
ক্রীড়া ডেস্ক

দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেই দারুণ সূচনা করেছে নরওয়ে। আর সেই প্রত্যাবর্তনের নায়ক কে হবেন, তা যেন আগে থেকেই লেখা ছিল। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই জোড়া গোল করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে নরওয়ে।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে পরিচিত হালান্ড এবারই প্রথম বিশ্বকাপের স্বাদ পেলেন। আর অভিষেক ম্যাচেই গোল করে নিজের আগমনী বার্তা জানিয়ে দিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। বলের দখল ও সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখানো ইউরোপের দলটি প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি পানিবিরতির ঠিক পরপরই, ২৮তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন হালান্ড। প্রতিপক্ষ রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আঘাত হানেন নরওয়েজিয়ান এই গোলমেশিন। ৪২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন হালান্ড। তার জোড়া গোলে বিরতিতে স্বস্তির লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে নরওয়ে। ম্যাচ জুড়ে দ্রুতগতির আক্রমণ ও কার্যকর ফিনিশিংয়ে ইরাকের রক্ষণকে চাপে রাখে তারা। সেই ধারাবাহিকতায় আরও দুটি গোল করে জয় নিশ্চিত করে নরওয়েজিয়ানরা।
ইরাক অবশ্য একবার গোলের দেখা পেলেও সেটি ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসেনি। নরওয়ের সংগঠিত ফুটবল ও আক্রমণভাগের গতির সামনে পুরো ম্যাচেই অসহায় ছিল এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
এই জয়ের মাধ্যমে গ্রুপ পর্বে তিনটি মূল্যবান পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্যও শক্ত বার্তা ছুড়ে দিয়েছে নরওয়ে। আর বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে হালান্ড প্রমাণ করলেন, ক্লাব ফুটবলের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চেও তিনি সমান ভয়ংকর।
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ, প্রথম দুটি গোল এবং দলের বড় জয়— আর্লিং হালান্ডের জন্য এর চেয়ে স্মরণীয় অভিষেক আর খুব বেশি ভালোভাবে লেখা সম্ভব ছিল না।

দীর্ঘ অপেক্ষার পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরেই দারুণ সূচনা করেছে নরওয়ে। আর সেই প্রত্যাবর্তনের নায়ক কে হবেন, তা যেন আগে থেকেই লেখা ছিল। বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই জোড়া গোল করেছেন ম্যানচেস্টার সিটির তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড। তার দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করেছে নরওয়ে।
বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা গোলদাতা হিসেবে পরিচিত হালান্ড এবারই প্রথম বিশ্বকাপের স্বাদ পেলেন। আর অভিষেক ম্যাচেই গোল করে নিজের আগমনী বার্তা জানিয়ে দিলেন ২৫ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে নরওয়ে। বলের দখল ও সুযোগ তৈরিতে স্পষ্ট আধিপত্য দেখানো ইউরোপের দলটি প্রথমার্ধেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়।
প্রথমার্ধের মাঝামাঝি পানিবিরতির ঠিক পরপরই, ২৮তম মিনিটে গোলের খাতা খোলেন হালান্ড। প্রতিপক্ষ রক্ষণকে ফাঁকি দিয়ে নিখুঁত ফিনিশে দলকে এগিয়ে দেন তিনি।
প্রথম গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও আঘাত হানেন নরওয়েজিয়ান এই গোলমেশিন। ৪২তম মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে দেন হালান্ড। তার জোড়া গোলে বিরতিতে স্বস্তির লিড নিয়ে মাঠ ছাড়ে নরওয়ে।
দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণের ধার বজায় রাখে নরওয়ে। ম্যাচ জুড়ে দ্রুতগতির আক্রমণ ও কার্যকর ফিনিশিংয়ে ইরাকের রক্ষণকে চাপে রাখে তারা। সেই ধারাবাহিকতায় আরও দুটি গোল করে জয় নিশ্চিত করে নরওয়েজিয়ানরা।
ইরাক অবশ্য একবার গোলের দেখা পেলেও সেটি ব্যবধান কমানো ছাড়া আর কোনো কাজে আসেনি। নরওয়ের সংগঠিত ফুটবল ও আক্রমণভাগের গতির সামনে পুরো ম্যাচেই অসহায় ছিল এশিয়ার প্রতিনিধিরা।
এই জয়ের মাধ্যমে গ্রুপ পর্বে তিনটি মূল্যবান পয়েন্ট তুলে নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্যও শক্ত বার্তা ছুড়ে দিয়েছে নরওয়ে। আর বিশ্বকাপের অভিষেক ম্যাচেই জোড়া গোল করে হালান্ড প্রমাণ করলেন, ক্লাব ফুটবলের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চেও তিনি সমান ভয়ংকর।
বিশ্বকাপে নিজের প্রথম ম্যাচ, প্রথম দুটি গোল এবং দলের বড় জয়— আর্লিং হালান্ডের জন্য এর চেয়ে স্মরণীয় অভিষেক আর খুব বেশি ভালোভাবে লেখা সম্ভব ছিল না।

বিশ্বকাপে এর আগে কখনো নকআউট পর্বে জয়ের স্বাদ পায়নি নরওয়ে। ১৯৩৮ ও ১৯৯৮— দুবারই বিদায় নিতে হয়েছিল ইতালির কাছে। এবার ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেই সে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে শেষ ষোলোতে উঠেছে ইউরোপের দলটি। অন্যদিকে আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আইভরি কোস্ট আরেকটি সাহসী লড়াই উপহার দিলেও বিদা
৯ ঘণ্টা আগে
হারারের টেস্ট হয়ে থাকল জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট ইতিহাসের এক স্মরণীয় অধ্যায়। নিজেদের টেস্ট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে স্বাগতিকরা, আর সেই রেকর্ড গড়ার দিনে অসহায় আত্মসমর্পণ করেছে বাংলাদেশ।
১ দিন আগে
মন্টেরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে শুরুতে কোডি গাকপোর গোলে লিড নেয় নেদারল্যান্ডস। তবে নির্ধারিত সময়ের একদম শেষ মুহূর্তে (৯০ মিনিটে) ইসা দিওপের দুর্দান্ত গোলে সমতায় ফেরে মরক্কো। অতিরিক্ত সময়েও আর কোনো গোল না হওয়ায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে।
১ দিন আগে
যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
১ দিন আগে