
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর দেশটি জানিয়েছে, তারা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচটি খেলবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইল ও এক্স হ্যান্ডেলে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার বলেছে, বহুপাক্ষিক আলোচনা ও বন্ধু দেশগুলোর অনুরোধের পর পাকিস্তান সরকার আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে জানাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে। ক্রিকেটের স্পিরিটকে রক্ষা করা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলো ও বিশ্ব ক্রীড়ার নিরবচ্ছিন্নতার সমর্থনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত্যাশা করে সব সদস্য দেশ আইসিসি ইভেন্টে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেন সফল হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে বলেও জানিয়েছে আইসিসি।
এর আগে সোমবার আইসিসির ডিরেক্টর ইমরান খাজা ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে যান। তারা পাকিস্তান বোর্ডের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। এসব আলোচনায় বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বাদ পড়াসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তান সরকার বিবৃতিতে বলেছে, আইসিসি পরিচালক ও বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলোচনার ফাঁকে শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানের সঙ্গে পিসিবি সভাপতির টেলিফোনে আলাপ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রিকেট বোর্ডও পাকিস্তানকে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে। সব মিলিয়েই ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে তারা ম্যাচ বয়কট করছে না।
বিশ্বকাপ শুরুর দুই সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ জানিয়েছিল, তারা নিরাপত্তার কথা ভেবে ভারতে তাদের ম্যাচ খেলবে না। বাংলাদেশের সব ম্যাচ শ্রীলংকায় স্থানান্তরের অনুরোধ জানায় বিসিবি। কিন্তু আইসিসি সে অনুরোধে সাড়া দেয়নি। বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
ওই সময় পাকিস্তান সমর্থন জানায় বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ বয়কট করবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে তার বিপুল আর্থিক প্রভাব পড়ত। তার প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের ওপরে পড়ত এবং আইসিসি ও তার সদস্য সব দেশের ওপরও পড়ত।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও আমিরাত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ করেছিল। সোমবার বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও বলেছিলেন, ক্রিকেটের ইকোসিস্টেমের জন্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া দরকার।
পরে সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট আনুরা দিশানায়েকের মধ্যে ফোনে কথা হয়। শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট এ সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন অচলাবস্থা কাটাতে উদ্যোগ নেন। আইসিসি-ও জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য তারা কোনো শাস্তি দেবে না। তাদের পরে আইসিসি টুর্নামেন্ট দেওয়া হবে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতের সঙ্গে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পর দেশটি জানিয়েছে, তারা আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠেয় ম্যাচটি খেলবে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাতে পাকিস্তান সরকার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে। পাকিস্তান সরকারের অফিশিয়াল ফেসবুক প্রোফাইল ও এক্স হ্যান্ডেলে এ বিবৃতি প্রকাশ করা হয়েছে।
পাকিস্তান সরকার বলেছে, বহুপাক্ষিক আলোচনা ও বন্ধু দেশগুলোর অনুরোধের পর পাকিস্তান সরকার আগের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে জানাচ্ছে, পাকিস্তান ক্রিকেট আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের নির্ধারিত ম্যাচে মাঠে নামবে। ক্রিকেটের স্পিরিটকে রক্ষা করা এবং অংশগ্রহণকারী দেশগুলো ও বিশ্ব ক্রীড়ার নিরবচ্ছিন্নতার সমর্থনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আইসিসি জানিয়েছে, তারা প্রত্যাশা করে সব সদস্য দেশ আইসিসি ইভেন্টে অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ যেন সফল হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছু করবে বলেও জানিয়েছে আইসিসি।
এর আগে সোমবার আইসিসির ডিরেক্টর ইমরান খাজা ও বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম লাহোরে যান। তারা পাকিস্তান বোর্ডের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। এসব আলোচনায় বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বাদ পড়াসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।
পাকিস্তান সরকার বিবৃতিতে বলেছে, আইসিসি পরিচালক ও বিসিবি সভাপতির সঙ্গে আলোচনার ফাঁকে শ্রীলংকা ক্রিকেট বোর্ডের প্রধানের সঙ্গে পিসিবি সভাপতির টেলিফোনে আলাপ হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রিকেট বোর্ডও পাকিস্তানকে ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের অনুরোধ জানিয়েছে। সব মিলিয়েই ক্রিকেটের বৃহত্তর স্বার্থে তারা ম্যাচ বয়কট করছে না।
বিশ্বকাপ শুরুর দুই সপ্তাহ আগে বাংলাদেশ জানিয়েছিল, তারা নিরাপত্তার কথা ভেবে ভারতে তাদের ম্যাচ খেলবে না। বাংলাদেশের সব ম্যাচ শ্রীলংকায় স্থানান্তরের অনুরোধ জানায় বিসিবি। কিন্তু আইসিসি সে অনুরোধে সাড়া দেয়নি। বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে নিয়ে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ।
ওই সময় পাকিস্তান সমর্থন জানায় বাংলাদেশকে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ জানান, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচ বয়কট করবে পাকিস্তান ক্রিকেট দল।
ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ না হলে তার বিপুল আর্থিক প্রভাব পড়ত। তার প্রতিক্রিয়া পাকিস্তানের ওপরে পড়ত এবং আইসিসি ও তার সদস্য সব দেশের ওপরও পড়ত।
পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বাংলাদেশ ও আমিরাত পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডকে সিদ্ধান্ত বদলের অনুরোধ করেছিল। সোমবার বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলও বলেছিলেন, ক্রিকেটের ইকোসিস্টেমের জন্য ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হওয়া দরকার।
পরে সোমবার সন্ধ্যায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট আনুরা দিশানায়েকের মধ্যে ফোনে কথা হয়। শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট এ সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন অচলাবস্থা কাটাতে উদ্যোগ নেন। আইসিসি-ও জানিয়ে দেয়, বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ না খেলার জন্য তারা কোনো শাস্তি দেবে না। তাদের পরে আইসিসি টুর্নামেন্ট দেওয়া হবে।

এবার আর প্যারিসে নয়, ইংল্যান্ডের লন্ডনে অনুষ্ঠিত হবে ব্যালন ডি’অরের ৭০তম আসর। আগামী ২৬ অক্টোবর অনুষ্ঠানে ২০২৫-২৬ মৌসুমের সেরা ফুটবলার, কোচ ও ক্লাবদের পুরস্কৃত করা হবে।
৭ দিন আগে
ফিফার নিষেধাজ্ঞার মূল কারণ ছিল সাবেক খেলোয়াড় ও কোচদের পাওনা অর্থ পরিশোধ না করা। নিষেধাজ্ঞা কাটাতে ক্লাবগুলোকে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়, কোচ বা এজেন্টের সঙ্গে সমঝোতায় পৌঁছাতে হয় এবং বকেয়া অর্থ পরিশোধ করতে হয়। এরপর অর্থ পরিশোধের প্রমাণপত্রসহ প্রয়োজনীয় নথি ফিফার কাছে জমা দেওয়া হয়। ফিফা এসব নথি যাচাই করে সন্তু
৮ দিন আগে
দারুণ খেলেও শেষ পর্যন্ত পয়েন্টশূন্য মাঠ ছাড়তে হয়েছে রিয়াল মাদ্রিদকে। একের পর এক সুযোগ তৈরি করেও গোলের দেখা পায়নি জোসে মরিনিয়োর দল। উল্টো ম্যাচের শেষ দিকে গোল হজম করে রিয়াল বেতিসের কাছে ১-০ গোলে হেরে মৌসুমের প্রথম পরাজয়ের স্বাদ পেয়েছে তারা।
১০ দিন আগে
এই চুক্তিতে নির্ধারিত ট্রান্সফার ফি-র পাশাপাশি ভবিষ্যতে মার্তিনেলিকে অন্য কোনো ক্লাবে বিক্রি করা হলে তার প্রাপ্ত অর্থের একটি অংশ আর্সেনাল পাবে বলেও চুক্তি স্বাক্ষর শেষে নিশ্চিত করেছে সৌদি ক্লাবটি। এর আগে ২০১৭ সালে অক্সলেড-চেম্বারলিনকে লিভারপুলের কাছে বিক্রির সময় প্রাপ্ত অর্থই ছিল গানার্সদের ট্রান্সফ
১১ দিন আগে