
ক্রীড়া ডেস্ক

চা বিরতির পর বাংলাদেশি বোলারদের মুখে প্রতিরোধ গড়েছিলেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের জুটি জমেও উঠেছিল। দিন শেষ হওয়ার আগে বাংলাদেশ নতুন বল নিলে বদলে যায় দৃশ্যপট। না পেসার নয়, নতুন বল নেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে তাইজুল ইসলাম অসাধারণ এক ডেলিভারিতে সালমানের রক্ষণ ভেঙে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলিয়ে বল আছড়ে ফেলেন স্টাম্পে। তাইজুলের পরের ওভারেই বড় টার্ন নেওয়া এক বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান আলী।
শেষ দুই ওভার রিজওয়ান আর সাজিদ আলী নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিলে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন এখনো ১২১ রান। পাকিস্তানকে ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর ৩ উইকেট।
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৯ মে) দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। দুই ওপেনার আজান আওয়াইজ আর আব্দুল্লাহ ফজল বড় জুটি গড়তে পারেননি। নাহিদ রানার বলে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে চমৎকার এক ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ২৮ বলে ৬ রান করা ফজল। পরে মিরাজের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ৪৯ বলে ২১ রান করা আজান।
অধিনাক শান মাসুদ আর বাবর আজমের প্রতিরোধে ২ উইকেট হারিয়েই মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় পাকিস্তান। বিরতির পরও দুজন প্রতিরোধ অব্যাহত রাখেন। প্রতিরোধ ভাঙেন তাইজুল। বাবর লেগের দিকে বেরিয়ে যাওয়ার মুখে ব্যাট চালালে বল তাতে আলতো স্পর্শ করে। উইকেটরক্ষক লিটন দাস বলের গতিবিধি বুঝে বাঁ দিকে সরে গিয়ে চমৎকার ক্যাচ নেন। ৫২ বলে ৪৭ রান করে ড্রেসিং রুমে ফেরেন বাবর, ভাঙে ৯২ রানের জুটি।
এরপর সাউদ শাকিল এসে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। ২১ বলে ৬ রান করে নাহিদ রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর আবার তাইজুলের আঘাত। এবার তিনি ফেরান অধিনায়ক শান মাসুদকে। তাইজুলের লেগ স্টাম্পে থাকা একটি বল লেগের দিকে খেলার চেষ্টা করেন শান। শর্ট লেগে দাঁড়ানো মাহমুদুল হাসান জয় অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় নিচু হয়ে আসা বলটিতে তালুবন্দি করলে পাকিস্তানি অধিনায়কের ১১৬ বলে ৭১ রানের প্রতিরোধ শেষ হয়।
চা বিরতি পর্যন্ত আর কোনো বিপদ হতে দেননি রিজওয়ান-সালমান। চা বিরতির পরও চমৎকার জুটি গড়ে পাকিস্তানকে রেকর্ড জয়ের পথে এগিয়ে নিতে থাকেন দুজন। ৫ উইকেটেই পাকিস্তান যখন দিন শেষ করবে মনে হচ্ছিল, সেই সময়ে তাইজুলের জোড়া আঘাত ফের পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। সালমানকে বোল্ড করে প্রথমে তিনি ভেঙেছেন ১৩৪ রানের জুটি, যা এই টেস্টে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ। থিতু হতে দেননি হাসান আলীকেও।
দিনের খেলা যখন শেষ হয়, রিজওয়ান তখনো অপরাজিত ১৩৪ বলে ৭৫ রান করে। অপর প্রান্তে ৯ বলে ৮ রান করে অপরাজিত সাজিদ। ৩১ ওভারে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার তাইজুল। ১৪ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। বাকি একটি উইকেট নিয়েছেন মিরাজ।
পঞ্চম দিনে গড়ানো সিলেট টেস্টে এখন পাকিস্তানের জন্য প্রয়োজন আরও ১২১ রান। এই রান তাড়া করতে পাকিস্তানকে গড়তে হবে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করে টেস্ট জয়ের নতুন রেকর্ড। এদিকে বাংলাদেশ বাকি ৩ উইকেট তুলে নিতে পারলেই পাবে জয়, পাকিস্তান ব্যাক-টু-ব্যাক টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হবে বাংলাদেশের কাছে। কেবল বিশ্বরেকর্ডের জন্যই নয়, রিজওয়ান ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার উইকেটে না থাকায় ম্যাচের পাল্লা বাংলাদেশের দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

চা বিরতির পর বাংলাদেশি বোলারদের মুখে প্রতিরোধ গড়েছিলেন সালমান আগা ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দুজনের জুটি জমেও উঠেছিল। দিন শেষ হওয়ার আগে বাংলাদেশ নতুন বল নিলে বদলে যায় দৃশ্যপট। না পেসার নয়, নতুন বল নেওয়ার পর দ্বিতীয় ওভারে তাইজুল ইসলাম অসাধারণ এক ডেলিভারিতে সালমানের রক্ষণ ভেঙে ব্যাট-প্যাডের ফাঁক গলিয়ে বল আছড়ে ফেলেন স্টাম্পে। তাইজুলের পরের ওভারেই বড় টার্ন নেওয়া এক বলে স্লিপে নাজমুল হোসেন শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন হাসান আলী।
শেষ দুই ওভার রিজওয়ান আর সাজিদ আলী নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিলে ৭ উইকেটে ৩১৬ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে পাকিস্তান। জয়ের জন্য তাদের প্রয়োজন এখনো ১২১ রান। পাকিস্তানকে ব্যাক-টু-ব্যাক সিরিজে হোয়াইট ওয়াশ করতে বাংলাদেশের প্রয়োজন আর ৩ উইকেট।
৪৩৭ রানের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (১৯ মে) দিনের খেলা শুরু করে পাকিস্তান। দুই ওপেনার আজান আওয়াইজ আর আব্দুল্লাহ ফজল বড় জুটি গড়তে পারেননি। নাহিদ রানার বলে মেহেদি হাসান মিরাজের হাতে চমৎকার এক ক্যাচে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ২৮ বলে ৬ রান করা ফজল। পরে মিরাজের বলে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে পড়েন ৪৯ বলে ২১ রান করা আজান।
অধিনাক শান মাসুদ আর বাবর আজমের প্রতিরোধে ২ উইকেট হারিয়েই মধ্যাহ্নবিরতিতে যায় পাকিস্তান। বিরতির পরও দুজন প্রতিরোধ অব্যাহত রাখেন। প্রতিরোধ ভাঙেন তাইজুল। বাবর লেগের দিকে বেরিয়ে যাওয়ার মুখে ব্যাট চালালে বল তাতে আলতো স্পর্শ করে। উইকেটরক্ষক লিটন দাস বলের গতিবিধি বুঝে বাঁ দিকে সরে গিয়ে চমৎকার ক্যাচ নেন। ৫২ বলে ৪৭ রান করে ড্রেসিং রুমে ফেরেন বাবর, ভাঙে ৯২ রানের জুটি।
এরপর সাউদ শাকিল এসে বেশিক্ষণ থিতু হতে পারেননি। ২১ বলে ৬ রান করে নাহিদ রানার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। এরপর আবার তাইজুলের আঘাত। এবার তিনি ফেরান অধিনায়ক শান মাসুদকে। তাইজুলের লেগ স্টাম্পে থাকা একটি বল লেগের দিকে খেলার চেষ্টা করেন শান। শর্ট লেগে দাঁড়ানো মাহমুদুল হাসান জয় অসাধারণ ক্ষিপ্রতায় নিচু হয়ে আসা বলটিতে তালুবন্দি করলে পাকিস্তানি অধিনায়কের ১১৬ বলে ৭১ রানের প্রতিরোধ শেষ হয়।
চা বিরতি পর্যন্ত আর কোনো বিপদ হতে দেননি রিজওয়ান-সালমান। চা বিরতির পরও চমৎকার জুটি গড়ে পাকিস্তানকে রেকর্ড জয়ের পথে এগিয়ে নিতে থাকেন দুজন। ৫ উইকেটেই পাকিস্তান যখন দিন শেষ করবে মনে হচ্ছিল, সেই সময়ে তাইজুলের জোড়া আঘাত ফের পাকিস্তানকে ব্যাকফুটে ঠেলে দিয়েছে। সালমানকে বোল্ড করে প্রথমে তিনি ভেঙেছেন ১৩৪ রানের জুটি, যা এই টেস্টে পাকিস্তানের পক্ষে সর্বোচ্চ। থিতু হতে দেননি হাসান আলীকেও।
দিনের খেলা যখন শেষ হয়, রিজওয়ান তখনো অপরাজিত ১৩৪ বলে ৭৫ রান করে। অপর প্রান্তে ৯ বলে ৮ রান করে অপরাজিত সাজিদ। ৩১ ওভারে ১১৩ রানে ৪ উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা বোলার তাইজুল। ১৪ ওভারে ৫৮ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন নাহিদ। বাকি একটি উইকেট নিয়েছেন মিরাজ।
পঞ্চম দিনে গড়ানো সিলেট টেস্টে এখন পাকিস্তানের জন্য প্রয়োজন আরও ১২১ রান। এই রান তাড়া করতে পাকিস্তানকে গড়তে হবে চতুর্থ ইনিংসে রান তাড়া করে টেস্ট জয়ের নতুন রেকর্ড। এদিকে বাংলাদেশ বাকি ৩ উইকেট তুলে নিতে পারলেই পাবে জয়, পাকিস্তান ব্যাক-টু-ব্যাক টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হবে বাংলাদেশের কাছে। কেবল বিশ্বরেকর্ডের জন্যই নয়, রিজওয়ান ছাড়া পাকিস্তানের আর কোনো স্বীকৃত ব্যাটার উইকেটে না থাকায় ম্যাচের পাল্লা বাংলাদেশের দিকেই ঝুঁকে রয়েছে।

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বেতন নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে।
৩ দিন আগে
রোনালদোর সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন আর্সেনাল ও ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। একসময় মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার তারা একই প্রজেক্টে কাজ করবেন।
৪ দিন আগে
নতুন মৌসুমের সূচনা হবে স্প্যানিশ লা লিগা দিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধনী ম্যাচে আলাভেসের মুখোমুখি হবে গেতাফে।
৫ দিন আগে
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৭ দিন আগে