
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মুজিবুর রহমান বলেন, একই প্রক্রিয়ায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও গণভোট বিষয়ে শপথ গ্রহণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি। তার মতে, এতে ভবিষ্যতে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে।
তিনি বলেন, আইনজ্ঞদের মত অনুযায়ী- গণভোট বাতিল বা অকার্যকর হলে সংসদ সদস্যদের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। এ ধরনের অনিশ্চয়তা এড়াতে দ্রুত গণভোটকে শপথ কাঠামোর মধ্যে এনে কার্যকর করা প্রয়োজন।
সংসদে বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণভোট বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে শপথ অন্তর্ভুক্তি না থাকার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি দেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে কোরআনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা বাস্তবায়ন করা উচিত। একই সঙ্গে নামাজ, যাকাত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থা নিয়েও সংসদে কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জানান এবং প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অ্যাম্বুলেন্স ও চালক নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলেমদের ছবি বিকৃত করে কুরুচিপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রচারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানান এই সংসদ সদস্য।

রাজশাহী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, গণভোটকে জাতীয় সংসদে শপথের আওতায় এনে কার্যকর করা না হলে সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা তৈরি হতে পারে। তিনি সতর্ক করে বলেন, গণভোট বাতিল হলে সংসদ সদস্যদের পদও আইনি ঝুঁকিতে পড়তে পারে—শেষ পর্যন্ত আমও যাবে, ছালাও যাবে।
বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ২৪তম দিনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মুজিবুর রহমান বলেন, একই প্রক্রিয়ায় জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হলেও সংসদ সদস্যরা শপথ নিলেও গণভোট বিষয়ে শপথ গ্রহণের বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়নি। তার মতে, এতে ভবিষ্যতে আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে।
তিনি বলেন, আইনজ্ঞদের মত অনুযায়ী- গণভোট বাতিল বা অকার্যকর হলে সংসদ সদস্যদের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে। এ ধরনের অনিশ্চয়তা এড়াতে দ্রুত গণভোটকে শপথ কাঠামোর মধ্যে এনে কার্যকর করা প্রয়োজন।
সংসদে বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণভোট বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তাই এ বিষয়ে শপথ অন্তর্ভুক্তি না থাকার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি এবং বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আহ্বান জানান।
আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি দেশে ইসলামী মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে কোরআনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনার নীতিমালা বাস্তবায়ন করা উচিত। একই সঙ্গে নামাজ, যাকাত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় উদ্যোগ বাড়ানোর আহ্বান জানান তিনি।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের দুরবস্থা নিয়েও সংসদে কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবি জানান এবং প্রতিটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে অ্যাম্বুলেন্স ও চালক নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
এ ছাড়া কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে আলেমদের ছবি বিকৃত করে কুরুচিপূর্ণ বিজ্ঞাপন প্রচারের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির দাবি জানান এই সংসদ সদস্য।

ফরিদের ছোট ভাই স্থানীয় একটি মসজিদের ইমাম সৈয়দ আলম বলেন, “আমরা ধরে নিয়েছিলাম, ফরিদ ভাই আর বেঁচে নেই। কিন্তু এত বছর পর তাকে ফিরে পেয়ে আমরা ভাষায় প্রকাশ করতে পারছি না। কক্সবাজারে আমাদের বৃদ্ধ মা বড় ছেলের অপেক্ষায় আছেন। আমরা গরিব মানুষ। জানি না কী হবে। তবে আমরা আমাদের ভাইকে নিয়ে থাকব।”
১ দিন আগে
সূত্রগুলোর তথ্য অনুযায়ী, সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়কমন্ত্রী এবং মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনকে ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে যেকোনো সময় প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
১ দিন আগে
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে ভোট গ্রহণ চলছে। দুপুর ২টা থেকে শুরু হওয়া ভোট গ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এরপরই ভোট গণনা করে ফল ঘোষণা করা হবে।
২ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকালে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নগর ভবন অডিটোরিয়ামে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
২ দিন আগে