
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ছাপাখানার মালিকদের সতর্ক করে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘আজ আমার কাছে প্রাধান্য হলো সঠিক সময়ে, মানসম্মত পাঠ্যবই দেওয়া। আপনাদের প্রাধান্যও একই হওয়া উচিত। যদি অসুবিধা করেন, এবার হয়ত পার পেয়ে যাবেন। আগামীতে আর পারবেন না। মানুষ যখন প্যান্ট পরে, তখন জিপার রেখেই পরে, যেন বাথরুমে যাওয়া যায়। আমরা ওভাবে প্যান্ট পরব, ডিজাইন করব, যেন আমাদের জিপার থাকে।’
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) ছাপাখানা মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি মুদ্রণ শিল্প সমিতি ঘিরে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আপনাদের অ্যাসোসিয়েশন (মুদ্রণ শিল্প সমিতি) আমরা ভেঙে দিতে পারতাম। আপনাদের অ্যাসোসিয়েশন আপনারা কাকে দিয়ে করবেন, চালাবেন— এটা আপনাদের ব্যাপার। আমরা সেখানে অবৈধ হস্তক্ষেপ কখনো করতে যাব না। তবে আমরা কাজ ঠিকঠাক না পেলে ছেড়েও কথা বলব না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা একজন আরেকজনের চোখে আঙুল দিয়ে কথা বলব এটা তেমন নয়। একজন আরেকজনের পরিপূরক হবে। আমরা সরকারে আছি বলে থ্রেট করব না। থ্রেট করে কখনো দামানো যায় না, এটা সম্ভব না। তবে নজরদারি করব। সে দায়িত্ব আমাদের জনগণ দিয়েছে।’
এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘পাঠ্যবই এমনভাবে ছাপাতে হবে, ছবিগুলো সুন্দর হতে হবে। শিশুরা দেখে যেন আনন্দ পায়। এটি আমরা কেন পারব না? এটা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। অনেকে আমার কিছু কথায় আহত হয়েছেন। কিন্তু পাঠ্যবই নিয়ে এটি করতে হবে।’
ছাপাখানা মালিক ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের কাছে যদি কোনো ইন্সপেকশন টিম (পরিদর্শকরা) কোনো রকম টাকা চান, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানাবেন। আমরা ব্যবস্থা নেব।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা।

ছাপাখানার মালিকদের সতর্ক করে শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, ‘আজ আমার কাছে প্রাধান্য হলো সঠিক সময়ে, মানসম্মত পাঠ্যবই দেওয়া। আপনাদের প্রাধান্যও একই হওয়া উচিত। যদি অসুবিধা করেন, এবার হয়ত পার পেয়ে যাবেন। আগামীতে আর পারবেন না। মানুষ যখন প্যান্ট পরে, তখন জিপার রেখেই পরে, যেন বাথরুমে যাওয়া যায়। আমরা ওভাবে প্যান্ট পরব, ডিজাইন করব, যেন আমাদের জিপার থাকে।’
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডে (এনসিটিবি) ছাপাখানা মালিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিনি মুদ্রণ শিল্প সমিতি ঘিরে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন।
শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আপনাদের অ্যাসোসিয়েশন (মুদ্রণ শিল্প সমিতি) আমরা ভেঙে দিতে পারতাম। আপনাদের অ্যাসোসিয়েশন আপনারা কাকে দিয়ে করবেন, চালাবেন— এটা আপনাদের ব্যাপার। আমরা সেখানে অবৈধ হস্তক্ষেপ কখনো করতে যাব না। তবে আমরা কাজ ঠিকঠাক না পেলে ছেড়েও কথা বলব না।’
তিনি বলেন, ‘আমরা একজন আরেকজনের চোখে আঙুল দিয়ে কথা বলব এটা তেমন নয়। একজন আরেকজনের পরিপূরক হবে। আমরা সরকারে আছি বলে থ্রেট করব না। থ্রেট করে কখনো দামানো যায় না, এটা সম্ভব না। তবে নজরদারি করব। সে দায়িত্ব আমাদের জনগণ দিয়েছে।’
এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘পাঠ্যবই এমনভাবে ছাপাতে হবে, ছবিগুলো সুন্দর হতে হবে। শিশুরা দেখে যেন আনন্দ পায়। এটি আমরা কেন পারব না? এটা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব। অনেকে আমার কিছু কথায় আহত হয়েছেন। কিন্তু পাঠ্যবই নিয়ে এটি করতে হবে।’
ছাপাখানা মালিক ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘আপনাদের কাছে যদি কোনো ইন্সপেকশন টিম (পরিদর্শকরা) কোনো রকম টাকা চান, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের জানাবেন। আমরা ব্যবস্থা নেব।’
সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক। এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোহাম্মদ ফখরুল মাওলা।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
২ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে