
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌ রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ আটকানো হলেও বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ আটকানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘বন্ধুত্ব’সহ নানা কারণে এসব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ অবাধে যাতায়াত করতে পারছে। ভবিষ্যতেও এসব দেশের নৌ যানকে বাধা দেবে না ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার শুরু করলে ইরান এই নৌ পথটি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি অতিক্রম করতে গিয়ে কয়েকটি জাহাজ হামলারও শিকার হয়েছে।
তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নৌ রুটটি কার্যত বন্ধ থাকায় বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তেলের সংকটে ভুগছে এশিয়ার দেশগুলো। কারণ এই রুটে বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ ও এশিয়ার দেশগুলোর চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান হরমুজ প্রণালিকে তাদের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ইরানও বারবার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলসহ তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য এই নৌ পথ বন্ধই থাকবে। তবে নিজেদের মিত্র দেশগুলো এই পথে বিনা বাধায় তেল পরিবহন করতে পারবে বলে জানিয়েছে ইরান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও একই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ থাকার যে দাবি পশ্চিমা গণমাধ্যম করে আসছে, তা সঠিক নয়। অনেক জাহাজের মালিক বা যেসব দেশের মালিকানায় এসব জাহাজ রয়েছে, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচলের নিশ্চয়তা চায়।
আরাগচি বলেন, যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি, অথবা অন্য কোনো কারণে হোক, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী তাদের নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ করে দিচ্ছে। আপনারা খবরে দেখেছেন— চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত তাদের জাহাজ কয়েক রাত আগেই হরমুজ অতিক্রম করেছে। এর বাইরে আরও কিছু দেশের জাহাজ গেছে। আমার বিশ্বাস, এ তালিকায় বাংলাদেশও আছে।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও যেসব দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, তাদের জন্য ভবিষ্যতেও একই সুবিধা অব্যাহত থাকবে বলে জানান আরাগচি। তিনি বলেন, এসব দেশ আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতে, এমনকি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও এ সমন্বয় অব্যাহত থাকবে।

বৈশ্বিক তেল পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ নৌ রুট হরমুজ প্রণালি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র দেশগুলোর জাহাজ আটকানো হলেও বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশের জাহাজ আটকানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, ‘বন্ধুত্ব’সহ নানা কারণে এসব দেশের বাণিজ্যিক জাহাজ অবাধে যাতায়াত করতে পারছে। ভবিষ্যতেও এসব দেশের নৌ যানকে বাধা দেবে না ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে হামলার শুরু করলে ইরান এই নৌ পথটি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি অতিক্রম করতে গিয়ে কয়েকটি জাহাজ হামলারও শিকার হয়েছে।
তিন সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে নৌ রুটটি কার্যত বন্ধ থাকায় বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে তেলের সংকটে ভুগছে এশিয়ার দেশগুলো। কারণ এই রুটে বৈশ্বিক চাহিদার প্রায় ২০ শতাংশ ও এশিয়ার দেশগুলোর চাহিদার প্রায় ৮০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরান হরমুজ প্রণালিকে তাদের কৌশলগত হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ইরানও বারবার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলসহ তাদের মিত্র দেশগুলোর জন্য এই নৌ পথ বন্ধই থাকবে। তবে নিজেদের মিত্র দেশগুলো এই পথে বিনা বাধায় তেল পরিবহন করতে পারবে বলে জানিয়েছে ইরান।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিও একই বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করেছেন। তিনি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ থাকার যে দাবি পশ্চিমা গণমাধ্যম করে আসছে, তা সঠিক নয়। অনেক জাহাজের মালিক বা যেসব দেশের মালিকানায় এসব জাহাজ রয়েছে, তারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচলের নিশ্চয়তা চায়।
আরাগচি বলেন, যেসব দেশকে আমরা বন্ধু মনে করি, অথবা অন্য কোনো কারণে হোক, আমাদের সশস্ত্র বাহিনী তাদের নিরাপদ যাতায়াতের সুযোগ করে দিচ্ছে। আপনারা খবরে দেখেছেন— চীন, রাশিয়া, পাকিস্তান, ইরাক ও ভারত তাদের জাহাজ কয়েক রাত আগেই হরমুজ অতিক্রম করেছে। এর বাইরে আরও কিছু দেশের জাহাজ গেছে। আমার বিশ্বাস, এ তালিকায় বাংলাদেশও আছে।
চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যেও যেসব দেশের জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করছে, তাদের জন্য ভবিষ্যতেও একই সুবিধা অব্যাহত থাকবে বলে জানান আরাগচি। তিনি বলেন, এসব দেশ আমাদের সঙ্গে কথা বলেছে এবং সমন্বয় করেছে। ভবিষ্যতে, এমনকি যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরও এ সমন্বয় অব্যাহত থাকবে।

২০২৪ সালে জনগণ যে অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, সেটাকে জনগণের হাত থেকে কেড়ে নিয়ে উলটো দিকে যাত্রার ভয়াবহ প্রচেষ্টা চলছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ। তিনি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের অর্জন যেভাবে জনগণের হাতছাড়া হয়ে গিয়েছিল, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ক্ষেত্রেও সেই অভিজ্ঞতার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে দুই সাংবাদিক ও ২৫ জন নাট্যব্যক্তিত্ব এবং অভিনয়শিল্পীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধে প্ররোচনা, সহযোগিতা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।
১৭ ঘণ্টা আগে
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ আজাদি পার্টি ও রাষ্ট্রসংলাপ ফোরাম পৃথকভাবে অভিযোগ দাখিল করে।
১৭ ঘণ্টা আগে
দণ্ডপ্রাপ্ত আকতার সর্দার (২৭) সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার কুকড়াপর্শি গ্রামের সাত্তার সর্দারের ছেলে। ঘটনার সময় তিনি চট্টগ্রাম নগরের সদরঘাট থানা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন।
১৭ ঘণ্টা আগে