আগামী ৭ জুন অনুষ্ঠেয় ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা পরিষদের নির্বাচনে অংশ নেবেন না মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। সোমবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিসিবি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই।
তিনি জানান, কাউন্সিলর হিসেবে শুধু ভোটাধিকার প্রয়োগ করেই ভূমিকা রাখতে চান।
ইশরাক বলেন, কাউন্সিলর হিসেবে আমি এখানে থাকব। কিন্তু আমার বিসিবির বোর্ড অথবা নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো কিছুর সাথে আমার কোনো সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং সংশ্লিষ্টতা নেই। নির্বাচনের সাথেও নেই। এটা তাদের প্রক্রিয়া তারা করবে। আমি একজন কাউন্সিলর হিসেবে সেদিন ভোটটা দিতে যাব।
আওয়ামী লীগ সরকারের দুই এমপি সাকিব আল হাসান এবং মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসের দুই বড় নাম হলেও এখন রাজনৈতিক কারণে তারা ক্রিকেটাঙ্গনে ফিরতে পারছে না। ইশরাকের মতে, সাকিব-মাশরাফীর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাগুলোর কোনো যুক্তি নেই। তবে ফিরতে হবে সাকিব-মাশরাফীর নিজেদেরই, নিজেদের জন্য লড়তে হবে বলেও জানান ইশরাক।
তিনি বলেন, তাদের যদি আসার ইচ্ছা থাকে তারা কি পদক্ষেপ নিয়েছে কি না? যদি আসতে চায় তাহলে জনগণের কাছে এক ধরনের অ্যাপোলজি করা উচিত এবং এরপরে সরকারের কাছে আবেদন করা উচিত। তারপরে সরকার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সরকার তো আগ বাড়িয়ে কাউকে আর নিয়ে আসতে পারে না।
গতকাল রবিবার (১৭ মে) প্রকাশিত হয়েছে এ নির্বাচনে মনোনীত কাউন্সিলরদের তালিকা। যাচাই-বাছাই শেষে এই মনোনীত কাউন্সিলরদের মধ্য থেকেই হবেন প্রার্থী এবং ভোটার। গতকাল বিসিবির প্রকাশিত ১৮৪ জন কাউন্সিলরের তালিকায় ছিলেন ইশরাক হোসেনও। ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব থেকে কাউন্সিলর মনোনয়ন পেয়েছেন তিনি। বিসিবির কাউন্সিলর তালিকা প্রকাশের একদিন পরই নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার কথা জানান।
রাজনীতি/এসআই












-3a49ad-256x144.webp)




