
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের ভাষান্তরে আধুনিক আরবি সাহিত্যের দিকপাল তায়েব সালিহর সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘উত্তরে অভিবাসনের মওসুম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গলবুকসের উদ্যোগে রাজধানীর পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে লেখক ও অনুবাদক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যারা সাহিত্য নিয়ে ভাবি, সাহিত্য পড়ি, তাদের জন্য বেঙ্গলবুকস এমন একটি আয়োজন করেছে বলে আমি আনন্দিত। জাহাঙ্গীর ভাইকে ধন্যবাদ বইটি অনুবাদ করার জন্য। আমাকে সবসময় বলা হয় ল্যাটিন আমেরিকার সাহিত্য নিয়ে কথা বলতে। সেখানে আরবি সাহিত্যের এ বই নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে তাতে আমি কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে অনুবাদের ক্ষেত্রে কোনটি অনুবাদ করবেন তা নিয়ে অনুবাদকের যেমন বাছ-বিচার নিখুঁত হতে হয়, তেমনই প্রকাশককেও সচেতন হতে হয় কোন বইটি তিনি প্রকাশ করবেন। যখন আমি লন্ডনে থাকি, ছাত্র, তখন তায়েব সালিহর এ উপন্যাস আমার পাঠ্য ছিল। সেটা ছাব্বিশ বছর আগে। আমার তায়েব সালিহর সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। তা ছিল বিস্ময়কর এক অভিজ্ঞতা।’
রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী আরও বলেন, “আমরা অনুবাদের ক্ষেত্রে দুই ধরনের কথা বলি। এক সরাসরি মূল ভাষা থেকে অনুবাদ। আরেকটি তৃতীয় কোনো ভাষা থেকে অনুবাদ, ইনডাইরেক্ট অনুবাদ। তায়েব সালিহর এ বইটি অনুবাদ হয়েছে দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি থেকে, সরসরি আরবি থেকে না। তবে এ ক্ষেত্রে ইংরেজি অনুবাদক ডেনিস জনসন-ডেভিসের অনুবাদে ‘সিজন অব মাইগ্রেশন টু দ্য নর্থ’কে আরবির খুব কাছাকাছি ধরা যায়। কারণ আরবি থেকে ইংরেজি অনুবাদে ডেনিসও একজন বিখ্যাত ব্যক্তি। এর বাংলা অনুবাদও ভালো হয়েছে। এ জন্য নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ভাইকে অভিনন্দন। বেঙ্গলবুকসকে সাধুবাদ। বেঙ্গলবুকস বিশ্বসাহিত্যের নানা দেশের সাহিত্য অনুবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছে, এর জন্য বেঙ্গলবুকসকে আবারও ধন্যবাদ।”
আলোচনায় অংশ নেন কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক দিলওয়ার হাসান। তিনি বলেন, ‘তায়েব সালিহর এ বইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে আফ্রিকান সাহিত্যের আরেকটি মুক্তো যুক্ত হলো। এখানেই শেষ না, এই লেখকের এবং একই অনুবাদকের আরও বই বেঙ্গলবুকস থেকে বেরোবে বলে জেনেছি। এটা আরো আনন্দের সংবাদ।’
তিনি বলেন, ‘উপন্যাসটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ভাষায় হোক বা বিষয়ে, দুটোই অনুবাদক ভালোভাবে ধরতে পেরেছেন। উপন্যাস জুড়ে আইডেনটিটি ক্রাইসিসের ব্যাপারটা প্রবলভাবে আমরা লক্ষ করি। আমরা লক্ষ করি, অসংখ্য যৌনতার ব্যবহার, যার ফলে বইটি নিষিদ্ধও হয়েছিল। তবে এর পঠনপাঠন আটকে রাখতে পারেনি তারা। নিষিদ্ধের বেড়াজাল ডিঙিয়ে পৌঁছে গেছে বিশ্বপাঠককুলের দোরগোড়ায়। শুধু কি তাই, বইটি পশ্চিমা বিশ্বের ইউনিভার্সিটিতে আফ্রিকান সাহিত্য বিভাগে পড়ানো হয়।’
কবি সৈকত হাবিব বলেন, ‘সিজন অব মাইগ্রেশন টু দ্য নর্থ’ রচনার আগে তায়েব সালিহর উপন্যাস ‘দ্য ওয়েডিং অব জেইন’ প্রকাশিত হয়। এটি চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে এবং ১৯৭৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়। তার বেশকিছু ছোটগল্প আধুনিক আরবি সাহিত্যে সেরা হিসেবে বিবেচিত। ‘বান্দারশাহ’ তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। আমি বলব, এ অনুবাদটি দারুণ হয়েছে। নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর এতো সাবলীল অনুবাদ করেছেন, আমার মনেই হয়নি এটি অনুবাদ সাহিত্য পড়ছি। তিনি দ্বিধাহীনভাবে যেভাবে যৌনতার বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, তাতে বিস্মিত হতে হয়। বই জুড়ে তিনি যেভাবে কবিতা ব্যবহার করেছেন, তাতে আরবদের পূর্বসূরীদের কাব্যরসের কথা মনে করিয়ে দেয়।
বইটির অনুবাদ প্রসঙ্গে কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বেঙ্গলবুকসকে আমি আগে ধন্যবাদ দিতে চাই, এত সুন্দর প্রচ্ছদ ও দুর্দান্ত প্রোডাকশনের জন্য। এক কথায় অসাধারণ! আমি অভিভূত। আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই বেঙ্গলবুকসের এডিটর আরিফুল হাসানকে। কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই বেঙ্গলবুকসের কর্ণধার আজহার ফরহাদকে। আর অনুবাদের কথা বললে, ছোটবেলা থেকেই আমি বিশ্বসাহিত্য পড়ি। পাঁচ বছর আগে আমি এই লেখকের নাম জানি। তারপর গুগলে সার্চ করতে থাকি। যত জানি এই লেখকের ব্যাপারে, তত আগ্রহ বাড়তে থাকে। শেষে এই বইটির পিডিএফ পাই এবং অনুবাদ শুরু করি। আমি আসলে এটি অনুবাদ করিনি, উপভোগ করেছি।’
বেঙ্গলবুকসের মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প প্রধান আজহার ফরহাদ বলেন, বইটি বের করার কথা ছিল ছাব্বিশের বইমেলায়। এডিটিংয়ের প্রয়োজনে এটি বেরোল এত দিনে এসে। আমাদের ভুল থাকতে পারে, আমরা চেষ্টা করছি সেসব অতিক্রম করতে। আমরা যখন বই করি, দীর্ঘ সময় নিই, বইটিকে ত্রুটিমুক্ত করতে চেষ্টা করি।
উপন্যাস ‘উত্তরে অভিবাসনের মওসুম’ নিয়ে আলোচনা সভায় আরও কথা বলেন মোজ্জাম্মেল হক নিয়োগী, কবির চান্দ, আরিফুল হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তৌহিদ ইমাম।

কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের ভাষান্তরে আধুনিক আরবি সাহিত্যের দিকপাল তায়েব সালিহর সাড়া জাগানো উপন্যাস ‘উত্তরে অভিবাসনের মওসুম’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেল ৪টায় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গলবুকসের উদ্যোগে রাজধানীর পুরানা পল্টনের জামান টাওয়ারে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
আলোচনায় অংশ নিয়ে লেখক ও অনুবাদক রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী বলেন, ‘আমরা যারা সাহিত্য নিয়ে ভাবি, সাহিত্য পড়ি, তাদের জন্য বেঙ্গলবুকস এমন একটি আয়োজন করেছে বলে আমি আনন্দিত। জাহাঙ্গীর ভাইকে ধন্যবাদ বইটি অনুবাদ করার জন্য। আমাকে সবসময় বলা হয় ল্যাটিন আমেরিকার সাহিত্য নিয়ে কথা বলতে। সেখানে আরবি সাহিত্যের এ বই নিয়ে আলোচনা করতে বলা হয়েছে তাতে আমি কৃতজ্ঞ।’
তিনি আরও বলেন, ‘তবে অনুবাদের ক্ষেত্রে কোনটি অনুবাদ করবেন তা নিয়ে অনুবাদকের যেমন বাছ-বিচার নিখুঁত হতে হয়, তেমনই প্রকাশককেও সচেতন হতে হয় কোন বইটি তিনি প্রকাশ করবেন। যখন আমি লন্ডনে থাকি, ছাত্র, তখন তায়েব সালিহর এ উপন্যাস আমার পাঠ্য ছিল। সেটা ছাব্বিশ বছর আগে। আমার তায়েব সালিহর সাথে দেখা হয়েছে, কথা হয়েছে। তা ছিল বিস্ময়কর এক অভিজ্ঞতা।’
রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী আরও বলেন, “আমরা অনুবাদের ক্ষেত্রে দুই ধরনের কথা বলি। এক সরাসরি মূল ভাষা থেকে অনুবাদ। আরেকটি তৃতীয় কোনো ভাষা থেকে অনুবাদ, ইনডাইরেক্ট অনুবাদ। তায়েব সালিহর এ বইটি অনুবাদ হয়েছে দ্বিতীয় ভাষা ইংরেজি থেকে, সরসরি আরবি থেকে না। তবে এ ক্ষেত্রে ইংরেজি অনুবাদক ডেনিস জনসন-ডেভিসের অনুবাদে ‘সিজন অব মাইগ্রেশন টু দ্য নর্থ’কে আরবির খুব কাছাকাছি ধরা যায়। কারণ আরবি থেকে ইংরেজি অনুবাদে ডেনিসও একজন বিখ্যাত ব্যক্তি। এর বাংলা অনুবাদও ভালো হয়েছে। এ জন্য নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর ভাইকে অভিনন্দন। বেঙ্গলবুকসকে সাধুবাদ। বেঙ্গলবুকস বিশ্বসাহিত্যের নানা দেশের সাহিত্য অনুবাদে আগ্রহ দেখাচ্ছে, এর জন্য বেঙ্গলবুকসকে আবারও ধন্যবাদ।”
আলোচনায় অংশ নেন কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক দিলওয়ার হাসান। তিনি বলেন, ‘তায়েব সালিহর এ বইয়ের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে আফ্রিকান সাহিত্যের আরেকটি মুক্তো যুক্ত হলো। এখানেই শেষ না, এই লেখকের এবং একই অনুবাদকের আরও বই বেঙ্গলবুকস থেকে বেরোবে বলে জেনেছি। এটা আরো আনন্দের সংবাদ।’
তিনি বলেন, ‘উপন্যাসটি যেমন গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ভাষায় হোক বা বিষয়ে, দুটোই অনুবাদক ভালোভাবে ধরতে পেরেছেন। উপন্যাস জুড়ে আইডেনটিটি ক্রাইসিসের ব্যাপারটা প্রবলভাবে আমরা লক্ষ করি। আমরা লক্ষ করি, অসংখ্য যৌনতার ব্যবহার, যার ফলে বইটি নিষিদ্ধও হয়েছিল। তবে এর পঠনপাঠন আটকে রাখতে পারেনি তারা। নিষিদ্ধের বেড়াজাল ডিঙিয়ে পৌঁছে গেছে বিশ্বপাঠককুলের দোরগোড়ায়। শুধু কি তাই, বইটি পশ্চিমা বিশ্বের ইউনিভার্সিটিতে আফ্রিকান সাহিত্য বিভাগে পড়ানো হয়।’
কবি সৈকত হাবিব বলেন, ‘সিজন অব মাইগ্রেশন টু দ্য নর্থ’ রচনার আগে তায়েব সালিহর উপন্যাস ‘দ্য ওয়েডিং অব জেইন’ প্রকাশিত হয়। এটি চলচ্চিত্রে রূপায়িত হয়েছে এবং ১৯৭৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হয়। তার বেশকিছু ছোটগল্প আধুনিক আরবি সাহিত্যে সেরা হিসেবে বিবেচিত। ‘বান্দারশাহ’ তার আরেকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। আমি বলব, এ অনুবাদটি দারুণ হয়েছে। নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর এতো সাবলীল অনুবাদ করেছেন, আমার মনেই হয়নি এটি অনুবাদ সাহিত্য পড়ছি। তিনি দ্বিধাহীনভাবে যেভাবে যৌনতার বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, তাতে বিস্মিত হতে হয়। বই জুড়ে তিনি যেভাবে কবিতা ব্যবহার করেছেন, তাতে আরবদের পূর্বসূরীদের কাব্যরসের কথা মনে করিয়ে দেয়।
বইটির অনুবাদ প্রসঙ্গে কথাসাহিত্যিক ও অনুবাদক নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন, ‘বেঙ্গলবুকসকে আমি আগে ধন্যবাদ দিতে চাই, এত সুন্দর প্রচ্ছদ ও দুর্দান্ত প্রোডাকশনের জন্য। এক কথায় অসাধারণ! আমি অভিভূত। আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই বেঙ্গলবুকসের এডিটর আরিফুল হাসানকে। কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই বেঙ্গলবুকসের কর্ণধার আজহার ফরহাদকে। আর অনুবাদের কথা বললে, ছোটবেলা থেকেই আমি বিশ্বসাহিত্য পড়ি। পাঁচ বছর আগে আমি এই লেখকের নাম জানি। তারপর গুগলে সার্চ করতে থাকি। যত জানি এই লেখকের ব্যাপারে, তত আগ্রহ বাড়তে থাকে। শেষে এই বইটির পিডিএফ পাই এবং অনুবাদ শুরু করি। আমি আসলে এটি অনুবাদ করিনি, উপভোগ করেছি।’
বেঙ্গলবুকসের মহাব্যবস্থাপক ও প্রকল্প প্রধান আজহার ফরহাদ বলেন, বইটি বের করার কথা ছিল ছাব্বিশের বইমেলায়। এডিটিংয়ের প্রয়োজনে এটি বেরোল এত দিনে এসে। আমাদের ভুল থাকতে পারে, আমরা চেষ্টা করছি সেসব অতিক্রম করতে। আমরা যখন বই করি, দীর্ঘ সময় নিই, বইটিকে ত্রুটিমুক্ত করতে চেষ্টা করি।
উপন্যাস ‘উত্তরে অভিবাসনের মওসুম’ নিয়ে আলোচনা সভায় আরও কথা বলেন মোজ্জাম্মেল হক নিয়োগী, কবির চান্দ, আরিফুল হাসান প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন তৌহিদ ইমাম।

‘ফিয়র্ড’ সিনেমাটিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সেবাস্টিয়ান স্ট্যান ও রেনেট রেইনসভে। এটি পরিচালক মুঙ্গিউয়ের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় পালম ডি'অর। এর আগে ২০০৭ সালে তার বিখ্যাত ছবি ‘ফোর মান্থস, থ্রি উইকস, অ্যান্ড টু ডেজ’-এর জন্য তিনি প্রথমবার এই শীর্ষ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
২৪ মে ২০২৬
এর আগে, ২০১৭ সালে জসীম আহমেদের চলচ্চিত্র ‘দাগ’ আমেরিকার মূলধারার টেলিভিশনে প্রদর্শনের মাধ্যমে শর্টস ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে তার যাত্রা শুরু হয়। পরে রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে নির্মিত তার প্রামাণ্যচিত্র ‘অ্যা পেয়ার অব স্যান্ডেলস’ একই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী প্রদর্শিত হয় এবং তুরস্কে সেরা পরিচালকের পুর
২২ মে ২০২৬
দেশের জনপ্রিয় ডিজে ও সংগীতশিল্পী সনিকা হেপাটাইটিস ‘এ’ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।
১৯ মে ২০২৬
লিভার-সংক্রান্ত জটিলতায় গত কয়েক দিন ধরে চরম সংকটাপন্ন অবস্থায় ছিলেন কারিনা। প্রথমে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাকে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছিল। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য গত সোমবার রাতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স যোগে তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
১৬ মে ২০২৬