
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিদায়ী জুনে সারা দেশে বিভিন্নভাবে ২৯৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে ১৪৯ জন নারী এবং ১৪৮ জন কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
সোমবার (১ জুলাই) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়েছে, এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৯ জন কন্যাসহ ৬৭ জন। তারমধ্যে ১১ জন কন্যাসহ ১৯ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৪ জন কন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
এ ছাড়াও ৯ জন কন্যাসহ ১৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ৩২ জন কন্যাসহ ৪৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ১ জন কন্যা। বিভিন্ন কারণে ৪ জন কন্যাসহ ৪৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিভিন্ন কারণে ৩ জন নারীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে ৩জন কন্যা। ১ জনের অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১০ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যাসহ ৪ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৮ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যা। পারিবারিক সহিংতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৫ টি। ২ জন কন্যাসহ ৩ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় ১ জন কন্যাকে হত্যা ও ১ জন কন্যার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ৪ জন কন্যাসহ ২৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন কন্যাসহ ২১ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ৩ জন আত্মহত্যার প্ররোচণার শিকার হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তিনজন কন্যার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ৮ জন কন্যাসহ ৯ জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। এ ছাড়াও ৪ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টা ঘটনা ঘটেছে। ৩ জন কন্যা সাইবার ক্রাইমের ঘটনার শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহ ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টা করা হয়েছে ৪টি। এ ছাড়া ৮ জন কন্যাসহ ১৫ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

বিদায়ী জুনে সারা দেশে বিভিন্নভাবে ২৯৭ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ। এর মধ্যে ১৪৯ জন নারী এবং ১৪৮ জন কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
সোমবার (১ জুলাই) সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।
এতে বলা হয়েছে, এরমধ্যে ধর্ষণের শিকার হয়েছে ৪৯ জন কন্যাসহ ৬৭ জন। তারমধ্যে ১১ জন কন্যাসহ ১৯ জন দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছে, ৪ জন কন্যাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।
এ ছাড়াও ৯ জন কন্যাসহ ১৭ জনকে ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়েছে। যৌন নিপীড়নের শিকার হয়েছে ৩২ জন কন্যাসহ ৪৮ জন। উত্ত্যক্তকরণের শিকার হয়েছে ১ জন কন্যা। বিভিন্ন কারণে ৪ জন কন্যাসহ ৪৫ জনকে হত্যা করা হয়েছে।
পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এই সময়ে বিভিন্ন কারণে ৩ জন নারীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। নারী ও কন্যা পাচারের ঘটনা ঘটেছে ৩জন কন্যা। ১ জনের অগ্নিদগ্ধের শিকার হয়েছে হয়েছে। যৌতুকের কারণে নির্যাতনের শিকার হয়েছে ১০ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যাসহ ৪ জনকে যৌতুকের কারণে হত্যা করা হয়েছে। শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ৮ জন, এরমধ্যে ১ জন কন্যা। পারিবারিক সহিংতায় শারীরিক নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৫ টি। ২ জন কন্যাসহ ৩ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় ১ জন কন্যাকে হত্যা ও ১ জন কন্যার আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে। ৪ জন কন্যাসহ ২৪ জনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন কন্যাসহ ২১ জনের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে, এরমধ্যে ৩ জন আত্মহত্যার প্ররোচণার শিকার হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, তিনজন কন্যার আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ৮ জন কন্যাসহ ৯ জন অপহরণের ঘটনার শিকার হয়েছে। এ ছাড়াও ৪ জন কন্যাকে অপহরণের চেষ্টা ঘটনা ঘটেছে। ৩ জন কন্যা সাইবার ক্রাইমের ঘটনার শিকার হয়েছে। বাল্যবিবাহ ঘটনা ঘটেছে ৩টি এবং বাল্যবিবাহের চেষ্টা করা হয়েছে ৪টি। এ ছাড়া ৮ জন কন্যাসহ ১৫ জন বিভিন্নভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছে।

জ্বালানি সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়ায় গ্রামাঞ্চলে দীর্ঘ সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।
১০ ঘণ্টা আগে
নদী বাঁচাতে এবং পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে হলে প্রচলিত খুঁটিযুক্ত সেতুর বদলে খুঁটিবিহীন বা ঝুলন্ত সেতু তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। একই সঙ্গে তিনি বলেছেন, পিলারভিত্তিক ব্রিজের ঐতিহ্য থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
১১ ঘণ্টা আগে
হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মো. আখতারুজ্জামান বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর দুই শিক্ষার্থীর আসন বাতিল করে তাদের হল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তিনি জানান, এটিকে প্রাথমিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে নেওয়া হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
আইনগুলো হলো— পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩; পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩; যৌতুক নিরোধ আইন, ২০১৮; নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০; দণ্ডবিধি, ১৮৬০; সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এবং নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১।
১৩ ঘণ্টা আগে