
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক-এগারোর আলোচিত দাপুটে সেনা কর্মকর্তা ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার আলোচিত এই জেনারেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
নবম ডিভিশনের জিওসি থেকে শুরু করে জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক, অস্ট্রেলিয়ায় হাই কমিশনার এবং পরবর্তীতে সংসদ সদস্য হিসেবে বর্ণাঢ্য ও বিতর্কিত ক্যারিয়ারের অধিকারী মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর এই গ্রেপ্তার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জেনারেল মাসুদকে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সোমবার গভীর রাতে তাকে ধরতে ঢাকায় অভিযান চালায় ডিবি।
জেনারেল মাসুদের বিরুদ্ধে ‘পাঁচটির মত’ মামলা থাকার কথা বললেও সেসব মামলার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিভাবে জানাতে পারেননি শফিকুল।
পুলিশ বলছে, বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মাসুদ ওই বছরে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর গুরুতর অপরাধ দমন-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন।
২০০৮ সালের জুনে তাকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার করে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারও তাকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত সেই দায়িত্বে রাখে।
২০১৮ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাসুদ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন তিনি। তার পাঁচ দিনের মাথায় তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম কেনেন। এর পরদিনই জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন এক-এগারোর সময় আলোচিত সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা।

এক-এগারোর আলোচিত দাপুটে সেনা কর্মকর্তা ও ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
সোমবার গভীর রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসভবন থেকে তাকে আটক করা হয়।
সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়কার আলোচিত এই জেনারেলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
নবম ডিভিশনের জিওসি থেকে শুরু করে জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক, অস্ট্রেলিয়ায় হাই কমিশনার এবং পরবর্তীতে সংসদ সদস্য হিসেবে বর্ণাঢ্য ও বিতর্কিত ক্যারিয়ারের অধিকারী মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর এই গ্রেপ্তার রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।
জেনারেল মাসুদকে গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, সোমবার গভীর রাতে তাকে ধরতে ঢাকায় অভিযান চালায় ডিবি।
জেনারেল মাসুদের বিরুদ্ধে ‘পাঁচটির মত’ মামলা থাকার কথা বললেও সেসব মামলার বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিভাবে জানাতে পারেননি শফিকুল।
পুলিশ বলছে, বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর বাড়ি থেকে সাবেক এই সংসদ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসির দায়িত্বে থাকা মাসুদ ওই বছরে এক-এগারোর পট পরিবর্তনের পর গুরুতর অপরাধ দমন-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন।
২০০৮ সালের জুনে তাকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাই কমিশনার করে পাঠানো হয়েছিল। পরে ২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগ সরকারও তাকে ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত সেই দায়িত্বে রাখে।
২০১৮ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ (সোনাগাজী ও দাগনভূঞা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন মাসুদ।
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে মনোনয়ন ফরম নিয়েছিলেন তিনি। তার পাঁচ দিনের মাথায় তিনি জাতীয় পার্টির মনোনয়ন ফরম কেনেন। এর পরদিনই জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হন এক-এগারোর সময় আলোচিত সাবেক এ সেনা কর্মকর্তা।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে