
ক্রীড়া ডেস্ক

টুর্নামেন্টের আগের দুই ম্যাচে খুব একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ফাইনালে টুর্নামেন্টের তৃতীয় দফা সাক্ষাতে ব্যাটারদের নিদারুণ ব্যর্থতা সত্ত্বেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তানের বোলাররা। কিন্তু দিন শেষে ব্যাটারদের ব্যর্থতাই বড় হয়ে দেখা দিলো। শেষ ওভার পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচে স্নায়ুচাপ জিতে ভারতকে জয় এনে দিলেন ভারতের ব্যাটাররা। এশিয়ার সেরা দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখল ভারত।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। ভালো শুরুর পরেও মাত্র ৩৩ রানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১৪৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ভারতকে উদ্ধার করেছেন তিলক ভার্মা আর শিভাম দুবে। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে স্বল্প সংগ্রহেই গুটিয়ে যাওয়া, এরপর বোলারদের কল্যাণে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চেপে ধরা— পাকিস্তানের এ ম্যাচটা যেন সুপার ফোরে বাংলাদেশের ম্যাচের কার্বন কপি। তবে ভারতের ব্যাটাররা আর বাংলাদেশের ব্যাটারদের মতো নির্বিচারে উইকেট বিলিয়ে দেননি। সেখানেই আর পাকিস্তানের বোলাররা পেরে ওঠেননি।
এ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে যাওয়া পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের হাইলাইট বলতে প্রথম ১৩ ওভার। ৯ ওভার ৪ বলেই সাহেবজাদা ফারহান আর ফখর জামানের জুটি তুলে নেয় ৮৪ রান। ৩৮ বলে ৫৭ রান করে আউট হয়ে যান ফারহান। এরপর ফখর জামান আর সাইম আইয়ুব তুলে নেন ১৯ বলে ২৯ রান।

১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে সাইম আউট হয়ে যাওয়ার পরই যেন মড়ক লাগে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে। ৩৩ রানের মধ্যেই ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ফখর জামান করেছিলেন ৩৫ বলে ৪৬ রান। এরপর পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। বরং ৩ জন ব্যাটার আউট হয়ে যান কোনো রান না করেই।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ৩০ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ যাদব। ভারতের হয়ে এ ম্যাচে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেল। কেবল এ ম্যাচে নয়, ১৭ উইকেট নিয়ে কুলদীপই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদির, তার সংগ্রহ ১০ উইকেট!
১৪৬ রান ডিফেন্ড করতে নেমে পাকিস্তানের বোলাররা স্বপ্নের মতো সূচনাই এনে দেন। পুরো টুর্নামেন্টে বিস্ফোরক ব্যাটিং করা অভিষেক শর্মাকে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরান ফাহিম আশরাফ। পরের ওভারেই ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি আরেক ওপেনার শুভমান গিলও। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে তাকেও ফেরান ফাহিম। দলের রান তখন মাত্র ২০।
এরপর ভারতের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। চতুর্থ উইকেটে ৫০ বলে ৫৭ রান করে শুরুর বিপর্যয় সামাল দেন তিলক ভার্মা ও সঞ্জু স্যামসান। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ২১ বলে ২৪ রান করা সঞ্জুকে ফেরান আবরার। এরপর শিভাম দুবেকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান তিলক। তাদের ৪০ বলে ৬০ রানের জুটি বলা যায় পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।

শিভাম দুবে অবশ্য ১৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হয়ে যান। তিনি করেন ২২ বলে ৩৩ রান। শেষ ওভারে তখন ভারতের প্রয়োজন ১০ রান। হারিস রউফের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে ডাবল আর দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিলক ভার্মা ম্যাচ পাকিস্তানের হাত থেকে বের করে নেন চূড়ান্তভাবে। ভারতের জয়সূচক রান অবশ্য রানে টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো ম্যাচ পাওয়া রিংকুর হাতে। অন্য পাশে তিলক অপরাজিত ছিলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানে।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন শাহিন।
৫৩ বলে ৬৯ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিলক ভার্মা। টুর্নামেন্ট জুড়ে ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৩১৪ রান করে অন্যদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে থাকা ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা নির্বাচিত হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।

টুর্নামেন্টের আগের দুই ম্যাচে খুব একটা প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারেনি পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে ফাইনালে টুর্নামেন্টের তৃতীয় দফা সাক্ষাতে ব্যাটারদের নিদারুণ ব্যর্থতা সত্ত্বেও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন পাকিস্তানের বোলাররা। কিন্তু দিন শেষে ব্যাটারদের ব্যর্থতাই বড় হয়ে দেখা দিলো। শেষ ওভার পর্যন্ত গড়ানো ম্যাচে স্নায়ুচাপ জিতে ভারতকে জয় এনে দিলেন ভারতের ব্যাটাররা। এশিয়ার সেরা দল হিসেবে নিজেদের অবস্থান ধরে রাখল ভারত।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত-পাকিস্তান। ভালো শুরুর পরেও মাত্র ৩৩ রানে শেষ ৯ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান ১৪৬ রান সংগ্রহ করতে সক্ষম হয়। জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ভারতকে উদ্ধার করেছেন তিলক ভার্মা আর শিভাম দুবে। শেষ পর্যন্ত ২ বল হাতে রেখে ৫ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিয়েছে ভারত।
প্রথমে ব্যাট করে স্বল্প সংগ্রহেই গুটিয়ে যাওয়া, এরপর বোলারদের কল্যাণে প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চেপে ধরা— পাকিস্তানের এ ম্যাচটা যেন সুপার ফোরে বাংলাদেশের ম্যাচের কার্বন কপি। তবে ভারতের ব্যাটাররা আর বাংলাদেশের ব্যাটারদের মতো নির্বিচারে উইকেট বিলিয়ে দেননি। সেখানেই আর পাকিস্তানের বোলাররা পেরে ওঠেননি।
এ ম্যাচে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে যাওয়া পাকিস্তানের ব্যাটিং ইনিংসের হাইলাইট বলতে প্রথম ১৩ ওভার। ৯ ওভার ৪ বলেই সাহেবজাদা ফারহান আর ফখর জামানের জুটি তুলে নেয় ৮৪ রান। ৩৮ বলে ৫৭ রান করে আউট হয়ে যান ফারহান। এরপর ফখর জামান আর সাইম আইয়ুব তুলে নেন ১৯ বলে ২৯ রান।

১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে সাইম আউট হয়ে যাওয়ার পরই যেন মড়ক লাগে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে। ৩৩ রানের মধ্যেই ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৬ রানে অলআউট হয়ে যায় পাকিস্তান। ফখর জামান করেছিলেন ৩৫ বলে ৪৬ রান। এরপর পাকিস্তানের আর কোনো ব্যাটার দুই অঙ্কে পৌঁছাতে পারেননি। বরং ৩ জন ব্যাটার আউট হয়ে যান কোনো রান না করেই।
ভারতের পক্ষে ৪ ওভারে ৩০ রানে ৪ উইকেট তুলে নেন কুলদীপ যাদব। ভারতের হয়ে এ ম্যাচে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন জাসপ্রিত বুমরাহ, বরুণ চক্রবর্তী ও অক্ষর প্যাটেল। কেবল এ ম্যাচে নয়, ১৭ উইকেট নিয়ে কুলদীপই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট পাকিস্তানের শাহিন শাহ আফ্রিদির, তার সংগ্রহ ১০ উইকেট!
১৪৬ রান ডিফেন্ড করতে নেমে পাকিস্তানের বোলাররা স্বপ্নের মতো সূচনাই এনে দেন। পুরো টুর্নামেন্টে বিস্ফোরক ব্যাটিং করা অভিষেক শর্মাকে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই প্যাভিলিয়নে ফেরান ফাহিম আশরাফ। পরের ওভারেই ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে ফিরিয়ে দেন শাহিন শাহ আফ্রিদি। বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি আরেক ওপেনার শুভমান গিলও। চতুর্থ ওভারের শেষ বলে তাকেও ফেরান ফাহিম। দলের রান তখন মাত্র ২০।
এরপর ভারতের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। চতুর্থ উইকেটে ৫০ বলে ৫৭ রান করে শুরুর বিপর্যয় সামাল দেন তিলক ভার্মা ও সঞ্জু স্যামসান। ১৩তম ওভারের দ্বিতীয় বলে ২১ বলে ২৪ রান করা সঞ্জুকে ফেরান আবরার। এরপর শিভাম দুবেকে নিয়ে দলকে জয়ের পথে নিয়ে যান তিলক। তাদের ৪০ বলে ৬০ রানের জুটি বলা যায় পাকিস্তানকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয়।

শিভাম দুবে অবশ্য ১৯তম ওভারের শেষ বলে আউট হয়ে যান। তিনি করেন ২২ বলে ৩৩ রান। শেষ ওভারে তখন ভারতের প্রয়োজন ১০ রান। হারিস রউফের করা শেষ ওভারের প্রথম বলে ডাবল আর দ্বিতীয় বলে ছক্কা হাঁকিয়ে তিলক ভার্মা ম্যাচ পাকিস্তানের হাত থেকে বের করে নেন চূড়ান্তভাবে। ভারতের জয়সূচক রান অবশ্য রানে টুর্নামেন্টে প্রথমবারের মতো ম্যাচ পাওয়া রিংকুর হাতে। অন্য পাশে তিলক অপরাজিত ছিলেন ৫৩ বলে ৬৯ রানে।
পাকিস্তানের হয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন ফাহিম আশরাফ। বাকি উইকেটটি নিয়েছেন শাহিন।
৫৩ বলে ৬৯ রানের ম্যাচজয়ী ইনিংসের জন্য ম্যাচসেরা নির্বাচিত হয়েছেন তিলক ভার্মা। টুর্নামেন্ট জুড়ে ২০০ স্ট্রাইক রেটে ৩১৪ রান করে অন্যদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে থাকা ভারতীয় ওপেনার অভিষেক শর্মা নির্বাচিত হয়েছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে