
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের নাটকীয় ২-১ গোলের হারের মধ্য দিয়েই শেষ হলো নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।
৩৪ বছর বয়সী নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করলেন। ২০১০ সালে সিনিয়র দলে অভিষেকের পর ১২৯ ম্যাচে ৮০ গোল করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ। দুটি অলিম্পিকেও প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্রাজিলকে। এর মধ্যে ২০১২ সালে জিতেছিলেন রৌপ্য পদক, আর ২০১৬ সালে নিজ দেশের মাটিতে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে এনে দেন ঐতিহাসিক অলিম্পিক স্বর্ণপদক।
২০২৬ বিশ্বকাপে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না নেইমার। তাই গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষেও বদলি হিসেবে খেলেন এবং যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে টুর্নামেন্টে নিজের একমাত্র গোলটি করেন। তবে সেই গোলও ব্রাজিলকে হার এড়াতে পারেনি। আর্লিং হাল্যান্ডের নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান নেইমার।
নেইমারের বিদায়ের ঘোষণার পর বিশ্ব ফুটবলের অনেক কিংবদন্তিই তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ফ্রান্সের সাবেক তারকা থিয়েরি অঁরি বলেন, ‘ধন্যবাদ। এই এমন একজন ফুটবলার, যার খেলা দেখার জন্য আমি টিকিট কেটে মাঠে যেতাম। আমি তার শেষ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে চাই না, বরং তিনি ফুটবলকে কী দিয়েছেন, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যেভাবে খেলতেন, যেভাবে গোল করতেন, তার হাসি, তার দক্ষতা— সব মিলিয়ে অসংখ্য মানুষকে ফুটবলের প্রেমে ফেলেছেন।’
অঁরি আরও বলেন, ‘প্রতিটি তরুণই নেইমারের মতো হতে চাইত। সে খেলাটাকেই বদলে দিয়েছিল। নেইমার ছিলেন এবং সবসময়ই একজন অসাধারণ ফুটবলার থাকবেন। তিনি ফুটবলকে যা দিয়েছেন, তার জন্য তাকে ধন্যবাদ।’
সুইডেনের কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। তার ভাষায়, ‘ইউরোপে আসার আগেই ব্রাজিলে নেইমার নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছিল। বার্সেলোনায় সে দারুণ খেলেছে, পিএসজিতেও সফল ছিল। যদিও অনেকেই মনে করবেন, সে আরও বেশি কিছু অর্জন করতে পারত। সবাই চেয়েছিল সে ব্যালন ডি’অর জিতুক, কিন্তু সেটা হয়নি। তবু সে ছিল অসাধারণ প্রতিভাবান একজন ফুটবলার। তার স্কিল ছিল অবিশ্বাস্য। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি দুঃখের মুহূর্ত।’
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা ছিলেন নেইমার। গোল, অ্যাসিস্ট, শৈল্পিক ড্রিবল আর অনন্য দক্ষতায় তিনি বিশ্ব ফুটবলে তৈরি করেছেন নিজের আলাদা পরিচয়।
এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়ার ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলটিই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ গোল হয়ে থাকল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও ব্রাজিলের জার্সিতে তার অবদান এবং অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত ফুটবলপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে।

বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের নাটকীয় ২-১ গোলের হারের মধ্য দিয়েই শেষ হলো নেইমারের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার। শেষ ষোলো থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর জাতীয় দলকে বিদায় জানানোর ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম সেরা এই ফুটবলার।
৩৪ বছর বয়সী নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবেই আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করলেন। ২০১০ সালে সিনিয়র দলে অভিষেকের পর ১২৯ ম্যাচে ৮০ গোল করেছেন তিনি। জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন চারটি বিশ্বকাপ। দুটি অলিম্পিকেও প্রতিনিধিত্ব করেছেন ব্রাজিলকে। এর মধ্যে ২০১২ সালে জিতেছিলেন রৌপ্য পদক, আর ২০১৬ সালে নিজ দেশের মাটিতে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে এনে দেন ঐতিহাসিক অলিম্পিক স্বর্ণপদক।
২০২৬ বিশ্বকাপে পুরোপুরি ফিট ছিলেন না নেইমার। তাই গ্রুপ পর্বে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বদলি হিসেবে মাঠে নামেন। শেষ ষোলোতে নরওয়ের বিপক্ষেও বদলি হিসেবে খেলেন এবং যোগ করা সময়ে পেনাল্টি থেকে টুর্নামেন্টে নিজের একমাত্র গোলটি করেন। তবে সেই গোলও ব্রাজিলকে হার এড়াতে পারেনি। আর্লিং হাল্যান্ডের নরওয়ের কাছে ২-১ ব্যবধানে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। এরপরই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত জানান নেইমার।
নেইমারের বিদায়ের ঘোষণার পর বিশ্ব ফুটবলের অনেক কিংবদন্তিই তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ফ্রান্সের সাবেক তারকা থিয়েরি অঁরি বলেন, ‘ধন্যবাদ। এই এমন একজন ফুটবলার, যার খেলা দেখার জন্য আমি টিকিট কেটে মাঠে যেতাম। আমি তার শেষ বিশ্বকাপ নিয়ে কথা বলতে চাই না, বরং তিনি ফুটবলকে কী দিয়েছেন, সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যেভাবে খেলতেন, যেভাবে গোল করতেন, তার হাসি, তার দক্ষতা— সব মিলিয়ে অসংখ্য মানুষকে ফুটবলের প্রেমে ফেলেছেন।’
অঁরি আরও বলেন, ‘প্রতিটি তরুণই নেইমারের মতো হতে চাইত। সে খেলাটাকেই বদলে দিয়েছিল। নেইমার ছিলেন এবং সবসময়ই একজন অসাধারণ ফুটবলার থাকবেন। তিনি ফুটবলকে যা দিয়েছেন, তার জন্য তাকে ধন্যবাদ।’
সুইডেনের কিংবদন্তি জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচও প্রশংসায় ভাসিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। তার ভাষায়, ‘ইউরোপে আসার আগেই ব্রাজিলে নেইমার নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছিল। বার্সেলোনায় সে দারুণ খেলেছে, পিএসজিতেও সফল ছিল। যদিও অনেকেই মনে করবেন, সে আরও বেশি কিছু অর্জন করতে পারত। সবাই চেয়েছিল সে ব্যালন ডি’অর জিতুক, কিন্তু সেটা হয়নি। তবু সে ছিল অসাধারণ প্রতিভাবান একজন ফুটবলার। তার স্কিল ছিল অবিশ্বাস্য। ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের জন্য এটি নিঃসন্দেহে একটি দুঃখের মুহূর্ত।’
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ব্রাজিলের আক্রমণভাগের প্রাণভোমরা ছিলেন নেইমার। গোল, অ্যাসিস্ট, শৈল্পিক ড্রিবল আর অনন্য দক্ষতায় তিনি বিশ্ব ফুটবলে তৈরি করেছেন নিজের আলাদা পরিচয়।
এবারের বিশ্বকাপে নরওয়ের বিপক্ষে ব্রাজিলের বিদায় নেওয়ার ম্যাচে শেষ মুহূর্তের গোলটিই তার আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ গোল হয়ে থাকল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের ইতি টানলেও ব্রাজিলের জার্সিতে তার অবদান এবং অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত ফুটবলপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন অমলিন হয়ে থাকবে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বেতন নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে।
৩ দিন আগে
রোনালদোর সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন আর্সেনাল ও ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। একসময় মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার তারা একই প্রজেক্টে কাজ করবেন।
৩ দিন আগে
নতুন মৌসুমের সূচনা হবে স্প্যানিশ লা লিগা দিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধনী ম্যাচে আলাভেসের মুখোমুখি হবে গেতাফে।
৫ দিন আগে
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৭ দিন আগে