
অরুণ কুমার

পৃথিবী আমাদের মাতৃগ্রহ। তাই এর গায়ের রঙ প্রথম আমাদের মুগ্ধ করে। কিন্তু পৃথিবীর রঙ কেমন? এটা আবার কোনো প্রশ্ন হলো? আসলেই খেলো প্রশ্ন। যে কেউ চোখবুজে বলে দিতে পারে পৃথিবীর রং নীল।
নীল কেন? এ প্রশ্নও কিন্তু উঠবে তখন। উত্তর হলো, পৃথিবীর আকাশ নীল, তাই দূর মহাকাশ থেকে একে নীলই দেখাবে।
কথা সত্যি। কিন্তু আকাশ নীল কেন?
এটাই আসল প্রশ্ন।
এর মুল কারণ বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডলে যেমন বাতাস আছে, তার সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য ধুলোবালি, কণার আকারে। এসব ধুলোবালিতে যখন সূর্যের সাদা আলো এসে পড়ে তখন নীল আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। এখানে বলে রাখা দরকার বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল —এই সাতটি রঙের মিশেলে সূর্যের সাদা আলো তৈরি হয়। কোনো কারণে, সাদা আলো থেকে কোনো একটি রঙ বিচ্ছুরিত হয়, তবে বিচ্ছরণ এলাকায় সেই রঙ ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় সূর্যের সাদা আলো থেকে নীল রঙ বিচ্ছুরিত হয়, তাই বায়ুমণ্ডলের বিশেষ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বিচ্ছুরিত নীল রঙ। সুতরাং সেই অঞ্চলটাকে নীল দেখায়। তাই পৃথিবী থেকে আকাশের রঙ নীল মনে হয়। অন্যদিকে পৃথিবীর বাইরে থেকে গোটা পৃথিবীটাকে নীল দেখায়, বায়ুমণ্ডলের নীল রঙের কারণে।
কথা হলো, নীল রঙই কেন বিচ্ছুরিত হয় অন্যকোনো রং কেন নয়?
নীল রঙের আলোর তরঙ্গ বেশি কম্পাঙ্ক কম। এর তরেঙ্গ দৈর্ঘের আকার এমই যে বায়ুমণ্ডলের ধুলোবালিতে বাধা পায়। ফলে দিক পরিবর্তন করে এই আলোকে পৃথিবীতে আসতে হয়। কিন্তু বেগুনি ছাড়া অন্য রঙের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এ তটাই বড়, সেগুলোর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘে্যর ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না খুদে ধুলিকণা। অন্যদিকে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আরও ছোট। তাই সেগুলোর ওপরও কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। বাতাসের ধূলিকণাগুলো। এদের জন্য বেগুনি আলোই পার্ফেকট। এ কারণেই পৃথিবীর আকাশ নীল। নইলে স্থলভাগে গাছপালা বেশি, তাই সবুজ দেখাত স্থলভাগকে আর সমুদ্রের পানীর জন্য জলভাগকে নীল দেখাত। অর্থাৎ পৃথিবীর রঙ হতো নীল-সবুজ।
কিন্তু যে গ্রহের বায়ুমণ্ডল নেই বা বায়ুমণ্ডলের খুবই হালকা, তাদের ক্ষেত্রে কী হয়?
বেশিদূর না গিয়ে চাঁদের দিকেই আগে তাকাই। চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই। তাই আকাশেরও রঙ নেই এখানে। অর্থাৎ চাঁদের মহাকাশের রঙ কালো। তাই বলে চাঁদকে তো আমরা কালো দেখি না। ভরাপূর্ণিমা চাঁদের রুপালি আগুনঝরা জোসনা জীবনানন্দ দাশকেও ব্যাকুল করেছিল। চাঁদের মাটিতে আছে ধূসর-রুপালি নুড়ি পাথর। তাই চাঁদের মাটি থেকে প্রতিফলিত হওয়া আলোকে আমরা এই রঙেই দেখি।

পৃথিবী আমাদের মাতৃগ্রহ। তাই এর গায়ের রঙ প্রথম আমাদের মুগ্ধ করে। কিন্তু পৃথিবীর রঙ কেমন? এটা আবার কোনো প্রশ্ন হলো? আসলেই খেলো প্রশ্ন। যে কেউ চোখবুজে বলে দিতে পারে পৃথিবীর রং নীল।
নীল কেন? এ প্রশ্নও কিন্তু উঠবে তখন। উত্তর হলো, পৃথিবীর আকাশ নীল, তাই দূর মহাকাশ থেকে একে নীলই দেখাবে।
কথা সত্যি। কিন্তু আকাশ নীল কেন?
এটাই আসল প্রশ্ন।
এর মুল কারণ বায়ুমণ্ডল। বায়ুমণ্ডলে যেমন বাতাস আছে, তার সঙ্গে মিশে আছে অসংখ্য ধুলোবালি, কণার আকারে। এসব ধুলোবালিতে যখন সূর্যের সাদা আলো এসে পড়ে তখন নীল আলোর বিচ্ছুরণ ঘটে। এখানে বলে রাখা দরকার বেগুনী, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল —এই সাতটি রঙের মিশেলে সূর্যের সাদা আলো তৈরি হয়। কোনো কারণে, সাদা আলো থেকে কোনো একটি রঙ বিচ্ছুরিত হয়, তবে বিচ্ছরণ এলাকায় সেই রঙ ছড়িয়ে পড়ে। আমাদের বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের সময় সূর্যের সাদা আলো থেকে নীল রঙ বিচ্ছুরিত হয়, তাই বায়ুমণ্ডলের বিশেষ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বিচ্ছুরিত নীল রঙ। সুতরাং সেই অঞ্চলটাকে নীল দেখায়। তাই পৃথিবী থেকে আকাশের রঙ নীল মনে হয়। অন্যদিকে পৃথিবীর বাইরে থেকে গোটা পৃথিবীটাকে নীল দেখায়, বায়ুমণ্ডলের নীল রঙের কারণে।
কথা হলো, নীল রঙই কেন বিচ্ছুরিত হয় অন্যকোনো রং কেন নয়?
নীল রঙের আলোর তরঙ্গ বেশি কম্পাঙ্ক কম। এর তরেঙ্গ দৈর্ঘের আকার এমই যে বায়ুমণ্ডলের ধুলোবালিতে বাধা পায়। ফলে দিক পরিবর্তন করে এই আলোকে পৃথিবীতে আসতে হয়। কিন্তু বেগুনি ছাড়া অন্য রঙের আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য এ তটাই বড়, সেগুলোর কম্পাঙ্ক ও তরঙ্গদৈর্ঘে্যর ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না খুদে ধুলিকণা। অন্যদিকে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আরও ছোট। তাই সেগুলোর ওপরও কোনো প্রভাব ফেলতে পারে না। বাতাসের ধূলিকণাগুলো। এদের জন্য বেগুনি আলোই পার্ফেকট। এ কারণেই পৃথিবীর আকাশ নীল। নইলে স্থলভাগে গাছপালা বেশি, তাই সবুজ দেখাত স্থলভাগকে আর সমুদ্রের পানীর জন্য জলভাগকে নীল দেখাত। অর্থাৎ পৃথিবীর রঙ হতো নীল-সবুজ।
কিন্তু যে গ্রহের বায়ুমণ্ডল নেই বা বায়ুমণ্ডলের খুবই হালকা, তাদের ক্ষেত্রে কী হয়?
বেশিদূর না গিয়ে চাঁদের দিকেই আগে তাকাই। চাঁদে বায়ুমণ্ডল নেই। তাই আকাশেরও রঙ নেই এখানে। অর্থাৎ চাঁদের মহাকাশের রঙ কালো। তাই বলে চাঁদকে তো আমরা কালো দেখি না। ভরাপূর্ণিমা চাঁদের রুপালি আগুনঝরা জোসনা জীবনানন্দ দাশকেও ব্যাকুল করেছিল। চাঁদের মাটিতে আছে ধূসর-রুপালি নুড়ি পাথর। তাই চাঁদের মাটি থেকে প্রতিফলিত হওয়া আলোকে আমরা এই রঙেই দেখি।

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সামার দাভোস সম্মেলনে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের মর্যাদা, বিনিয়োগ সম্ভাবনা এবং জলবায়ু কর্মপরিকল্পনা বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরছেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ
৫ ঘণ্টা আগে
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া সফরকে কেন্দ্র করে নির্মিত। ভিডিওতে দুই দেশের সরকারপ্রধানের বৈঠক, আনুষ্ঠানিক অভ্যর্থনা এবং সফরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (২৩ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
৬ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক চক্ষুরোগসেবা প্রদানকারী সংস্থা অরবিস ইন্টারন্যাশনাল এবং অস্ট্রেলিয়াভিত্তিক ‘সোস্যাল হেল্প এন্ডেভার ফর বাংলাদেশ (সেবা)’-এর সহযোগী সংগঠন ‘অল্টারনেটিভ অ্যাপ্রোচ’-এর ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সেবা স্বাস্থ্যকেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে