
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রঙিন নতুন বইয়ের ঘ্রাণে শুরু হলো ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ। আজ পহেলা জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনেই প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দিচ্ছে সরকার। যদিও গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বড় বই উৎসব হচ্ছে না, তবে সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণের এক আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা আজ সরাসরি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নতুন বই সংগ্রহ করতে পারবে। প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণ কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে বছরের প্রথম দিনই সব বই পৌঁছানো নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৮ কোটি ৫৯ লাখ বই মুদ্রণ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের প্রয়োজনীয় সকল বই ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে ছাপা, বাঁধাই ও কাটিং শেষে দেশের প্রতিটি উপজেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ফলে আজ বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বইয়ের সম্পূর্ণ সেট হাতে পাবে। প্রাথমিক স্তরে বই বিতরণে এনসিটিবি এবার বিশেষ তৎপরতা দেখিয়েছে যাতে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
অন্যদিকে মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল–ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের বই সরবরাহের ক্ষেত্রে এনসিটিবি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, মাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ এখনো চলমান। এখন পর্যন্ত এই স্তরের বইয়ের মাত্র ৫৮ শতাংশের বেশি অংশ উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।
এর ফলে বছরের প্রথম দিনে মাধ্যমিকের সব শিক্ষার্থীর হাতে সব কটি বই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে এনসিটিবি আশ্বাস দিয়েছে যে, বাকি বইগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন করে প্রতিটি স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে যাতে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা তাদের পুরো সেট বই পেয়ে যায়।
বিগত কয়েক বছর ধরে করোনা পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে জাঁকজমকপূর্ণ বই উৎসব বন্ধ থাকলেও শিশুদের নতুন বই পাওয়ার আনন্দ ম্লান হয়নি। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলসহ সারাদেশে আনন্দঘন পরিবেশে বই বিতরণ শুরু হয়েছে। এনসিটিবি-র পক্ষ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সুশৃঙ্খলভাবে এই বই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

রঙিন নতুন বইয়ের ঘ্রাণে শুরু হলো ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ। আজ পহেলা জানুয়ারি বছরের প্রথম দিনেই প্রাক-প্রাথমিক থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দিচ্ছে সরকার। যদিও গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো বড় বই উৎসব হচ্ছে না, তবে সকাল থেকেই দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণের এক আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, শিক্ষার্থীরা আজ সরাসরি নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে নতুন বই সংগ্রহ করতে পারবে। প্রাথমিক স্তরের বই বিতরণ কার্যক্রম শতভাগ নিশ্চিত করা সম্ভব হলেও মাধ্যমিক স্তরের সব শিক্ষার্থীর হাতে বছরের প্রথম দিনই সব বই পৌঁছানো নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে।
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য মোট ৮ কোটি ৫৯ লাখ বই মুদ্রণ করা হয়েছে। প্রাথমিক স্তরের প্রয়োজনীয় সকল বই ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট সময়ে ছাপা, বাঁধাই ও কাটিং শেষে দেশের প্রতিটি উপজেলায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।
ফলে আজ বছরের প্রথম দিনই প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থী তাদের প্রয়োজনীয় বইয়ের সম্পূর্ণ সেট হাতে পাবে। প্রাথমিক স্তরে বই বিতরণে এনসিটিবি এবার বিশেষ তৎপরতা দেখিয়েছে যাতে শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম শুরুতে কোনো ব্যাঘাত না ঘটে।
অন্যদিকে মাধ্যমিক, দাখিল, দাখিল–ভোকেশনাল ও কারিগরি স্তরের বই সরবরাহের ক্ষেত্রে এনসিটিবি কিছুটা চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে যে, মাধ্যমিক স্তরের জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্যপুস্তক মুদ্রণ ও সরবরাহের কাজ এখনো চলমান। এখন পর্যন্ত এই স্তরের বইয়ের মাত্র ৫৮ শতাংশের বেশি অংশ উপজেলা পর্যায়ে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে।
এর ফলে বছরের প্রথম দিনে মাধ্যমিকের সব শিক্ষার্থীর হাতে সব কটি বই পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। তবে এনসিটিবি আশ্বাস দিয়েছে যে, বাকি বইগুলো দ্রুততম সময়ের মধ্যে মুদ্রণ সম্পন্ন করে প্রতিটি স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হবে যাতে জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা তাদের পুরো সেট বই পেয়ে যায়।
বিগত কয়েক বছর ধরে করোনা পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার কারণে জাঁকজমকপূর্ণ বই উৎসব বন্ধ থাকলেও শিশুদের নতুন বই পাওয়ার আনন্দ ম্লান হয়নি। সকাল থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন স্কুলসহ সারাদেশে আনন্দঘন পরিবেশে বই বিতরণ শুরু হয়েছে। এনসিটিবি-র পক্ষ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং সুশৃঙ্খলভাবে এই বই বিতরণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

মামলার নথি ও দুদক সূত্রে জানা গেছে, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সুপর্ণা সুর, তার স্বামী এস কে সুর এবং তাদের ওপর নির্ভরশীল ব্যক্তিদের নামে বা বেনামে অর্জিত সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ, দায়-দেনা, আয়ের উৎস ও তা অর্জনের বিস্তারিত বিবরণ দাখিলের জন্য সুপর্ণাকে নোটিশ দেওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহর উদ্দেশে শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন বলেন, তার হাতে এখনো অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সাত মাসের মধ্যে সবকিছু পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তবে উদ্যোগ এবং কাজের গতি দৃশ্যমান হওয়া দরকার। উপাচার্যের নেতৃত্বে যে দল গঠন করা হয়েছে, তাদের উৎপাদনশীলতা ও
২ ঘণ্টা আগে
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় পুলিশের সক্ষমতা বাড়াতে পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট গঠন এবং পুলিশ সদস্যদের উচ্চতর প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
৩ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক দিনের সফরে সিলেটে যান রাষ্ট্রপতি। সফরের শুরুতেই তিনি হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারে গিয়ে জিয়ারত করেন। এরপর যান হজরত শাহপরাণ (রহ.)-এর মাজারে। সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী এ তথ্য জানিয়েছেন।
৩ ঘণ্টা আগে