
ক্রীড় ডেস্ক

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের অবস্থানের পার্থক্য বেশ বড়। নেদারল্যান্ডস বিশ্বের পঞ্চম সেরা দল, জাপান ১৮তম। কিন্তু ফুটবল যে শুধু র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব মেনে চলে না, সেটিই আবারও প্রমাণ করল এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসকে ২-২ গোলে রুখে দিয়েছে জাপান।
কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়া জাপান এবারও দেখাল, তাদের কখনোই হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। ম্যাচের বড় অংশে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে হাজিমে মরিয়াসুর দল। আর সেই সঙ্গে আবারও প্রমাণ করেছে কেন অনেক ফুটবলপ্রেমীর চোখে তারা ‘এশিয়ার গর্ব’।
ডালাসের প্রায় ৭০ হাজার দর্শক প্রথমার্ধে খুব বেশি রোমাঞ্চ দেখতে পাননি। দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলেছে। বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস, তবে জাপানও নিজেদের সংগঠিত রক্ষণ দিয়ে ডাচদের খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। মাঝমাঠে লড়াই হয়েছে, আক্রমণ গড়ে উঠেছে, কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
তবে বিরতির পর যেন বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে দুই দল। ম্যাচের প্রথম গোল আসে ৫১ মিনিটে। লিভারপুলের দুই সতীর্থের বোঝাপড়ায় এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ডান দিক থেকে রায়ান গ্রাভেনবার্চের ভাসিয়ে দেওয়া নিখুঁত ক্রসে হেড করেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকির কোনো সুযোগই ছিল না। বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ডাচদের জার্সিতে এটি ছিল ফন ডাইকের প্রথম গোল।

গোল হজমের পর ভেঙে না পড়ে দ্রুত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে জাপান। তাদের সেই চেষ্টা সফল হয় মাত্র ছয় মিনিট পর। ৫৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে আসেন মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা। বক্সের ভেতরে জায়গা তৈরি করে নেওয়ার পর নেওয়া তাঁর শট ডাচ ডিফেন্ডার ফন হেকার পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়। ফলে আবারও সমতায় ফেরে জাপান।
কিন্তু ম্যাচ তখনো অনেক বাকি। সমতায় ফেরার পরও জাপানের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৪ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। গোলটির পেছনেও ছিলেন গ্রাভেনবার্চ। মাঝমাঠ থেকে তাঁর বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে আসেন ফরোয়ার্ড ক্রিসেনসিও সামারভিল। এরপর নিখুঁত শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। পুরো ম্যাচে কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করা জিওন সুজুকিও এবার দলকে রক্ষা করতে পারেননি।
দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পর জাপানের সামনে তখন হার এড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে মরিয়াসুর দল লড়াই থেকে সরে যায়নি। বরং সময় যত গড়িয়েছে, আক্রমণের গতি তত বেড়েছে। বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর পাশাপাশি ডাচ রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। কয়েকবার প্রতিপক্ষের বক্সেও ঢুকে পড়ে জাপানি ফরোয়ার্ডরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আসছিল না।
যখন মনে হচ্ছিল নেদারল্যান্ডস হয়তো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্তটি। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে কর্নার পায় জাপান। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে প্রথমে হেড করেন বদলি ফরোয়ার্ড কোকি ওগাওয়া। বলটি পরে দাইচি কামাদার মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে জাপানের শিবির। গোলটি শেষ পর্যন্ত কামাদার নামেই যোগ হয়, যদিও পুরো আক্রমণের মূল কৃতিত্ব ছিল ওগাওয়ার। বিশ্বকাপে হেড থেকে এটি জাপানের চতুর্থ গোল।
সমতাসূচক গোলের পর ম্যাচের বাকি সময়টুকু ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরা। উভয় দলই জয়সূচক গোলের চেষ্টা চালালেও আর কোনো দল সফল হতে পারেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে জাপানি খেলোয়াড়দের উদ্যাপনই বলে দিচ্ছিল, এই এক পয়েন্ট তাদের কাছে কতটা মূল্যবান।
এই ড্রয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে অপরাজিত থাকার কৃতিত্ব অর্জন করল জাপান। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ওঠার পর ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বশেষ চার বিশ্বকাপ ম্যাচে হারেনি তারা। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষেও পিছিয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছিল জাপান। ডালাসেও একই লড়াকু মানসিকতার প্রতিফলন দেখা গেল।
অন্যদিকে ড্র হলেও নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড ধরে রেখেছে নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টানা ১৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকল রোনাল্ড কোমানের দল। তবে দুবার এগিয়ে গিয়েও জয় নিশ্চিত করতে না পারার আক্ষেপ তাদের থাকবেই। কারণ বিশ্বকাপের ম্যাচে এর আগে দুবার এগিয়ে যাওয়ার পর কখনোই জয় হাতছাড়া করেনি ডাচরা।
‘এফ’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচ শেষে দুই দলেরই সংগ্রহ ১ পয়েন্ট। তবে ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় জাপানের পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপের শুরুতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) দলগুলোও দারুণ ছন্দে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। কাতার ও জাপান পিছিয়ে পড়েও ড্র করেছে। ফলে বিশ্বমঞ্চে আবারও নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিচ্ছে এশিয়ার দলগুলো।
আর সেই ধারাবাহিকতার সবচেয়ে উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রইল ডালাসের এই ম্যাচ। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল নেদারল্যান্ডসকে দুবার পিছিয়ে থেকেও রুখে দিয়ে জাপান যেন আবারও মনে করিয়ে দিল— বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের আর কোনোভাবেই ‘আন্ডারডগ’ বলা চলে না।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের অবস্থানের পার্থক্য বেশ বড়। নেদারল্যান্ডস বিশ্বের পঞ্চম সেরা দল, জাপান ১৮তম। কিন্তু ফুটবল যে শুধু র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব মেনে চলে না, সেটিই আবারও প্রমাণ করল এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী নেদারল্যান্ডসকে ২-২ গোলে রুখে দিয়েছে জাপান।
কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দেওয়া জাপান এবারও দেখাল, তাদের কখনোই হিসাবের বাইরে রাখা যায় না। ম্যাচের বড় অংশে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত এক পয়েন্ট আদায় করে নিয়েছে হাজিমে মরিয়াসুর দল। আর সেই সঙ্গে আবারও প্রমাণ করেছে কেন অনেক ফুটবলপ্রেমীর চোখে তারা ‘এশিয়ার গর্ব’।
ডালাসের প্রায় ৭০ হাজার দর্শক প্রথমার্ধে খুব বেশি রোমাঞ্চ দেখতে পাননি। দুই দলই সতর্ক ফুটবল খেলেছে। বল দখলে কিছুটা এগিয়ে ছিল নেদারল্যান্ডস, তবে জাপানও নিজেদের সংগঠিত রক্ষণ দিয়ে ডাচদের খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে দেয়নি। মাঝমাঠে লড়াই হয়েছে, আক্রমণ গড়ে উঠেছে, কিন্তু গোলের দেখা মেলেনি। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথম ৪৫ মিনিট।
তবে বিরতির পর যেন বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে দুই দল। ম্যাচের প্রথম গোল আসে ৫১ মিনিটে। লিভারপুলের দুই সতীর্থের বোঝাপড়ায় এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। ডান দিক থেকে রায়ান গ্রাভেনবার্চের ভাসিয়ে দেওয়া নিখুঁত ক্রসে হেড করেন অধিনায়ক ভার্জিল ফন ডাইক। জাপানের গোলরক্ষক জিওন সুজুকির কোনো সুযোগই ছিল না। বড় কোনো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে ডাচদের জার্সিতে এটি ছিল ফন ডাইকের প্রথম গোল।

গোল হজমের পর ভেঙে না পড়ে দ্রুত ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে জাপান। তাদের সেই চেষ্টা সফল হয় মাত্র ছয় মিনিট পর। ৫৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে আসেন মিডফিল্ডার কেইতো নাকামুরা। বক্সের ভেতরে জায়গা তৈরি করে নেওয়ার পর নেওয়া তাঁর শট ডাচ ডিফেন্ডার ফন হেকার পায়ে লেগে দিক বদলে জালে জড়ায়। ফলে আবারও সমতায় ফেরে জাপান।
কিন্তু ম্যাচ তখনো অনেক বাকি। সমতায় ফেরার পরও জাপানের স্বস্তি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৬৪ মিনিটে আবারও এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস। গোলটির পেছনেও ছিলেন গ্রাভেনবার্চ। মাঝমাঠ থেকে তাঁর বাড়ানো বল পেয়ে বাঁ দিক দিয়ে এগিয়ে আসেন ফরোয়ার্ড ক্রিসেনসিও সামারভিল। এরপর নিখুঁত শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। পুরো ম্যাচে কয়েকটি দুর্দান্ত সেভ করা জিওন সুজুকিও এবার দলকে রক্ষা করতে পারেননি।
দ্বিতীয়বার পিছিয়ে পড়ার পর জাপানের সামনে তখন হার এড়ানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ। তবে মরিয়াসুর দল লড়াই থেকে সরে যায়নি। বরং সময় যত গড়িয়েছে, আক্রমণের গতি তত বেড়েছে। বলের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর পাশাপাশি ডাচ রক্ষণে একের পর এক চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। কয়েকবার প্রতিপক্ষের বক্সেও ঢুকে পড়ে জাপানি ফরোয়ার্ডরা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে ফিনিশিংয়ের অভাবে গোল আসছিল না।
যখন মনে হচ্ছিল নেদারল্যান্ডস হয়তো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে, তখনই আসে নাটকীয় মুহূর্তটি। ম্যাচের ৮৮ মিনিটে কর্নার পায় জাপান। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে প্রথমে হেড করেন বদলি ফরোয়ার্ড কোকি ওগাওয়া। বলটি পরে দাইচি কামাদার মাথা ছুঁয়ে জালে জড়ালে উল্লাসে ফেটে পড়ে জাপানের শিবির। গোলটি শেষ পর্যন্ত কামাদার নামেই যোগ হয়, যদিও পুরো আক্রমণের মূল কৃতিত্ব ছিল ওগাওয়ার। বিশ্বকাপে হেড থেকে এটি জাপানের চতুর্থ গোল।
সমতাসূচক গোলের পর ম্যাচের বাকি সময়টুকু ছিল টানটান উত্তেজনায় ভরা। উভয় দলই জয়সূচক গোলের চেষ্টা চালালেও আর কোনো দল সফল হতে পারেনি। শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে জাপানি খেলোয়াড়দের উদ্যাপনই বলে দিচ্ছিল, এই এক পয়েন্ট তাদের কাছে কতটা মূল্যবান।
এই ড্রয়ের মাধ্যমে বিশ্বকাপে টানা চার ম্যাচে অপরাজিত থাকার কৃতিত্ব অর্জন করল জাপান। কাতার বিশ্বকাপে জার্মানি ও স্পেনকে হারিয়ে শেষ ষোলোয় ওঠার পর ক্রোয়েশিয়ার কাছে টাইব্রেকারে বিদায় নিতে হয়েছিল তাদের। অর্থাৎ নির্ধারিত সময় ও অতিরিক্ত সময় মিলিয়ে সর্বশেষ চার বিশ্বকাপ ম্যাচে হারেনি তারা। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, জার্মানি ও স্পেনের বিপক্ষেও পিছিয়ে পড়ে শেষ পর্যন্ত জয় পেয়েছিল জাপান। ডালাসেও একই লড়াকু মানসিকতার প্রতিফলন দেখা গেল।
অন্যদিকে ড্র হলেও নিজেদের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেকর্ড ধরে রেখেছে নেদারল্যান্ডস। বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে টানা ১৭ ম্যাচে অপরাজিত থাকল রোনাল্ড কোমানের দল। তবে দুবার এগিয়ে গিয়েও জয় নিশ্চিত করতে না পারার আক্ষেপ তাদের থাকবেই। কারণ বিশ্বকাপের ম্যাচে এর আগে দুবার এগিয়ে যাওয়ার পর কখনোই জয় হাতছাড়া করেনি ডাচরা।
‘এফ’ গ্রুপে প্রথম ম্যাচ শেষে দুই দলেরই সংগ্রহ ১ পয়েন্ট। তবে ফলাফলের চেয়েও বেশি আলোচনায় জাপানের পারফরম্যান্স। বিশ্বকাপের শুরুতে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) দলগুলোও দারুণ ছন্দে রয়েছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে। কাতার ও জাপান পিছিয়ে পড়েও ড্র করেছে। ফলে বিশ্বমঞ্চে আবারও নিজেদের শক্ত অবস্থানের জানান দিচ্ছে এশিয়ার দলগুলো।
আর সেই ধারাবাহিকতার সবচেয়ে উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে রইল ডালাসের এই ম্যাচ। ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দল নেদারল্যান্ডসকে দুবার পিছিয়ে থেকেও রুখে দিয়ে জাপান যেন আবারও মনে করিয়ে দিল— বিশ্বকাপের মঞ্চে তাদের আর কোনোভাবেই ‘আন্ডারডগ’ বলা চলে না।

পর্তুগিজ এই কোচের মতে, কোনো ফাউল হয়ে থাকলে সেটি খেলা চলাকালীনই নির্ধারণ করা উচিত ছিল। গোল হওয়ার পর ভিডিও প্রযুক্তির সাহায্যে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে তা বাতিল করা ফুটবলের স্বাভাবিক ধারার সঙ্গে যায় না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
২ দিন আগে
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার পর এবার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার রেকর্ডও নিজের করে নিলেন লিওনেল মেসি। মিসরের বিপক্ষে ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট— দুটিই করেছেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তবে রেকর্ডগড়া এই ম্যাচেই পেনাল্টি মিস করে আরেকটি অনাকাঙ্ক্ষিত নজিরও গড়েছেন তিনি।
২ দিন আগে
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি তুলেছেন ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একাধিক সদস্য। তাদের অভিযোগ, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগের পর ফিফার নেওয়া সিদ্ধান্ত ফুটবলের ন্যায়বিচার ও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।
২ দিন আগে
অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধের নবম মিনিটে কর্নার থেকে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার জন লুকুমির একটি হেড বারে লেগে ফিরে আসলে কপাল পোড়ে লাতিন আমেরিকার দলটির। এরপর জামিন্টন ক্যাম্পাজের একটি জোরালো শট কোবেল আটকে দেন।
২ দিন আগে