় এনট্রপির।
এনট্রপি যদি এত বেশিই হয় এবং বেড়েই চলে, তাহলে অতীতে কেন কম ছিল? এই প্রশ্নের জবাব দিনের পর দিন না পেয়ে তিনি বিষণœতায় ভোগেন। ক্রমে ক্রমে মানসিক রোগীতে পরিণত হন। শেষমেশ আত্মহত্যা করে এই যন্ত্রণা থেকে মুক্তি খোঁজেন।

রোববার (১৬ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, পে স্কেল সরকারের বিবেচনায় রয়েছে এবং এটি বাস্তবায়নে সরকারের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি বলেন, “এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে স্কেল ঘোষণা হতে পারে।”
৩ ঘণ্টা আগে
সম্প্রতি একটি অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে দেশের ২২টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগের প্রতিবাদ জানিয়েছে ‘বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ’। সংগঠনটি এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অগণতান্ত্রিক, প্রতিহিংসামূলক
৩ ঘণ্টা আগে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র এ কে এম শহীদুল করিম বলেন, তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ চলছে। তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে প্রকাশ্যে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ায় পরিবেশ নষ্ট হয়েছে
৫ ঘণ্টা আগে
মামলাটি তদন্ত শেষে আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শওকত আলী ৩ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনকে যাবজ্জীবন এবং ২ জনকে খালাস প্রদান করেন। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেয়া হয়।
৬ ঘণ্টা আগে