
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সাত বছর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাঙ্গুনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিমসহ ৮৬ জনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুন্নিসা খানমের আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি করেন উত্তর জেলা যুবদলের দফতর সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, রাঙ্গুনিয়া রাজানগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুছ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব ও সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভাই খালেদ মাহমুদ।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঘটনা সরেজমিন পরিদর্শন করতে মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল রাঙ্গুনিয়ার কাপ্তাই হয়ে রাঙামাটি যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পথিমধ্যে রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালী এলাকায় লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আহত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমানসহ অনেকে। পরে হামলার শিকার বিএনপির প্রতিনিধিদল রাঙামাটি না গিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে আসে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীর আইনজীবী আশরাফ উদ্দিন জানান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙ্গুনিয়া হয়ে রাঙ্গামাটি যাচ্ছিলেন। ওই সময় তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকেই আহত হন। ওই ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ, মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, পৌরসভা মেয়র শাহ জাহান সিকদার, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর কাশেম কিস্তিসহ ৮৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় সাত বছর আগে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং রাঙ্গুনিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ড. হাছান মাহমুদ, চট্টগ্রাম সিটি মেয়র রেজাউল করিমসহ ৮৬ জনের নামে মামলা দায়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
সোমবার (১৯ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের সিনিয়র চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুমিনুন্নিসা খানমের আদালতে বাদী হয়ে মামলাটি করেন উত্তর জেলা যুবদলের দফতর সম্পাদক নাজিম উদ্দিন।
মামলায় উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিরা হলেন- রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার মেয়র শাহজাহান সিকদার, রাঙ্গুনিয়া রাজানগর ইউপি চেয়ারম্যান শামসুল আলম তালুকদার, রাঙ্গুনিয়া উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুছ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব ও সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদের ভাই খালেদ মাহমুদ।
মামলার আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙামাটিতে পাহাড়ধসের ঘটনা সরেজমিন পরিদর্শন করতে মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধিদল রাঙ্গুনিয়ার কাপ্তাই হয়ে রাঙামাটি যাওয়ার জন্য রওনা হয়। পথিমধ্যে রাঙ্গুনিয়ার ইছাখালী এলাকায় লোহার রড ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে আহত হন মির্জা ফখরুল ইসলাম, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমানসহ অনেকে। পরে হামলার শিকার বিএনপির প্রতিনিধিদল রাঙামাটি না গিয়ে চট্টগ্রাম শহরে ফিরে আসে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীর আইনজীবী আশরাফ উদ্দিন জানান, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২০১৭ সালের ১৮ জুন রাঙ্গুনিয়া হয়ে রাঙ্গামাটি যাচ্ছিলেন। ওই সময় তার গাড়ি বহরে হামলা চালানো হয়। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ অনেকেই আহত হন। ওই ঘটনায় সাবেক সংসদ সদস্য হাছান মাহমুদ, মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী, পৌরসভা মেয়র শাহ জাহান সিকদার, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর কাশেম কিস্তিসহ ৮৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ২০০-৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে রাঙ্গুনিয়া থানার ওসিকে তদন্তের জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।

পরীক্ষায় ভালো করার কথা থাকলেও অনেক সময় শিক্ষার্থীরা আশানুরূপ ফল করতে পারে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বোর্ডের ১৯৯৮ সালের আইন অনুযায়ী খাতা পরিদর্শনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বর্তমানে আমরা এটি পরিবর্তন করেছি। যেসব শিক্ষার্থী পুনঃপরীক্ষণের জন্য আবেদন করবেন, তাদের খাতা সম্পূর্ণভাবে পুনঃপরীক্ষা করা হব
১ ঘণ্টা আগে
গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালেও ছিল একই চিত্র। সেবার মেয়েদের পাসের হার ছিল ৭১ দশমিক ০৩ শতাংশ, বিপরীতে ছেলেদের মধ্যে পাস করেছিল ৬৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ পরীক্ষার্থী।
১ ঘণ্টা আগে
এর আগে ২০০৭ সালে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় ৫৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাস করেছিল। এরপর গত ১৯ বছরে আর কখনো পাবলিক এ পরীক্ষায় পাসের হার এত কম ছিল না।
২ ঘণ্টা আগে
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীন দাখিল পরীক্ষায় ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ
৩ ঘণ্টা আগে