
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

সুরের ভুবনে এক বিশাল নক্ষত্রের পতন ঘটল। চিরবিদায় নিলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সকালের দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ মারা যান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রয়াণের খবর জানান শিল্পীর নাতনি।
আকস্মিক অসুস্থতা ও পরবর্তীকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত এই শিল্পীর প্রয়াণে সংগীত জগতে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দেওয়া এই শিল্পীর মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে তার কোটি কোটি অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকেই গুণী এই শিল্পীর অসুস্থতার খবরে দেশজুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় হঠাৎ শারীরিক অস্বস্তি বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। যদিও তার নাতনি জ়নাই ভোসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছিলেন, ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তার ঠাকুরমা। পরিবারের পক্ষ থেকে ভক্তদের ধৈর্য ধরার ও গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছিল।
পরিবার ও অনুরাগীরা তার সুস্থ হয়ে ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞী। তার মৃত্যুতে সংগীতের একটি বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে আশা ভোসলে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য রেকর্ড করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। তার অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে 'পদ্মভূষণ' এবং এর আগে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান 'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কারে ভূষিত করে।
কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি সমাদৃত হয়েছেন; ১৯৯৭ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন এই গুণী শিল্পী। তার কণ্ঠের জাদুতে জনপ্রিয় হওয়া গানগুলোর মধ্যে ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’ এবং ‘তুমসে মিলকে’র মতো অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে।

সুরের ভুবনে এক বিশাল নক্ষত্রের পতন ঘটল। চিরবিদায় নিলেন উপমহাদেশের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোসলে। মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর।
আজ রোববার (১২ এপ্রিল) সকালের দিকে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ মারা যান তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তার প্রয়াণের খবর জানান শিল্পীর নাতনি।
আকস্মিক অসুস্থতা ও পরবর্তীকালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
পদ্মভূষণ ও দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত এই শিল্পীর প্রয়াণে সংগীত জগতে একটি দীর্ঘ ও গৌরবময় অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল। দীর্ঘ কর্মজীবনে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দেওয়া এই শিল্পীর মৃত্যুতে বিশ্বজুড়ে তার কোটি কোটি অনুরাগীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শনিবার সন্ধ্যা থেকেই গুণী এই শিল্পীর অসুস্থতার খবরে দেশজুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়িয়ে পড়ে। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যায় হঠাৎ শারীরিক অস্বস্তি বোধ করলে তাকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। যদিও তার নাতনি জ়নাই ভোসলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) জানিয়েছিলেন, ফুসফুসে সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তার ঠাকুরমা। পরিবারের পক্ষ থেকে ভক্তদের ধৈর্য ধরার ও গোপনীয়তাকে সম্মান জানানোর অনুরোধ করা হয়েছিল।
পরিবার ও অনুরাগীরা তার সুস্থ হয়ে ফেরার অপেক্ষায় থাকলেও শেষ পর্যন্ত সব চেষ্টা ব্যর্থ করে চিরবিদায় নিলেন এই সংগীত সম্রাজ্ঞী। তার মৃত্যুতে সংগীতের একটি বর্ণাঢ্য অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটল।
দীর্ঘ ছয় দশকেরও বেশি সময়ের কর্মজীবনে আশা ভোসলে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য রেকর্ড করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান। তার অনন্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে ২০০৮ সালে 'পদ্মভূষণ' এবং এর আগে চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মান 'দাদাসাহেব ফালকে' পুরস্কারে ভূষিত করে।
কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তিনি সমাদৃত হয়েছেন; ১৯৯৭ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে গ্র্যামি পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন এই গুণী শিল্পী। তার কণ্ঠের জাদুতে জনপ্রিয় হওয়া গানগুলোর মধ্যে ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘এক পরদেশী মেরা দিল লে গয়া’ এবং ‘তুমসে মিলকে’র মতো অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের হৃদয়ে গেঁথে আছে।

নানা সমালোচনার পর মুক্তির দুই দিন আগেই স্থগিত করা হলো চিত্রনায়িকা মৌসুমী অভিনীত সিনেমা ‘কন্ট্র্যাক্ট ম্যারেজ’-এর সেন্সর সনদপত্র। অভিনেত্রী জেবা জান্নাতের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সিনেমার সেন্সর সনদপত্রটি বাতিল করা হয়।
১০ দিন আগে
মারাহর কাজগুলো নিয়ে আমি যখন পড়ালেখা করছিলাম, আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছিল তার সেই ছোট্ট তাঁবুর গল্প। এক শরণার্থী শিবিরের ভেতরে, যেখানে মানুষের নিজের জন্য জায়গা নেই, সেখানে একটি তাঁবুকে গ্যালারি বানিয়ে ফেলল সে। এ যেন সেই প্রবল ধ্বংসযজ্ঞ ও অসহায়ত্বের মধ্যেও এক নীরব বিদ্রোহ।
১১ দিন আগে
শিল্পবোদ্ধাদের মতে, এটি শুধু একটি বিমূর্ত চিত্রকর্ম নয়; এটি স্মৃতি ও সময়ের বহুমাত্রিক পাঠ। ছবির ভাঙা জ্যামিতিক গঠন, টেক্সচার ও স্তরযুক্ত রঙ দর্শককে ব্যক্তিগত স্মৃতি ও হারিয়ে যাওয়া সময়ের অনুভূতির মুখোমুখি দাঁড় করায়। কাজটির নীরব প্রকাশভঙ্গিই এর সবচেয়ে বড় শক্তি বলে মনে করছেন শিল্প সমালোচকরা।
১১ দিন আগে