
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের সার সংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৯ জুলাই বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক বৈঠকে পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাদের নামে নতুন করে পেনশন স্কিম চালু হবে বলেও জানানো হয় তখন।
গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে সরকারের সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর প্রতিবাদে আন্দোলনের ঘোষণা দেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের দাবি ছিল—সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করা। এর সঙ্গে যোগ করা হয় ২০১৪ সালে আশ্বাস দেওয়া শিক্ষকদের জন্য বিশেষ গ্রেড (সুপার গ্রেড-সিনিয়র সচিব সমমান) নিশ্চিত করা। জুনের মধ্যে দাবি না মানলে ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান তারা। সব ধরনের ক্লাস পরীক্ষা ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয় তাদের আন্দোলনের ফলে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৯ জুলাই) বিকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকেই সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়‘ স্কিম যাত্রা শুরু করে। এর আগে সমাজের সব স্তরের মানুষকে একটি টেকসই পেনশন ব্যবস্থায় আনার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি আইন করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। এর আলোকে সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে অন্যদের পাশাপাশি স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রবর্তন করা হয়।

সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিম থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের নাম প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রত্যাহার সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনের সার সংক্ষেপ অনুমোদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (৩ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে গত ২৯ জুলাই বিকালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক বৈঠকে পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাদের নামে নতুন করে পেনশন স্কিম চালু হবে বলেও জানানো হয় তখন।
গত জুনের মাঝামাঝি সময়ে সরকারের সর্বজনীন পেনশন স্কিম ‘প্রত্যয়’-এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাধ্যতামূলক করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর প্রতিবাদে আন্দোলনের ঘোষণা দেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। তাদের দাবি ছিল—সর্বজনীন পেনশন স্কিমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তি বাতিল করা। এর সঙ্গে যোগ করা হয় ২০১৪ সালে আশ্বাস দেওয়া শিক্ষকদের জন্য বিশেষ গ্রেড (সুপার গ্রেড-সিনিয়র সচিব সমমান) নিশ্চিত করা। জুনের মধ্যে দাবি না মানলে ১ জুলাই থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতিতে যান তারা। সব ধরনের ক্লাস পরীক্ষা ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ হয় তাদের আন্দোলনের ফলে।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার (২৯ জুলাই) বিকালে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠকে বসেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরের প্রথম দিন ১ জুলাই থেকেই সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়‘ স্কিম যাত্রা শুরু করে। এর আগে সমাজের সব স্তরের মানুষকে একটি টেকসই পেনশন ব্যবস্থায় আনার লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ৩১ জানুয়ারি আইন করে গেজেট প্রকাশ করে সরকার। এর আলোকে সর্বজনীন পেনশনের ‘প্রত্যয়’ স্কিমে অন্যদের পাশাপাশি স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত ও তার অঙ্গসংগঠন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ‘প্রত্যয়’ স্কিম প্রবর্তন করা হয়।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ সিদ্ধান্তের খবর ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগের ক্ষমতা ফিরে গেলে শিক্ষক নিয়োগে ঘুস, তদবির ও নিয়োগ বাণিজ্য ফিরে আসবে। সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারাও তীব্র সমালোচনা করে
১৩ ঘণ্টা আগে
স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদরাসাটি প্রত্যন্ত চলনবিল অঞ্চলে ও উপজেলা সদর থেকে ৮/৯ কিলোমিটার দূরে হওয়ায় এখানকার অনেক শিক্ষক ভাঙ্গুড়া উপজেলা সদরে বসবাস করেন। ফলে মাদরাসায় শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়মিত নয়। এসব কারণে মাদরাসায় নেই কাঙ্ক্ষিত শিক্ষার্থীও। দাখিল পরীক্ষায় ফলাফল বিপর্যয়ও ধারাবাহিকভাবে চলে আসছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আগের বছরগুলোর মতো এ বছরের এসএসসি পরীক্ষাতেও ক্যাডেট কলেজগুলো ঈর্ষণীয় ফলাফলের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছে। এবার ১২টি ক্যাডেট কলেজ থেকে মোট ৬১৮ জন পরীক্ষার্থী এ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল, যাদের সবাই পাস করেছে। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬০৭ জন, যা মোট পরীক্ষার্থীর ৯৮ দশমিক ২২ শতাংশ।
১৫ ঘণ্টা আগে
সভার কার্যবিবরণী থেকে জানা যায়, এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান তার সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে সভাকে অবহিত করেন। পরে সিদ্ধান্ত হয়, ২০১৫ সালের পরিপত্র অনুযায়ী এনটিআরসিএ যে শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে আসছে গত ১১ বছর ধরে, সে কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। এনটিআরসিএ কেবল ২০০৫ সালের মূল আইন অনুযায়ী নিবন্ধন ও প্রত্যয়নের কাজ ক
১৫ ঘণ্টা আগে