
ক্রীড়া ডেস্ক

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ও জুয়ার অভিযোগে ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদারসহ পাঁচজনকে বড় ধরনের শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) ৯০০ পৃষ্ঠার দীর্ঘ তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় একজন ক্রিকেটার, দুই জন টিম ম্যানেজার ও একজন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিককে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আরও একজনকে দেওয়া হয়েছে বহিষ্কারাদেশ।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মূলত জুয়ায় সম্পৃক্ততা, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং তদন্তকাজে অসহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে ক্রিকেটার অমিত মজুমদারকে ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণের (অনুচ্ছেদ ২.২.১) দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্তে ড্যাকোকে (ডিএসিসিও) সহযোগিতা না করা এবং তথ্য বা যোগাযোগের প্রমাণ মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীকে ম্যাচের ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস বা গোপন করার দায়ে।
অভিযুক্ত এই চার ব্যক্তিকে বর্তমানে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা অভিযোগের জবাব দেবেন। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের ওপর স্থগিতাদেশ স্থায়ী হবে।
অন্যদিকে বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসরে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র অধীনে বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দিতেন। অভিযুক্ত সামিনুর রহমান তার দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন।
বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) ফিক্সিং ও জুয়ার অভিযোগে ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদারসহ পাঁচজনকে বড় ধরনের শাস্তি দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি জানিয়েছে, বিসিবি ইনটেগ্রিটি ইউনিটের (বিসিবিআইইউ) ৯০০ পৃষ্ঠার দীর্ঘ তদন্ত প্রতিবেদনে দুর্নীতির প্রমাণ মেলায় একজন ক্রিকেটার, দুই জন টিম ম্যানেজার ও একজন ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিককে সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আরও একজনকে দেওয়া হয়েছে বহিষ্কারাদেশ।
বিসিবির বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিযুক্তরা আইসিসির দুর্নীতিবিরোধী বিধিমালার বিভিন্ন ধারা লঙ্ঘন করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মূলত জুয়ায় সম্পৃক্ততা, দুর্নীতির প্রস্তাব দেওয়া এবং তদন্তকাজে অসহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এর মধ্যে ক্রিকেটার অমিত মজুমদারকে ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজি ধরা বা বাজি গ্রহণের (অনুচ্ছেদ ২.২.১) দায়ে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমানের বিরুদ্ধে তদন্তে ড্যাকোকে (ডিএসিসিও) সহযোগিতা না করা এবং তথ্য বা যোগাযোগের প্রমাণ মুছে ফেলে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকীকে ম্যাচের ওপর বাজি ধরা বা বাজিতে অংশ নেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
ফ্র্যাঞ্চাইজির সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদকে অভিযুক্ত করা হয়েছে তদন্তে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানো এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ধ্বংস বা গোপন করার দায়ে।
অভিযুক্ত এই চার ব্যক্তিকে বর্তমানে সব ধরনের ক্রিকেটীয় কর্মকাণ্ড থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিসিবি জানিয়েছে, তাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য ১৪ দিন সময় দেওয়া হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে তারা অভিযোগের জবাব দেবেন। জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের ওপর স্থগিতাদেশ স্থায়ী হবে।
অন্যদিকে বিপিএলের নবম, দশম ও একাদশ আসরে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার দায়ে সামিনুর রহমান নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে ‘বিসিবি এক্সক্লুডেড পারসন পলিসি’র অধীনে বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়েছে। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি দেশি-বিদেশি বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে খেলোয়াড়দের দুর্নীতির প্রস্তাব দিতেন। অভিযুক্ত সামিনুর রহমান তার দোষ স্বীকার করে নিয়েছেন।
বিসিবি জানিয়েছে, ক্রিকেটে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুর্নীতির বিষয়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিসিবি এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে