
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বলিউডে প্রথম সারির নায়িকাদের মধ্যে বর্তমানে আলিয়া ভাট অন্যতম। দুর্দান্ত অভিনয়ের সঙ্গে চোখ ধাঁধানো স্টাইল, রূপ এবং ত্বকের সৌন্দর্যের প্রশংসায় সবাই পঞ্চমুখ। অথচ এই নায়িকাকে নো মেকআপ লুকেই বেশিরভাগ সময় দেখা যায়। ফলে ন্যাচারাল বিউটি খ্যাত আলিয়ার রূপের রহস্য নিয়ে আলোচনাও হয় বেশি।
কী ভাবে নিজের রূপের যত্ন নেন আলিয়া ভাট? রূপচর্চার জন্য কী কী করেন তিনি? এসব প্রশ্নই ঘুরপাক খায় তার ভক্তদের মনে।
এ বিষয়ে আলিয়া ভাট বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, তার ত্বক মিশ্র ধরনের। কখনও তৈলাক্ত, আবার কখনও শুষ্ক। তবে আগাগোড়াই বেশ সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী তিনি। তাই হাতে সময় পেলেই নিজের মতো করে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করেন তিনি। যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুটিংয়ের জন্য দৌড়াতে হলে ত্বক সামান্য ভিজিয়ে মিনিটখানেক ম্যাসাজ করে নেন। এতে ত্বকের বাড়তি তেল দূর হয়। ম্যাসাজ করার জন্য ব্যবহার করেন ছোট্ট একটি যন্ত্র। শুটিং না থাকলে জিমে যান আলিয়া। এর আগে মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে টোনার ও সিরাম ব্যবহার করেন। জিম শেষে এসে গোসল করে নেন।
প্রকৃতপক্ষে নিয়ম মেনে অনুসরণ করা স্কিন কেয়ার রুটিনই নিজের ত্বকের পেছনের রহস্য বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের প্রোফাইলে আস্ক মি এনিথিং নামে একটা সেশনে আলিয়া ভাট বলেন, যদি কেউ স্কিন কেয়ার সম্পর্কে একদমই অজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি শুরুটা করতে পারেন সিটিএম পদ্ধতি দিয়ে। এটি ত্বক ভালো রাখার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর পদ্ধতি। মাত্র তিন ধাপে শেষ হওয়া এ ত্বকচর্চা যে কাউকে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করবে।
আলিয়া ভাটের মতে, ত্বক ভালো রাখতে ক্লিনজিং জরুরি। এটি ত্বকের ময়লা, মেকআপ, জমে থাকা তেল সব দূর করতে সাহায্য করে। এর পরের ধাপে টোনিং রয়েছে। যার মাধ্যমে ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে। নিয়মিত টোনিংয়ের কারণে ত্বক টানটান থাকে, পোরস সংকুচিত হয় এবং ক্লিনজিংয়ের পরেও যদি ত্বকে ময়লা থেকে থাকে সেটিও টোনিংয়ের মাধ্যমে দূর হয়।
ময়েশ্চারাইজিংয়ের বিষয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, ত্বকের জন্য জুতসই ময়েশ্চারাইজার সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে রাখে সজীব। এমনকি তৈলাক্ত ত্বকেও প্রয়োজন যথাযথ ময়েশ্চারাইজার।
জানা যায়, সাধারণ মেয়েদের মতো আলিয়া ভাটেরও ত্বকের ফোলা ভাবের সমস্যা রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তা লক্ষ্য করা যায়। তাই ঘুম থেকে উঠে আলিয়ার প্রথম কাজ আইস ফেসিয়াল করা। এতে ঘুমের ঘোর কেটে একটা সতেজতা আসে। এক্ষেত্রে একবাটি বরফ গোলা পানি ও কিছু বরফ কিউব মিশিয়ে চোখ বন্ধ করে ওই পানিতে ২-৩ সেকেন্ড মুখ ডুবিয়ে রাখতে হবে। এইভাবে ৩/৪ বার বরফ পানিতে মুখ ডুবাতে হবে। এরপর নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছার পর ত্বকে একটা লালচে ভাব দেখা যাবে।
শুধু এটা অনুসরণ করলেই হবে না জানিয়ে আলিয়া ভাট বলেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটি বিশেষ মর্নিং ড্রিঙ্ক পান করেন তিনি। তা হালকা গরম পানিতে লেবুর রস দিয়ে তৈরি করা হয়। লেবু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে যতটা সম্ভব পানি পান করেন এই নায়িকা। আবার, আলিয়া ভাট ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে ভালোবাসেন। পাশাপাশি যতটা সম্ভব বাজারজাত কসমেটিক প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলেন তিনি।
তবে আলিয়া ভাট ত্বকের জন্য মুলতানি মাটির ফেস প্যাক ব্যবহার করেন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে ও ব্রণ কমায়। এছাড়া ত্বক উজ্জ্বল ও নরম রাখে। ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, আধা চা চামচ চন্দনের গুঁড়া, ১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো গোলাপজল মিশিয়ে বানিয়ে নেন ফেস প্যাক। ত্বকে লাগিয়ে রাখেন না শুকানো পর্যন্ত। এছাড়া, ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির সঙ্গে পাকা পেঁপে মিশিয়েও ব্যবহার করেন।

বলিউডে প্রথম সারির নায়িকাদের মধ্যে বর্তমানে আলিয়া ভাট অন্যতম। দুর্দান্ত অভিনয়ের সঙ্গে চোখ ধাঁধানো স্টাইল, রূপ এবং ত্বকের সৌন্দর্যের প্রশংসায় সবাই পঞ্চমুখ। অথচ এই নায়িকাকে নো মেকআপ লুকেই বেশিরভাগ সময় দেখা যায়। ফলে ন্যাচারাল বিউটি খ্যাত আলিয়ার রূপের রহস্য নিয়ে আলোচনাও হয় বেশি।
কী ভাবে নিজের রূপের যত্ন নেন আলিয়া ভাট? রূপচর্চার জন্য কী কী করেন তিনি? এসব প্রশ্নই ঘুরপাক খায় তার ভক্তদের মনে।
এ বিষয়ে আলিয়া ভাট বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে জানান, তার ত্বক মিশ্র ধরনের। কখনও তৈলাক্ত, আবার কখনও শুষ্ক। তবে আগাগোড়াই বেশ সংবেদনশীল ত্বকের অধিকারী তিনি। তাই হাতে সময় পেলেই নিজের মতো করে ফেসপ্যাক তৈরি করে মুখে ব্যবহার করেন তিনি। যেমন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুটিংয়ের জন্য দৌড়াতে হলে ত্বক সামান্য ভিজিয়ে মিনিটখানেক ম্যাসাজ করে নেন। এতে ত্বকের বাড়তি তেল দূর হয়। ম্যাসাজ করার জন্য ব্যবহার করেন ছোট্ট একটি যন্ত্র। শুটিং না থাকলে জিমে যান আলিয়া। এর আগে মাইল্ড ক্লিনজার দিয়ে ত্বক পরিষ্কার করে টোনার ও সিরাম ব্যবহার করেন। জিম শেষে এসে গোসল করে নেন।
প্রকৃতপক্ষে নিয়ম মেনে অনুসরণ করা স্কিন কেয়ার রুটিনই নিজের ত্বকের পেছনের রহস্য বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে নিজের প্রোফাইলে আস্ক মি এনিথিং নামে একটা সেশনে আলিয়া ভাট বলেন, যদি কেউ স্কিন কেয়ার সম্পর্কে একদমই অজ্ঞ হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি শুরুটা করতে পারেন সিটিএম পদ্ধতি দিয়ে। এটি ত্বক ভালো রাখার ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর পদ্ধতি। মাত্র তিন ধাপে শেষ হওয়া এ ত্বকচর্চা যে কাউকে স্বাস্থ্যকর ও উজ্জ্বল ত্বক পেতে সাহায্য করবে।
আলিয়া ভাটের মতে, ত্বক ভালো রাখতে ক্লিনজিং জরুরি। এটি ত্বকের ময়লা, মেকআপ, জমে থাকা তেল সব দূর করতে সাহায্য করে। এর পরের ধাপে টোনিং রয়েছে। যার মাধ্যমে ত্বকের পিএইচ লেভেল ঠিক থাকে। নিয়মিত টোনিংয়ের কারণে ত্বক টানটান থাকে, পোরস সংকুচিত হয় এবং ক্লিনজিংয়ের পরেও যদি ত্বকে ময়লা থেকে থাকে সেটিও টোনিংয়ের মাধ্যমে দূর হয়।
ময়েশ্চারাইজিংয়ের বিষয়ে এ অভিনেত্রী বলেন, ত্বকের জন্য জুতসই ময়েশ্চারাইজার সব সমস্যার সমাধান দিতে পারে। এটি ত্বকের শুষ্কতা দূর করে ত্বককে রাখে সজীব। এমনকি তৈলাক্ত ত্বকেও প্রয়োজন যথাযথ ময়েশ্চারাইজার।
জানা যায়, সাধারণ মেয়েদের মতো আলিয়া ভাটেরও ত্বকের ফোলা ভাবের সমস্যা রয়েছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর তা লক্ষ্য করা যায়। তাই ঘুম থেকে উঠে আলিয়ার প্রথম কাজ আইস ফেসিয়াল করা। এতে ঘুমের ঘোর কেটে একটা সতেজতা আসে। এক্ষেত্রে একবাটি বরফ গোলা পানি ও কিছু বরফ কিউব মিশিয়ে চোখ বন্ধ করে ওই পানিতে ২-৩ সেকেন্ড মুখ ডুবিয়ে রাখতে হবে। এইভাবে ৩/৪ বার বরফ পানিতে মুখ ডুবাতে হবে। এরপর নরম তোয়ালে দিয়ে মুখ মুছার পর ত্বকে একটা লালচে ভাব দেখা যাবে।
শুধু এটা অনুসরণ করলেই হবে না জানিয়ে আলিয়া ভাট বলেন, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর একটি বিশেষ মর্নিং ড্রিঙ্ক পান করেন তিনি। তা হালকা গরম পানিতে লেবুর রস দিয়ে তৈরি করা হয়। লেবু অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা ত্বককে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া, নিজেকে হাইড্রেটেড রাখতে যতটা সম্ভব পানি পান করেন এই নায়িকা। আবার, আলিয়া ভাট ফেস মাস্ক ব্যবহার করতে ভালোবাসেন। পাশাপাশি যতটা সম্ভব বাজারজাত কসমেটিক প্রোডাক্ট এড়িয়ে চলেন তিনি।
তবে আলিয়া ভাট ত্বকের জন্য মুলতানি মাটির ফেস প্যাক ব্যবহার করেন। এটি ত্বকের অতিরিক্ত তেল দূর করে ও ব্রণ কমায়। এছাড়া ত্বক উজ্জ্বল ও নরম রাখে। ১ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি, আধা চা চামচ চন্দনের গুঁড়া, ১/৪ চা চামচ হলুদের গুঁড়া ও পরিমাণ মতো গোলাপজল মিশিয়ে বানিয়ে নেন ফেস প্যাক। ত্বকে লাগিয়ে রাখেন না শুকানো পর্যন্ত। এছাড়া, ত্বকের যত্নে মুলতানি মাটির সঙ্গে পাকা পেঁপে মিশিয়েও ব্যবহার করেন।

‘ফিয়র্ড’ সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেবাস্টিয়ান স্ট্যান ও রেনেট রেইনসভে। এটি পরিচালক মুঙ্গিউয়ের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পালম ডি'অর। এর আগে ২০০৭ সালে তার বিখ্যাত ছবি ‘ফোর মান্থস, থ্রি উইকস, অ্যান্ড টু ডেজ’-এর জন্য তিনি প্রথমবার এই শীর্ষ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
২৪ মে ২০২৬
এর আগে, ২০১৭ সালে জসীম আহমেদের চলচ্চিত্র ‘দাগ’ আমেরিকার মূলধারার টেলিভিশনে প্রদর্শনের মাধ্যমে শর্টস ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে তার যাত্রা শুরু হয়। পরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নির্মিত তার প্রামাণ্যচিত্র ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেলস’ একই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয় এবং তুরস্কে সেরা পরিচালকের পুর
২২ মে ২০২৬
কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের ভাষান্তরে আধুনিক আরবি সাহিত্যের দিকপাল তায়েব সালিহর সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘উত্তরে অভিবাসনের মওসুম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গলবুকসের উদ্যোগে রাজধানীর পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে এ
২১ মে ২০২৬
দেশের জনপ্রিয় ডিজে ও সংগীতশিল্পী সনিকা হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
১৯ মে ২০২৬