
ক্রীড়া ডেস্ক

প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। হারারেতে শনিবার ৭ উইকেটের জয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে টাইগাররা। তবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
২০০১ সালের পর এই প্রথম জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে শেষ ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং— দুই বিভাগেই দারুণ পারফরম্যান্স করে সেই শঙ্কা কাটিয়ে উঠেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। এই জুটিই মূলত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬৯ রান করে চিবাঙ্গার বলে বোল্ড হওয়ার আগে বাংলাদেশকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে যান।
এরপর পুরো মনোযোগ ছিল তানজিদের শতক নিয়ে। দল জয়ের একেবারে কাছে পৌঁছে গেলে নাজমুল হোসেন শান্ত ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ওভার মেডেন খেলেন, যাতে তানজিদ পরের ওভারে স্ট্রাইক পান এবং শতকের সুযোগ পান।
বাংলাদেশের জয়ের জন্য যখন মাত্র ৩ রান প্রয়োজন, তখন তানজিদের সেঞ্চুরির জন্য দরকার ছিল একটি ছক্কা। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসটি বাংলাদেশকে জয়ের ভিত গড়ে দেয়।
একই ওভারে আউট হন তাওহিদ হৃদয়ও। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত প্রয়োজনীয় ৩ রান তুলে দলের ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। তাঁর সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন নুরুল হাসান।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। শেষদিকে ক্লাইভ ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ১৯৯ রান তোলে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন শরীফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন বাঁহাতি এই পেসার। তাসকিন আহমেদ, তানভীর ইসলাম ও সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট পান।
শুরুতেই জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ ওভারে শরীফুল ইসলামের বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারেন। ডিফেন্স করতে গিয়ে বলটি ধীরে স্টাম্পে আঘাত করে বেইল ফেলে দেয়।
পরের ওভারেই তাসকিন আহমেদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন ব্রায়ান বেনেট। এরপর ক্রেইগ আরভিনকেও ফিরিয়ে দেন শরীফুল।
৩ উইকেটে ২৭ রান হারানোর পর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। তবে ২৭তম ওভারে তাসকিনকে ফিরিয়ে এনে সেই জুটি ভাঙেন মিরাজ। কাইয়া ২৭ রান করে তানভীর ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন।
এরপর সিকান্দার রাজাও সুবিধা করতে পারেননি। তানভীর ইসলামের ধীরগতির বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। রাজা করেন ২৫ বলে ১১ রান। পরের ওভারেই শরীফুল ফেরান মাধানদেকেকে।
মাঝে নিয়মিত উইকেট হারালেও একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন মাধেভেরে। তাঁর ৭৫ রানের ইনিংসই জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিল। শেষদিকে ইভান্স ৪৩ বলে ফিফটি করে দলকে ২০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান।
সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেলেও শেষ ম্যাচের জয় কিছুটা স্বস্তি এনে দিল বাংলাদেশকে। আগামী ১৫ জুলাই একই ভেন্যুতে শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তাই তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। হারারেতে শনিবার ৭ উইকেটের জয়ে সেই লক্ষ্য পূরণ করেছে টাইগাররা। তবে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে জিতেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।
২০০১ সালের পর এই প্রথম জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছিল বাংলাদেশের সামনে। তবে শেষ ম্যাচে ব্যাটিং ও বোলিং— দুই বিভাগেই দারুণ পারফরম্যান্স করে সেই শঙ্কা কাটিয়ে উঠেছে মেহেদী হাসান মিরাজের দল।
জিম্বাবুয়ের দেওয়া ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটিতে ১৫১ রান যোগ করেন সৌম্য সরকার ও তানজিদ হাসান। এই জুটিই মূলত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
সৌম্য সরকার ৮২ বলে ৬৯ রান করে চিবাঙ্গার বলে বোল্ড হওয়ার আগে বাংলাদেশকে জয়ের খুব কাছাকাছি নিয়ে যান।
এরপর পুরো মনোযোগ ছিল তানজিদের শতক নিয়ে। দল জয়ের একেবারে কাছে পৌঁছে গেলে নাজমুল হোসেন শান্ত ইচ্ছাকৃতভাবে একটি ওভার মেডেন খেলেন, যাতে তানজিদ পরের ওভারে স্ট্রাইক পান এবং শতকের সুযোগ পান।
বাংলাদেশের জয়ের জন্য যখন মাত্র ৩ রান প্রয়োজন, তখন তানজিদের সেঞ্চুরির জন্য দরকার ছিল একটি ছক্কা। কিন্তু বড় শট খেলতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে আউট হন তিনি। তাঁর ইনিংসটি বাংলাদেশকে জয়ের ভিত গড়ে দেয়।
একই ওভারে আউট হন তাওহিদ হৃদয়ও। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত প্রয়োজনীয় ৩ রান তুলে দলের ৭ উইকেটের জয় নিশ্চিত করেন। তাঁর সঙ্গে অপরাজিত ছিলেন নুরুল হাসান।
এর আগে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে বড় সংগ্রহ গড়তে দেয়নি বাংলাদেশের বোলাররা। যদিও এক প্রান্ত আগলে রেখে ৭৪ বলে ৭৫ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন ওয়েসলি মাধেভেরে। শেষদিকে ক্লাইভ ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ১৯৯ রান তোলে স্বাগতিকরা।
বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন শরীফুল ইসলাম। ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে ৪টি উইকেট নেন বাঁহাতি এই পেসার। তাসকিন আহমেদ, তানভীর ইসলাম ও সাইফউদ্দিন একটি করে উইকেট পান।
শুরুতেই জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলে বাংলাদেশ। ষষ্ঠ ওভারে শরীফুল ইসলামের বলে দুর্ভাগ্যজনকভাবে বোল্ড হন আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান বেন কারেন। ডিফেন্স করতে গিয়ে বলটি ধীরে স্টাম্পে আঘাত করে বেইল ফেলে দেয়।
পরের ওভারেই তাসকিন আহমেদের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে উইকেটরক্ষক নুরুল হাসানের হাতে ক্যাচ দেন ব্রায়ান বেনেট। এরপর ক্রেইগ আরভিনকেও ফিরিয়ে দেন শরীফুল।
৩ উইকেটে ২৭ রান হারানোর পর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ওয়েসলি মাধেভেরে ৫১ রানের জুটি গড়ে জিম্বাবুয়েকে কিছুটা স্বস্তি এনে দেন। তবে ২৭তম ওভারে তাসকিনকে ফিরিয়ে এনে সেই জুটি ভাঙেন মিরাজ। কাইয়া ২৭ রান করে তানভীর ইসলামের হাতে ক্যাচ দেন।
এরপর সিকান্দার রাজাও সুবিধা করতে পারেননি। তানভীর ইসলামের ধীরগতির বলে পুল করতে গিয়ে শর্ট ফাইন লেগে সাইফউদ্দিনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। রাজা করেন ২৫ বলে ১১ রান। পরের ওভারেই শরীফুল ফেরান মাধানদেকেকে।
মাঝে নিয়মিত উইকেট হারালেও একপ্রান্তে অবিচল ছিলেন মাধেভেরে। তাঁর ৭৫ রানের ইনিংসই জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ের মূল ভরসা ছিল। শেষদিকে ইভান্স ৪৩ বলে ফিফটি করে দলকে ২০০ রানের কাছাকাছি নিয়ে যান।
সিরিজে ২-১ ব্যবধানে হেরে গেলেও শেষ ম্যাচের জয় কিছুটা স্বস্তি এনে দিল বাংলাদেশকে। আগামী ১৫ জুলাই একই ভেন্যুতে শুরু হবে দুই দলের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে