
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) বাংলাদেশে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা নেই বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্পষ্ট করেছেন, কোনো দেশি চ্যানেল আইপিএল সম্প্রচারের আবেদন করলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী জানান, সরকার আইপিএল সম্প্রচারের বিষয়ে ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে আইপিএল দেখানোর ব্যাপারে কোনো আবেদন নিয়ে কেউ আসেনি। খেলাধুলা নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে চাই না। কোনো চ্যানেল যদি আইপিএল দেখানোর জন্য আমাদের কাছে আবেদন করে, আমরা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করব।’
স্টার স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশে আইপিএল দেখা গেলে সরকার বাধা দেবে না বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। তথ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা কাউকে বাধা দেব না। যদি দেখা যায়, যাবে। জোর করে কিছু করা হবে না।’
আগের অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া আইপিএল সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞার এখন আর কোনো কার্যকারিতা নেই বলে জানিয়েছেন ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম লাভলু। তিনি বলেন, ‘স্টার স্পোর্টসে যদি আইপিএল দেখা যায় তো যাবে। আমাদের কেউ এটা বন্ধ রাখতে বলেনি।’
এদিকে, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেলানো ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে দেশে আইপিএল সম্প্রচার সম্ভব নয় ভেবে ইতোমধ্যে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কারণে এখন নতুন করে কিছু ভাবার সুযোগ নেই।
মূলত উগ্রবাদীদের চাপ ও হুমকির মুখে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপরই আগের সরকার দেশে আইপিএল সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তখন তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।’
মুস্তাফিজ ইস্যুর পর একই নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল।

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) বাংলাদেশে সম্প্রচারের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের প্রশাসনিক প্রতিবন্ধকতা নেই বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন স্পষ্ট করেছেন, কোনো দেশি চ্যানেল আইপিএল সম্প্রচারের আবেদন করলে সরকার তা ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করবে।
জার্মান সংবাদমাধ্যম ডয়চে ভেলেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানান তিনি।
তথ্যমন্ত্রী জানান, সরকার আইপিএল সম্প্রচারের বিষয়ে ইতিবাচক। তিনি বলেন, ‘আমাদের কাছে আইপিএল দেখানোর ব্যাপারে কোনো আবেদন নিয়ে কেউ আসেনি। খেলাধুলা নিয়ে আমরা রাজনীতি করতে চাই না। কোনো চ্যানেল যদি আইপিএল দেখানোর জন্য আমাদের কাছে আবেদন করে, আমরা ইতিবাচকভাবেই বিবেচনা করব।’
স্টার স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশে আইপিএল দেখা গেলে সরকার বাধা দেবে না বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। তথ্যমন্ত্রীর ভাষ্য, ‘আমরা কাউকে বাধা দেব না। যদি দেখা যায়, যাবে। জোর করে কিছু করা হবে না।’
আগের অন্তর্বর্তী সরকারের দেওয়া আইপিএল সম্প্রচার নিষেধাজ্ঞার এখন আর কোনো কার্যকারিতা নেই বলে জানিয়েছেন ক্যাবল অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (কোয়াব) দপ্তর সম্পাদক রেজাউল করিম লাভলু। তিনি বলেন, ‘স্টার স্পোর্টসে যদি আইপিএল দেখা যায় তো যাবে। আমাদের কেউ এটা বন্ধ রাখতে বলেনি।’
এদিকে, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছেন। খেলাধুলার সঙ্গে রাজনীতি মেলানো ঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তবে দেশে আইপিএল সম্প্রচার সম্ভব নয় ভেবে ইতোমধ্যে পাকিস্তান সুপার লিগের (পিএসএল) সম্প্রচারস্বত্ব কেনা হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ কারণে এখন নতুন করে কিছু ভাবার সুযোগ নেই।
মূলত উগ্রবাদীদের চাপ ও হুমকির মুখে নিরাপত্তার অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (কেকেআর) থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। এরপরই আগের সরকার দেশে আইপিএল সম্প্রচারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। তখন তথ্য মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ‘ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের এহেন সিদ্ধান্তের কোনো যৌক্তিক কারণ জানা নেই এবং এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনগণকে ব্যথিত, মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ করেছে।’
মুস্তাফিজ ইস্যুর পর একই নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি বাংলাদেশ দল।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে