
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টিনের শেষ ম্যাচে ঘানাকে হারিয়েছে কলম্বিয়া। এর মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে নকআউট ম্যাচে জয় পেল লাতিন আমেরিকার দলটি। ওই বছর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল কলম্বিয়া। শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডকে হারাতে পারলে ফের একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করবে তারা।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় কাসনাস সিটিতে মুখোমুখি হয়েছিল কলম্বিয়া ও ঘানা। সে ম্যাচেই আরিয়াসের একমাত্র গোলে ঘানাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ১৬তে পা রাখল হামেস রদ্রিগেসের দল।
ম্যাচে প্রথম সুযোগটি অবশ্য পেয়েছিল ঘানা। নিজেদের অর্ধে হামেস রদ্রিগেসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে থমাস পার্তেই দূরপাল্লার শট নেন। বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে গেলে গোল পাওয়া হয়নি ঘানার।
এর কয়েক মিনিট পরই বড় ধাক্কায় খায় কলম্বিয়া। অষ্টম মিনিটেই ঘানার ওপোকুর সঙ্গে সংঘর্ষে উরুর ভেতরের অংশে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন জন ডিফেন্ডার কর্দোবা। তার জায়গায় নামেন লুইস সুয়ারেজ।
অন্যদিকে দশম মিনিটে লুইস দিয়াজকে আটকাতে গিয়ে চোট পান ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া। কিছুক্ষণ খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ১৩তম মিনিটে তাকে তুলে আলিদু সাইদুকে নামাতে বাধ্য হন ঘানার কোচ। বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ১৫ মিনিটের মধ্যে দুই দলের দুজন খেলোয়াড়কে পরিবর্তনের এটিই প্রথম ঘটনা।
এরপর ম্যাচে লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি কলম্বিয়া। ১৪তম মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে লুইস সুয়ারেজ ক্রস করেন। সেটি সেমেনিও ব্লক করলে ফিরতি বলে ফের ক্রস করেন তিনি। এবার লুইস দিয়াজ হেড করলে তা দিক বদলে বলকে পৌঁছে দেয় ফার পোস্টের দিকে থাকা জোন আরিয়াসের কাছে। দারুণ শটে তিনি বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোল পেয়েও হাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে কলম্বিয়া। এর মধ্যে ঘানার গোলরক্ষক দারুণ দুটি সেভ করলে গোল হয়নি। হাইড্রেশন ব্রেকের পর ঘানাও আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। খেলার আধা ঘণ্টার দিকে সেমেনিওর দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন পুয়ের্তা। সে কর্নার থেকে অবশ্য গোল বের করতে পারেনি তারা।
বিপরীতে একের পর আক্রমণ আর গোলের সুযোগ তৈরি করে কলম্বিয়া। ৩৯তম মিনিটে লুইস দিয়াজের প্রথম শট অল্পের জন্য গোলবার মিস করে সাইড নেটে আঘাত করে। ইনজুরি টাইমে ড্যানিয়েল মুনিয়োজের নিখুঁত ক্রসে জোহান মোহিকা দুর্দান্ত হেড করলেও ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগির অতিমানবীয় সেভ গোলবঞ্চিত করে কলম্বিয়াকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার গতিবিধিতে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। একদিক থেকে কলম্বিয়া একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে। বিপরীতে ঘানা আক্রমণ ঠেকিয়ে কাউন্টার অ্যটাকে ফিরে আসতে চেয়েছে ম্যাচে।
তবে স্পষ্ট ও বড় সুযোগগুলো কলম্বিয়াই তৈরি করেছে। কখনো সামান্যের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া আর কখনো গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডারদের দারুণ দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত অবশ্য সুযোগ গোলে পরিণত হয়নি। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই ম্যাচ শেষ করেছে কলম্বিয়া। নিশ্চিত করেছে শেষ ষোলোতে নিজেদের অবস্থান।
এর মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের পর ফের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে কলম্বিয়া। সেখানে পৌঁছাতে শেষ ষোলোতে তাদের মুখোমুখি হতে হবে সুইজারল্যান্ডের। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে বাংলাদেশ সময় আগামী মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

বিশ্বকাপের রাউন্ড অব থার্টিনের শেষ ম্যাচে ঘানাকে হারিয়েছে কলম্বিয়া। এর মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপে নকআউট ম্যাচে জয় পেল লাতিন আমেরিকার দলটি। ওই বছর কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল কলম্বিয়া। শেষ ষোলোতে সুইজারল্যান্ডকে হারাতে পারলে ফের একই ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করবে তারা।
বাংলাদেশ সময় শনিবার (৪ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টায় কাসনাস সিটিতে মুখোমুখি হয়েছিল কলম্বিয়া ও ঘানা। সে ম্যাচেই আরিয়াসের একমাত্র গোলে ঘানাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ১৬তে পা রাখল হামেস রদ্রিগেসের দল।
ম্যাচে প্রথম সুযোগটি অবশ্য পেয়েছিল ঘানা। নিজেদের অর্ধে হামেস রদ্রিগেসের ভুল ক্লিয়ারেন্স থেকে বল পেয়ে থমাস পার্তেই দূরপাল্লার শট নেন। বল অল্পের জন্য পোস্টের বাইরে চলে গেলে গোল পাওয়া হয়নি ঘানার।
এর কয়েক মিনিট পরই বড় ধাক্কায় খায় কলম্বিয়া। অষ্টম মিনিটেই ঘানার ওপোকুর সঙ্গে সংঘর্ষে উরুর ভেতরের অংশে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন জন ডিফেন্ডার কর্দোবা। তার জায়গায় নামেন লুইস সুয়ারেজ।
অন্যদিকে দশম মিনিটে লুইস দিয়াজকে আটকাতে গিয়ে চোট পান ঘানার ডিফেন্ডার মারভিন সেনায়া। কিছুক্ষণ খেলা চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ১৩তম মিনিটে তাকে তুলে আলিদু সাইদুকে নামাতে বাধ্য হন ঘানার কোচ। বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচে ১৫ মিনিটের মধ্যে দুই দলের দুজন খেলোয়াড়কে পরিবর্তনের এটিই প্রথম ঘটনা।
এরপর ম্যাচে লিড নিতে বেশি সময় নেয়নি কলম্বিয়া। ১৪তম মিনিটে বাম প্রান্ত দিয়ে আক্রমণে উঠে লুইস সুয়ারেজ ক্রস করেন। সেটি সেমেনিও ব্লক করলে ফিরতি বলে ফের ক্রস করেন তিনি। এবার লুইস দিয়াজ হেড করলে তা দিক বদলে বলকে পৌঁছে দেয় ফার পোস্টের দিকে থাকা জোন আরিয়াসের কাছে। দারুণ শটে তিনি বল জালে জড়িয়ে কলম্বিয়াকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
গোল পেয়েও হাইড্রেশন ব্রেকের আগ পর্যন্ত একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে কলম্বিয়া। এর মধ্যে ঘানার গোলরক্ষক দারুণ দুটি সেভ করলে গোল হয়নি। হাইড্রেশন ব্রেকের পর ঘানাও আক্রমণে ওঠার চেষ্টা করে। খেলার আধা ঘণ্টার দিকে সেমেনিওর দূরপাল্লার শট কর্নারের বিনিময়ে রুখে দেন পুয়ের্তা। সে কর্নার থেকে অবশ্য গোল বের করতে পারেনি তারা।
বিপরীতে একের পর আক্রমণ আর গোলের সুযোগ তৈরি করে কলম্বিয়া। ৩৯তম মিনিটে লুইস দিয়াজের প্রথম শট অল্পের জন্য গোলবার মিস করে সাইড নেটে আঘাত করে। ইনজুরি টাইমে ড্যানিয়েল মুনিয়োজের নিখুঁত ক্রসে জোহান মোহিকা দুর্দান্ত হেড করলেও ঘানার গোলরক্ষক আতি জিগির অতিমানবীয় সেভ গোলবঞ্চিত করে কলম্বিয়াকে।
দ্বিতীয়ার্ধেও খেলার গতিবিধিতে খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। একদিক থেকে কলম্বিয়া একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে। বিপরীতে ঘানা আক্রমণ ঠেকিয়ে কাউন্টার অ্যটাকে ফিরে আসতে চেয়েছে ম্যাচে।
তবে স্পষ্ট ও বড় সুযোগগুলো কলম্বিয়াই তৈরি করেছে। কখনো সামান্যের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হওয়া আর কখনো গোলরক্ষক বা ডিফেন্ডারদের দারুণ দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত অবশ্য সুযোগ গোলে পরিণত হয়নি। তাতে ১-০ গোলের লিড নিয়েই ম্যাচ শেষ করেছে কলম্বিয়া। নিশ্চিত করেছে শেষ ষোলোতে নিজেদের অবস্থান।
এর মধ্য দিয়ে ২০১৪ সালের পর ফের বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন দেখছে কলম্বিয়া। সেখানে পৌঁছাতে শেষ ষোলোতে তাদের মুখোমুখি হতে হবে সুইজারল্যান্ডের। কানাডার ভ্যাঙ্কুভারে বাংলাদেশ সময় আগামী মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৪ দিন আগে
পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, কিছু রেফারিং সিদ্ধান্ত ম্যাচের গতিপথে প্রভাব ফেলেছে। তবে অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো যাচাইকৃত প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। আবেদনকারীরা পুরো বিষয়টি ফিফার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
৫ দিন আগে
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ জয়ের পর দেশে ফিরেই ব্যতিক্রমী সংবর্ধনা পেয়েছেন স্পেনের দুই তারকা ফুটবলার ফাবিয়ান রুইজ ও গাভি। নিজ শহরে তাদের ওজনের সমান টমেটো উপহার দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাদের সম্মানে শহরের দুটি ফুটবল স্টেডিয়ামের নামও পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
৬ দিন আগে
মেসির এই বক্তব্যের শেষ অংশই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ভিডিওতে সতীর্থদের উত্তেজিত মনে না হলেও প্রশ্ন উঠেছে, তিনি ঠিক কোন বিষয় ‘ভুলে যেতে’ বলেছিলেন।
৭ দিন আগে