
বাসস

সব ধরনের বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্য মোকাবিলায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল (সোমবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মারক সভায় এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে বর্ণবাদ নির্মূলে নিজেদের অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. রহমান রাখাইন ও গাজায় চলমান বর্ণবাদমূলক নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনা, শোষণ এবং ন্যায়বিচারে সীমিত প্রবেশাধিকারের মত সমস্যার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব পরিস্থিতি জাতিসংঘের মূল আদর্শের পরিপন্থী।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বৈষম্য ও অন্যায় প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা মানবাধিকার, সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বর্ণবাদমুক্ত বিশ্ব গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ, অনলাইনে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সব ধরনের বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্য মোকাবিলায় বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই সঙ্গে তিনি বর্ণবাদ নির্মূল, সাম্য প্রতিষ্ঠা এবং মানবিক মর্যাদা সমুন্নত রাখতে বৈশ্বক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছেন।
গতকাল (সোমবার) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক বর্ণবাদ নির্মূল দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মারক সভায় এ আহ্বান জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
আজ মঙ্গলবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বর্ণবাদ ও জাতিগত বৈষম্যবিরোধী সকল প্রাসঙ্গিক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে বর্ণবাদ নির্মূলে নিজেদের অটুট অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ড. রহমান রাখাইন ও গাজায় চলমান বর্ণবাদমূলক নিপীড়নের কথা উল্লেখ করে বলেন, ডারবান ঘোষণা ও কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্য অর্জনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এখনও অনেক পিছিয়ে রয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বব্যাপী অভিবাসী শ্রমিকদের বঞ্চনা, শোষণ এবং ন্যায়বিচারে সীমিত প্রবেশাধিকারের মত সমস্যার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, এসব পরিস্থিতি জাতিসংঘের মূল আদর্শের পরিপন্থী।
তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বৈষম্য ও অন্যায় প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও আহ্বান জানান।
বাংলাদেশের সাংবিধানিক অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরে ড. খলিলুর রহমান বলেন, আমরা মানবাধিকার, সমতা ও মর্যাদা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছি।
তিনি বর্ণবাদমুক্ত বিশ্ব গড়তে শিক্ষায় বিনিয়োগ, অনলাইনে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রতিরোধ এবং আন্তঃসাংস্কৃতিক সংলাপ জোরদারের ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘জুলাইযোদ্ধাদের ইনডেমনিটি দেয়া হয়েছে, সেটি আমরা গ্রহণ করবো। বিগত সরকারের আমলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল, সবগুলো পরিবর্তনের বিষয় নিয়েও আলোচনা হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
সাক্ষাতকালে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ সময় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
৪ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব পরিস্থিতির কারণে সবাইকে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, অকারণে তেল মজুত করার প্রয়োজন নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
দিনভর ব্যস্ত সূচির শুরুতে তিনি আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এছাড়া অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা রক্ষা, বিদেশে দক্ষ জনবল পাঠানো এবং ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ জনকল্যাণমূলক বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও নীতি-নির্ধারকদের সঙ্গে আজ তার একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক নির্ধারিত রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে