ত্রিফলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো এটি প্রাকৃতিকভাবে ডিটক্সিফায়ার হিসেবে কাজ করে। এটি শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয় এবং পাচনতন্ত্রকে পরিষ্কার রাখে। যাঁরা নিয়মিত ত্রিফলা খান, তাঁদের হজমের সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য ও অ্যাসিডিটির মতো সমস্যাগুলো অনেকাংশে দূর হয়। ত্রিফলা আমাদের অন্ত্রের গতিশীলতা বাড়িয়ে দেয় এ
কাঁচা কলায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার বা আঁশ। এই আঁশ হজমে সাহায্য করে এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। অনেক সময় দেখা যায়, কোষ্ঠকাঠিন্যে ভোগা মানুষ দিনের পর দিন ওষুধ খাচ্ছেন। অথচ নিয়মিত কাঁচা কলা খেলে তারা অনেকটা স্বস্তি পেতে পারেন। কারণ, কাঁচা কলা প্রাকৃতিকভাবে হজম শক্তি বাড়ায়।
হার্ট ভালো রাখার মূল মন্ত্র হলো—নিয়মিত রক্তচাপ ও রক্তের কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা। কারণ উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেশার এবং বেশি এলডিএল কোলেস্টেরল ধমনীর ভেতরে প্লাক জমিয়ে রাখে, যার ফলে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোক হতে পারে। এ ছাড়া ব্লাড সুগার লেভেল বেশি থাকলে বা ডায়াবেটিস হলে হার্টের ঝুঁকি বেড়ে যায়।
এর পেছনে রয়েছে আর্দ্রতা, শহরের কংক্রিট কাঠামো, জলবায়ু পরিবর্তন এবং আমাদের প্রতিদিনের জীবনধারার প্রভাব। বিজ্ঞানীরা এ বিষয়ে গবেষণা করেছেন এবং তুলে ধরেছেন কিছু চমকপ্রদ তথ্য, যা আমাদের এই অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার পেছনের বিজ্ঞান বুঝতে সাহায্য করে।
প্রথমদিকে, নাদির শাহ দিল্লিতে শান্তভাবেই অবস্থান করেন। কিন্তু একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পর সবকিছু বদলে যায়। দিল্লির বাজারে গুজব ছড়ায়, নাদির শাহ নিহত হয়েছেন। এতে শহরের কিছু মানুষ পারস্য সেনাদের উপর হামলা চালায়। প্রায় কয়েকশ পারস্য সৈন্য নিহত হয়। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নাদির শাহ দিল্লিতে গণহত্যার নির্দেশ
মস্তিষ্কের নিজের জন্যও তো কিছু সময় দরকার! যেমন, আমাদের মেমোরি কার্ড, যেটাকে আমরা স্মৃতি বলি। বহু পুরোনো স্মৃতি আমাদের মনে থাকে কেন?
শুধু খাবারের অভাবেই ক্ষুধা লাগে না। চোখের ক্ষুধা আর মনের ক্ষুধার কথাও বলেছি। অর্থাৎ লোভনীয় কোনো খাবার দেখলে তোমার ক্ষুধা লাগতে পারে। আবার সুস্বাদু খাবারের গন্ধও তোমাকে ক্ষুধা পাইয়ে দিতে পারে।
বিশ্বজুড়ে স্বাস্থ্যবিশারদ, পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকেরা ডাবের পানির গুণাবলি নিয়ে বহু গবেষণা করেছেন এবং করছেন। ডাবের পানি শরীরের জন্য কতটা উপকারী, তা বোঝার জন্য আমাদের আগে জানতে হবে এর ভেতরের উপাদান সম্পর্কে।
পাখির ক্ষেত্রে তুলনামূলক ওজন যেমন কম, তেমনি মানানসই ডানার গঠন। ডানা কতটা ভার বইতে পারে, বাতাসে দেহটাকে কতটা সাপোর্ট দেয়, সেটার ওপর নির্ভর করে ওড়ার ধরন। পাখির ওজন আর ডানার গঠন এমন, সহজেই পায়ে ভর দিয়ে আকাশে উড়তে পারে। এক্ষেত্রে নিউটনের তৃতীয় সূত্র কাজে লাগাতে হয় পাখিকে।
ব্রেন টিউমার হতে পারে দুটি প্রধান উৎস থেকে। এক, মস্তিষ্কের ভেতরে নিজে থেকেই জন্ম নিতে পারে—যাকে বলা হয় 'প্রাইমারি ব্রেন টিউমার'; দুই, শরীরের অন্য কোনো অঙ্গে ক্যানসার হওয়ার পর সেটি রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে মস্তিষ্কে ছড়িয়ে পড়তে পারে—যাকে বলা হয় 'মেটাস্ট্যাটিক ব্রেন টিউমার'।
ডাউনডিটেক্টর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টার দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ব্যবহারকারীরা স্টারলিংকের ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। এ সময় প্রায় ৬১ হাজার ব্যবহারকারী প্রতিষ্ঠানটির ইন্টারনেট সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পেশাদারিত্বের সঙ্গে তারযুক্ত ও তারহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক অবকাঠামো সেবা দিয়ে গার্টনার ম্যাজিক কোয়াড্রান্টের ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে ‘লিডার’ গ্রুপে জায়গা করে নিয়েছে হুয়াওয়ে।
প্রতিটি আধুনিক জেট বিমানে থাকে ইজেকশন সিট বা বহিষ্কারযোগ্য আসন। ইংরেজিতে যাকে বলে Ejection Seat, এই প্রযুক্তির মাধ্যমে পাইলট আসনসহ বিমানের বাইরে বের হয়ে আসতে পারেন খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে। এই ব্যবস্থা মূলত বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে পাইলটকে বিমান থেকে আলাদা করে দেয় এবং একটি প্যারাশুটের মাধ্যমে তাকে মাটিতে অ
১৯৯৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা শহরে পোস্টাগোলা এলাকায় এয়ার পেরাব্যাট এয়ারলাইন্সের একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয় যান্ত্রিক সমস্যার কারণে। বিমানে ছিলেন প্রশিক্ষণকারী পাইলট ফারিয়া লারা ও কো‑পাইলট রফিকুল। উভয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিধ্বস্ত হয় এবং ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। ফারিয়া লারা ছিলেন ঢাকায় বাসিন্দা, ঢ
বিমানটি যখন আন্দিজ পর্বতমালা অতিক্রম করছিল, তখন আবহাওয়া দ্রুত খারাপ হয়ে যায়। মেঘে ঢেকে যায় চারপাশ, কমে আসে দৃশ্যমানতা। ভুল নির্দেশনা ও খারাপ আবহাওয়ার কারণে বিমানটি আন্দিজ পর্বতমালার এক উঁচু অঞ্চলে ধাক্কা খায় এবং মুহূর্তেই ভেঙে পড়ে বরফে ঢাকা পাহাড়ে। সে এক ভয়াবহ ধ্বংস।
২০১৪ সালে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্স ফ্লাইট এমএইচ৩৭০ (MH370) এক বিস্ময়কর উপায়ে নিখোঁজ হয়ে যায়। কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিং যাওয়ার পথে যাত্রীবাহী বোয়িং ৭৭৭ বিমানটি উড়োজাহাজ নিয়ন্ত্রণের সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে এবং আজও তা কোথাও পাওয়া যায়নি। ২৩৯ জন যাত্রী ও ক্রুর কারও কোনো হদিস মেলেনি। এটি আজও সবচেয়ে রহস্যময়
বিমানে মানুষ চালায়। তাই মানুষের মানসিক অবস্থাও গুরুত্বপূর্ণ। কেউ যদি ভয় পায় বা চাপে ভেঙে পড়ে, তবে ভুল সিদ্ধান্ত নিতে পারে। ড. টমাস হফম্যান বলেন, “শান্ত মন আর মাথা ঠান্ডা না থাকলে পাইলট ভুল করে ফেলতে পারেন। তখন জীবন-মৃত্যুর প্রশ্ন তৈরি হয়।”