
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা নিশ্চিত করেছে বসুন্ধরা কিংস। শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবাহনী লিমিটেডকে ২-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। এটি কিংসের ষষ্ঠ শিরোপা। ম্যাচে গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ডরিয়েলটন গোমেজ এবং সোহেল রানা।
লিগের সতেরতম রাউন্ডে মুখোমুখি কিংস ও আবাহনী— দুই দলের জন্যই লড়াইটা ছিল লিগ শিরোপা উদ্ধারের মহারণ। সমীকরণ এমন ছিল যে, কিংস জিতলেই চ্যাম্পিয়ন। আর আবাহনী জিতলে টিকে থাকত সম্ভাবনা। তবে কিংস সে সুযোগ দেয়নি, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে করা দুই গোলে আবাহনীকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই লিগ শিরোপা নিশ্চিত করল দলটি।
২০১৮ সালে শীর্ষ লিগে নাম লেখানোর পর কিংস টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘরোয়া ফুটবলে করেছিল নতুন রেকর্ড। তবে গত মৌসুমে তাদের সেই শিরোপা ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহামেডান। এবার মোহামেডান আগেই ছিটকে যায় শিরোপার দৌড় থেকে।
শুক্রবার মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান নিয়ে কুমিল্লায় মুখোমুখি হয়েছিল কিংস ও আবাহনী। ম্যাচের শুরু থেকে খেলা ছিল সমানে সমান। ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছিল, ততই বাড়ছিল চাপ। তবে ৭৫তম মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় বসুন্ধরা কিংস। ডি-বক্সে ফাহিমকে ফেলে দেন আবাহনীর দুই ডিফেন্ডার। রেফারির বাঁশি বাজতেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত।
স্পট কিকে দায়িত্ব নেন ডরিয়েলটন গোমেজ। চাপের মুহূর্তেও ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। এরপরও থেমে থাকেনি বসুন্ধরা কিংস। মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সোহেল রানা। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার জোরালো শট প্রতিপক্ষের সব আশা শেষ করে দেয়।
শেষ বাঁশির অপেক্ষা তখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা। বাঁশি বাজতেই শুরু হয় শিরোপা উদযাপন। গ্যালারি থেকে নেমে আসেন সমর্থকরা। খেলোয়াড়দের ঘিরে চলে আবেগঘন উল্লাস— কেউ কাঁদছেন, কেউ জড়িয়ে ধরছেন, কেউ বা স্মরণীয় মুহূর্ত বন্দি করছেন মোবাইলে।
২-০ গোলের এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা নিশ্চিত করে বসুন্ধরা কিংস। এটি তাদের ষষ্ঠ লিগ শিরোপা। ১৭ ম্যাচ শেষে কিংসের সংগ্রহ ৩৮ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ফর্টিস এফসি ও আবাহনীর পয়েন্ট ৩৪। ফলে শেষ রাউন্ডের আগেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গেল।
ম্যাচের শেষ দিকে আবাহনী কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও এমেকার নেওয়া একটি একক শট বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি স্কোরলাইনে। শেষ পর্যন্ত দিনটি শুধুই বসুন্ধরা কিংসের— একটি শিরোপা উৎসবের দিন।

বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা নিশ্চিত করেছে বসুন্ধরা কিংস। শুক্রবার কুমিল্লার ভাষা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে লিগের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আবাহনী লিমিটেডকে ২-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে দলটি। এটি কিংসের ষষ্ঠ শিরোপা। ম্যাচে গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড ডরিয়েলটন গোমেজ এবং সোহেল রানা।
লিগের সতেরতম রাউন্ডে মুখোমুখি কিংস ও আবাহনী— দুই দলের জন্যই লড়াইটা ছিল লিগ শিরোপা উদ্ধারের মহারণ। সমীকরণ এমন ছিল যে, কিংস জিতলেই চ্যাম্পিয়ন। আর আবাহনী জিতলে টিকে থাকত সম্ভাবনা। তবে কিংস সে সুযোগ দেয়নি, ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে করা দুই গোলে আবাহনীকে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই লিগ শিরোপা নিশ্চিত করল দলটি।
২০১৮ সালে শীর্ষ লিগে নাম লেখানোর পর কিংস টানা পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন হয়ে ঘরোয়া ফুটবলে করেছিল নতুন রেকর্ড। তবে গত মৌসুমে তাদের সেই শিরোপা ছিনিয়ে নিয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহামেডান। এবার মোহামেডান আগেই ছিটকে যায় শিরোপার দৌড় থেকে।
শুক্রবার মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান নিয়ে কুমিল্লায় মুখোমুখি হয়েছিল কিংস ও আবাহনী। ম্যাচের শুরু থেকে খেলা ছিল সমানে সমান। ঘড়ির কাঁটা যত এগোচ্ছিল, ততই বাড়ছিল চাপ। তবে ৭৫তম মিনিটে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয় বসুন্ধরা কিংস। ডি-বক্সে ফাহিমকে ফেলে দেন আবাহনীর দুই ডিফেন্ডার। রেফারির বাঁশি বাজতেই পেনাল্টির সিদ্ধান্ত।
স্পট কিকে দায়িত্ব নেন ডরিয়েলটন গোমেজ। চাপের মুহূর্তেও ডান পায়ের নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। মুহূর্তেই উল্লাসে ফেটে পড়ে গ্যালারি। এরপরও থেমে থাকেনি বসুন্ধরা কিংস। মাত্র তিন মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সোহেল রানা। বক্সের ভেতর থেকে নেওয়া তার জোরালো শট প্রতিপক্ষের সব আশা শেষ করে দেয়।
শেষ বাঁশির অপেক্ষা তখন শুধু আনুষ্ঠানিকতা। বাঁশি বাজতেই শুরু হয় শিরোপা উদযাপন। গ্যালারি থেকে নেমে আসেন সমর্থকরা। খেলোয়াড়দের ঘিরে চলে আবেগঘন উল্লাস— কেউ কাঁদছেন, কেউ জড়িয়ে ধরছেন, কেউ বা স্মরণীয় মুহূর্ত বন্দি করছেন মোবাইলে।
২-০ গোলের এই জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই বাংলাদেশ ফুটবল লিগের শিরোপা নিশ্চিত করে বসুন্ধরা কিংস। এটি তাদের ষষ্ঠ লিগ শিরোপা। ১৭ ম্যাচ শেষে কিংসের সংগ্রহ ৩৮ পয়েন্ট। সমান ম্যাচে ফর্টিস এফসি ও আবাহনীর পয়েন্ট ৩৪। ফলে শেষ রাউন্ডের আগেই শিরোপা নিশ্চিত হয়ে গেল।
ম্যাচের শেষ দিকে আবাহনী কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলেও এমেকার নেওয়া একটি একক শট বারের ওপর দিয়ে চলে গেলে আর কোনো পরিবর্তন আসেনি স্কোরলাইনে। শেষ পর্যন্ত দিনটি শুধুই বসুন্ধরা কিংসের— একটি শিরোপা উৎসবের দিন।

বিশ্বকাপের ফেবারিট দুই দলের লড়াইয়ের কারণে এ ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ। তবে তা ছাপিয়ে এ ম্যাচ পরিণত হতে যাচ্ছে দুই বন্ধু— পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো আর ক্রোয়েশিয়ার লুকা মদ্রিচের বিশ্বকাপে শেষ সাক্ষাতের মঞ্চে। ফুটবলের সর্বোচ্চ আসরে এরপর যে আর সময়ের এই দুই মহাতারকার মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনাই নেই!
১৩ ঘণ্টা আগে
স্কালোনি বলেন, ‘এখনই শুরু আসল লড়াই। কেপ ভার্দে নকআউটে উঠেছে দেখে আমি অবাক হইনি। তারা প্রতিটি প্রতিপক্ষের জীবন কঠিন করে তুলেছে। তারা খুবই কঠিন দল এবং আমাদের জন্যও ম্যাচটা সহজ হবে না।’
১৯ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে ম্যাচ জমে ওঠে। প্রথমার্ধে অফসাইডের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোল বাতিল হলে কিছুটা হতাশ হতে হয় স্বাগতিক সমর্থকদের। তবে সেই ধাক্কা সামলে আক্রমণের ধার বাড়ায় তারা। অবশেষে বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে ভাসিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে ১-০ ব্যবধানে এগ
১ দিন আগে
৮৫ মিনিট পর্যন্ত লিড ধরে রেখে শেষ ষোলোর স্বপ্নে সমর্থকদের রাঙিয়ে রেখেছিল দলটি। সেখান থেকে রোমেলু লুকাকু আর ইয়োরি টিলেম্যান্সের তিন মিনিটের ম্যাজিকে ভর করে অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখল বেলজিয়াম। এরপর অতিরিক্ত সময়ে ‘বিতর্কিত’ এক পেনাল্টিতে সেনেগালকে কাঁদিয়ে ৩-২ ব্যবধানে জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলোতে
১ দিন আগে