
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের লিগ পর্বে কে কার মুখোমুখি হচ্ছে, তা জানা গেল। বৃহস্পতিবার মোনাকোয় অনুষ্ঠিত ৩৬ দলের ড্রয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) পেয়েছে বেশ কয়েকটি কঠিন প্রতিপক্ষ। রিয়াল মাদ্রিদ, আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ ও লিভারপুলের সূচিতেও রয়েছে বড় ম্যাচ।
নতুন কাঠামোর চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলবে। চারটি হবে নিজেদের মাঠে, বাকি চারটি প্রতিপক্ষের মাঠে। চারটি ভিন্ন সিডিং পট থেকে দুটি করে দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে প্রতিটি ক্লাব। একই দেশের দুটি দলকে পরস্পরের বিপক্ষে পড়তে দেওয়া হয়নি।
শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে পিএসজির সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি হবে বার্সেলোনার বিপক্ষে। লিগ পর্বে নিজেদের মাঠে খেলবে তারা। এরপর ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে যেতে হবে ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের। অ্যাওয়ে ম্যাচে আরও প্রতিপক্ষ অ্যাস্টন ভিলা ও নবাগত কোমো।
বার্সেলোনার মাঠে অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ভালোই করেছে পিএসজি। ২০১৭ সালের মার্চে ৬-১ গোলে হারের পর সেখানে খেলা সর্বশেষ তিন ম্যাচেই জিতেছে তারা। গত অক্টোবরের লিগ পর্বেও বার্সাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল পিএসজি।
পিএসজির ঘরের মাঠে আসবে রোমা, গালতাসারাই ও স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। লিগ পর্বের আট ম্যাচের শেষটি হবে কোমোর মাঠে।
গত মৌসুমের রানার্সআপ আর্সেনালের সামনেও অপেক্ষা করছে কঠিন সূচি। ঘরের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে খেলবে তারা। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল বেতিস, নাপোলি ও স্লাভিয়া প্রাহার মাঠে। ইংল্যান্ডের দলটির ঘরের আরেক প্রতিপক্ষ হবে নবাগত সাবাহ।
রিয়াল মাদ্রিদের সূচিতেও রয়েছে বড় ম্যাচ। ইন্টার মিলান ও পিএসভির বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলবে তারা। আর্সেনালের মাঠে যেতে হবে অ্যাওয়ে ম্যাচে। পাশাপাশি রোমা, লাইপজিগ, শাখতার দোনেৎস্ক, এলএএসকে ও এইকে এথেন্সও পড়েছে তাদের সূচিতে। শাখতার নিজেদের হোম ম্যাচগুলো খেলবে লন্ডনের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে।
দুই বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের শুরুটাও সহজ নয়। বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করবে। ১৯৯৯ সালের ঐতিহাসিক ফাইনালের পর দুই দলের পুরোনো স্মৃতিও আবার সামনে আসবে।
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনহোর জন্যও অপেক্ষা করছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। তাঁর দল ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হবে। ২০১০ সালে মরিনহোর কোচিংয়েই ইন্টার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল।
লিভারপুল তুলনামূলক স্বস্তির সূচি পেয়েছে। অ্যানফিল্ডে আতিথ্য দেবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, পোর্তো, ভিয়ারিয়াল ও লেন্সকে। অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলবে ইন্টার মিলান, ক্লাব ব্রুগ, ফেনারবাচে ও এলএএসকের বিপক্ষে।
অ্যাটলেটিকোর সূচিতেও রয়েছে লিভারপুল ও বায়ার্নের মতো বড় দল। মাদ্রিদের ক্লাবটি ঘরের মাঠে বায়ার্ন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথ্য দেবে। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে লিভারপুল ও পিএসভির মাঠে। ফেনারবাচে, স্টুটগার্ট, ভাইকিং ও বোডো/গ্লিমটও তাদের প্রতিপক্ষ।
বোডো/গ্লিমটের মাঠে খেলতে গিয়ে বেশ কঠিন ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে চারটি দল। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পাশাপাশি ডর্টমুন্ড, লিল ও এলএএসকেকেও যেতে হবে আর্কটিক সার্কেলের ভেতরের ওই মাঠে। এর মধ্যে কোনো কোনো দলকে জানুয়ারির তীব্র শীতেও সেখানে খেলতে হতে পারে।
এবারের প্রতিযোগিতায় নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে চার দল—ইতালির কোমো, অস্ট্রিয়ার এলএএসকে, নরওয়ের ভাইকিং ও আজারবাইজানের সাবাহ।
কোমোর অভিষেকেই একাধিক বড় ম্যাচ। ঘরের মাঠে পিএসজি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথ্য দেবে তারা। অ্যাওয়ে ম্যাচে বার্সেলোনা ও রিয়াল বেতিসের মাঠে যাবে ইতালিয়ান ক্লাবটি।
সাবাহর জন্যও অভিষেকেই বড় পরীক্ষা। আজারবাইজানের ক্লাবটি ঘরের মাঠে খেলবে ডর্টমুন্ড, নাপোলি ও স্লাভিয়া প্রাহার বিপক্ষে। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে।
লিগ পর্বের প্রথম ম্যাচগুলো হবে ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচডে যথাক্রমে ১৩-১৪ অক্টোবর এবং ২০-২১ অক্টোবর। এরপর ৩-৪ নভেম্বর, ২৪-২৫ নভেম্বর ও ৮-৯ ডিসেম্বর হবে পরের তিন ম্যাচডে। নতুন বছরের শুরুতে ১৯-২০ জানুয়ারি সপ্তম ম্যাচডে এবং ২৭ জানুয়ারি শেষ ম্যাচডে অনুষ্ঠিত হবে।
লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ আট দল সরাসরি শেষ ষোলোতে জায়গা পাবে। নবম থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে নকআউট প্লে-অফ। সেখান থেকে আরও আট দল শেষ ষোলোতে উঠবে। ২৫ থেকে ৩৬ নম্বরে থাকা দলগুলোর ইউরোপীয় যাত্রা সেখানেই শেষ হবে।
নকআউট প্লে-অফ হবে ১৬-১৭ ও ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি। শেষ ষোলোর ম্যাচ ৯-১০ ও ১৬-১৭ মার্চ, কোয়ার্টার ফাইনাল ৬-৭ ও ১৩-১৪ এপ্রিল এবং সেমিফাইনাল ২৭-২৮ এপ্রিল ও ৪-৫ মে। ফাইনাল হবে ৫ জুন।
এবার ৩৬টি দল মিলে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ইউরো বা ২.৯ বিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি ভাগ করে নেবে।
পট-১-এর দলগুলোর আট প্রতিপক্ষ
বায়ার্ন মিউনিখ
হোম: আর্সেনাল, রিয়াল বেতিস, বোডো/গ্লিমট, স্লাভিয়া প্রাহা
অ্যাওয়ে: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিল, ভাইকিং
আর্সেনাল
হোম: রিয়াল মাদ্রিদ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, লিল, সাবাহ
অ্যাওয়ে: বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল বেতিস, নাপোলি, স্লাভিয়া প্রাহা
লিভারপুল
হোম: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, পোর্তো, ভিয়ারিয়াল, লেন্স
অ্যাওয়ে: ইন্টার মিলান, ক্লাব ব্রুগ, ফেনারবাচে, এলএএসকে
পিএসজি
হোম: বার্সেলোনা, রোমা, গালতাসারাই, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা
অ্যাওয়ে: ম্যানচেস্টার সিটি, অ্যাস্টন ভিলা, ভিয়ারিয়াল, কোমো
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
হোম: বায়ার্ন মিউনিখ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ফেনারবাচে, ভাইকিং
অ্যাওয়ে: লিভারপুল, পিএসভি, বোডো/গ্লিমট, স্টুটগার্ট
বার্সেলোনা
হোম: ম্যানচেস্টার সিটি, অ্যাস্টন ভিলা, ফেইনুর্ড, কোমো
অ্যাওয়ে: পিএসজি, স্পোর্টিং সিপি, গালতাসারাই, সাবাহ
ইন্টার মিলান
হোম: লিভারপুল, ক্লাব ব্রুগ, শাখতার দোনেৎস্ক, স্টুটগার্ট
অ্যাওয়ে: রিয়াল মাদ্রিদ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, ফেইনুর্ড, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা
ম্যানচেস্টার সিটি
হোম: পিএসজি, স্পোর্টিং সিপি, নাপোলি, এইকে এথেন্স
অ্যাওয়ে: বার্সেলোনা, পোর্তো, আরবি লাইপজিগ, লেন্স
রিয়াল মাদ্রিদ
হোম: ইন্টার মিলান, পিএসভি, আরবি লাইপজিগ, এলএএসকে
অ্যাওয়ে: আর্সেনাল, রোমা, শাখতার দোনেৎস্ক, এইকে এথেন্স
ম্যাচ ডের সূচি
- ম্যাচ ডে ১: ৮–১০ সেপ্টেম্বর
- ম্যাচ ডে ২: ১৩–১৪ অক্টোবর
- ম্যাচ ডে ৩: ২০–২১ অক্টোবর
- ম্যাচ ডে ৪: ৩–৪ নভেম্বর
- ম্যাচ ডে ৫: ২৪–২৫ নভেম্বর
- ম্যাচ ডে ৬: ৮–৯ ডিসেম্বর
- ম্যাচ ডে ৭: ১৯–২০ জানুয়ারি
- ম্যাচ ডে ৮: ২৭ জানুয়ারি
নকআউট পর্ব
- প্লে-অফ: ১৬–১৭ ও ২৩–২৪ ফেব্রুয়ারি
- শেষ ষোলো: ৯–১০ ও ১৬–১৭ মার্চ
- কোয়ার্টার ফাইনাল: ৬–৭ ও ১৩–১৪ এপ্রিল
- সেমিফাইনাল: ২৭–২৮ এপ্রিল ও ৪–৫ মে
- ফাইনাল: ৫ জুন

চ্যাম্পিয়নস লিগের নতুন মৌসুমের লিগ পর্বে কে কার মুখোমুখি হচ্ছে, তা জানা গেল। বৃহস্পতিবার মোনাকোয় অনুষ্ঠিত ৩৬ দলের ড্রয়ে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) পেয়েছে বেশ কয়েকটি কঠিন প্রতিপক্ষ। রিয়াল মাদ্রিদ, আর্সেনাল, বায়ার্ন মিউনিখ ও লিভারপুলের সূচিতেও রয়েছে বড় ম্যাচ।
নতুন কাঠামোর চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রতিটি দল লিগ পর্বে আটটি করে ম্যাচ খেলবে। চারটি হবে নিজেদের মাঠে, বাকি চারটি প্রতিপক্ষের মাঠে। চারটি ভিন্ন সিডিং পট থেকে দুটি করে দলকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে প্রতিটি ক্লাব। একই দেশের দুটি দলকে পরস্পরের বিপক্ষে পড়তে দেওয়া হয়নি।
শিরোপা ধরে রাখার অভিযানে পিএসজির সবচেয়ে বড় পরীক্ষাগুলোর একটি হবে বার্সেলোনার বিপক্ষে। লিগ পর্বে নিজেদের মাঠে খেলবে তারা। এরপর ম্যানচেস্টার সিটির মাঠে যেতে হবে ফরাসি চ্যাম্পিয়নদের। অ্যাওয়ে ম্যাচে আরও প্রতিপক্ষ অ্যাস্টন ভিলা ও নবাগত কোমো।
বার্সেলোনার মাঠে অবশ্য সাম্প্রতিক সময়ে ভালোই করেছে পিএসজি। ২০১৭ সালের মার্চে ৬-১ গোলে হারের পর সেখানে খেলা সর্বশেষ তিন ম্যাচেই জিতেছে তারা। গত অক্টোবরের লিগ পর্বেও বার্সাকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল পিএসজি।
পিএসজির ঘরের মাঠে আসবে রোমা, গালতাসারাই ও স্লোভান ব্রাতিস্লাভা। লিগ পর্বের আট ম্যাচের শেষটি হবে কোমোর মাঠে।
গত মৌসুমের রানার্সআপ আর্সেনালের সামনেও অপেক্ষা করছে কঠিন সূচি। ঘরের মাঠে রিয়াল মাদ্রিদ ও বরুসিয়া ডর্টমুন্ডের বিপক্ষে খেলবে তারা। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল বেতিস, নাপোলি ও স্লাভিয়া প্রাহার মাঠে। ইংল্যান্ডের দলটির ঘরের আরেক প্রতিপক্ষ হবে নবাগত সাবাহ।
রিয়াল মাদ্রিদের সূচিতেও রয়েছে বড় ম্যাচ। ইন্টার মিলান ও পিএসভির বিপক্ষে ঘরের মাঠে খেলবে তারা। আর্সেনালের মাঠে যেতে হবে অ্যাওয়ে ম্যাচে। পাশাপাশি রোমা, লাইপজিগ, শাখতার দোনেৎস্ক, এলএএসকে ও এইকে এথেন্সও পড়েছে তাদের সূচিতে। শাখতার নিজেদের হোম ম্যাচগুলো খেলবে লন্ডনের স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে।
দুই বছর পর চ্যাম্পিয়নস লিগে ফেরা ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের শুরুটাও সহজ নয়। বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে তাদের ম্যাচটি বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করবে। ১৯৯৯ সালের ঐতিহাসিক ফাইনালের পর দুই দলের পুরোনো স্মৃতিও আবার সামনে আসবে।
রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনহোর জন্যও অপেক্ষা করছে পরিচিত প্রতিপক্ষ। তাঁর দল ইন্টার মিলানের মুখোমুখি হবে। ২০১০ সালে মরিনহোর কোচিংয়েই ইন্টার চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতেছিল।
লিভারপুল তুলনামূলক স্বস্তির সূচি পেয়েছে। অ্যানফিল্ডে আতিথ্য দেবে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, পোর্তো, ভিয়ারিয়াল ও লেন্সকে। অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলবে ইন্টার মিলান, ক্লাব ব্রুগ, ফেনারবাচে ও এলএএসকের বিপক্ষে।
অ্যাটলেটিকোর সূচিতেও রয়েছে লিভারপুল ও বায়ার্নের মতো বড় দল। মাদ্রিদের ক্লাবটি ঘরের মাঠে বায়ার্ন ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথ্য দেবে। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে লিভারপুল ও পিএসভির মাঠে। ফেনারবাচে, স্টুটগার্ট, ভাইকিং ও বোডো/গ্লিমটও তাদের প্রতিপক্ষ।
বোডো/গ্লিমটের মাঠে খেলতে গিয়ে বেশ কঠিন ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে চারটি দল। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের পাশাপাশি ডর্টমুন্ড, লিল ও এলএএসকেকেও যেতে হবে আর্কটিক সার্কেলের ভেতরের ওই মাঠে। এর মধ্যে কোনো কোনো দলকে জানুয়ারির তীব্র শীতেও সেখানে খেলতে হতে পারে।
এবারের প্রতিযোগিতায় নতুন করে জায়গা করে নিয়েছে চার দল—ইতালির কোমো, অস্ট্রিয়ার এলএএসকে, নরওয়ের ভাইকিং ও আজারবাইজানের সাবাহ।
কোমোর অভিষেকেই একাধিক বড় ম্যাচ। ঘরের মাঠে পিএসজি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডকে আতিথ্য দেবে তারা। অ্যাওয়ে ম্যাচে বার্সেলোনা ও রিয়াল বেতিসের মাঠে যাবে ইতালিয়ান ক্লাবটি।
সাবাহর জন্যও অভিষেকেই বড় পরীক্ষা। আজারবাইজানের ক্লাবটি ঘরের মাঠে খেলবে ডর্টমুন্ড, নাপোলি ও স্লাভিয়া প্রাহার বিপক্ষে। অ্যাওয়ে ম্যাচে যেতে হবে আর্সেনাল ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মাঠে।
লিগ পর্বের প্রথম ম্যাচগুলো হবে ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্যাচডে যথাক্রমে ১৩-১৪ অক্টোবর এবং ২০-২১ অক্টোবর। এরপর ৩-৪ নভেম্বর, ২৪-২৫ নভেম্বর ও ৮-৯ ডিসেম্বর হবে পরের তিন ম্যাচডে। নতুন বছরের শুরুতে ১৯-২০ জানুয়ারি সপ্তম ম্যাচডে এবং ২৭ জানুয়ারি শেষ ম্যাচডে অনুষ্ঠিত হবে।
লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ আট দল সরাসরি শেষ ষোলোতে জায়গা পাবে। নবম থেকে ২৪তম স্থানে থাকা দলগুলো খেলবে নকআউট প্লে-অফ। সেখান থেকে আরও আট দল শেষ ষোলোতে উঠবে। ২৫ থেকে ৩৬ নম্বরে থাকা দলগুলোর ইউরোপীয় যাত্রা সেখানেই শেষ হবে।
নকআউট প্লে-অফ হবে ১৬-১৭ ও ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি। শেষ ষোলোর ম্যাচ ৯-১০ ও ১৬-১৭ মার্চ, কোয়ার্টার ফাইনাল ৬-৭ ও ১৩-১৪ এপ্রিল এবং সেমিফাইনাল ২৭-২৮ এপ্রিল ও ৪-৫ মে। ফাইনাল হবে ৫ জুন।
এবার ৩৬টি দল মিলে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ইউরো বা ২.৯ বিলিয়ন ডলার প্রাইজমানি ভাগ করে নেবে।
পট-১-এর দলগুলোর আট প্রতিপক্ষ
বায়ার্ন মিউনিখ
হোম: আর্সেনাল, রিয়াল বেতিস, বোডো/গ্লিমট, স্লাভিয়া প্রাহা
অ্যাওয়ে: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, লিল, ভাইকিং
আর্সেনাল
হোম: রিয়াল মাদ্রিদ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, লিল, সাবাহ
অ্যাওয়ে: বায়ার্ন মিউনিখ, রিয়াল বেতিস, নাপোলি, স্লাভিয়া প্রাহা
লিভারপুল
হোম: অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ, পোর্তো, ভিয়ারিয়াল, লেন্স
অ্যাওয়ে: ইন্টার মিলান, ক্লাব ব্রুগ, ফেনারবাচে, এলএএসকে
পিএসজি
হোম: বার্সেলোনা, রোমা, গালতাসারাই, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা
অ্যাওয়ে: ম্যানচেস্টার সিটি, অ্যাস্টন ভিলা, ভিয়ারিয়াল, কোমো
অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ
হোম: বায়ার্ন মিউনিখ, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ফেনারবাচে, ভাইকিং
অ্যাওয়ে: লিভারপুল, পিএসভি, বোডো/গ্লিমট, স্টুটগার্ট
বার্সেলোনা
হোম: ম্যানচেস্টার সিটি, অ্যাস্টন ভিলা, ফেইনুর্ড, কোমো
অ্যাওয়ে: পিএসজি, স্পোর্টিং সিপি, গালতাসারাই, সাবাহ
ইন্টার মিলান
হোম: লিভারপুল, ক্লাব ব্রুগ, শাখতার দোনেৎস্ক, স্টুটগার্ট
অ্যাওয়ে: রিয়াল মাদ্রিদ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড, ফেইনুর্ড, স্লোভান ব্রাতিস্লাভা
ম্যানচেস্টার সিটি
হোম: পিএসজি, স্পোর্টিং সিপি, নাপোলি, এইকে এথেন্স
অ্যাওয়ে: বার্সেলোনা, পোর্তো, আরবি লাইপজিগ, লেন্স
রিয়াল মাদ্রিদ
হোম: ইন্টার মিলান, পিএসভি, আরবি লাইপজিগ, এলএএসকে
অ্যাওয়ে: আর্সেনাল, রোমা, শাখতার দোনেৎস্ক, এইকে এথেন্স
ম্যাচ ডের সূচি
- ম্যাচ ডে ১: ৮–১০ সেপ্টেম্বর
- ম্যাচ ডে ২: ১৩–১৪ অক্টোবর
- ম্যাচ ডে ৩: ২০–২১ অক্টোবর
- ম্যাচ ডে ৪: ৩–৪ নভেম্বর
- ম্যাচ ডে ৫: ২৪–২৫ নভেম্বর
- ম্যাচ ডে ৬: ৮–৯ ডিসেম্বর
- ম্যাচ ডে ৭: ১৯–২০ জানুয়ারি
- ম্যাচ ডে ৮: ২৭ জানুয়ারি
নকআউট পর্ব
- প্লে-অফ: ১৬–১৭ ও ২৩–২৪ ফেব্রুয়ারি
- শেষ ষোলো: ৯–১০ ও ১৬–১৭ মার্চ
- কোয়ার্টার ফাইনাল: ৬–৭ ও ১৩–১৪ এপ্রিল
- সেমিফাইনাল: ২৭–২৮ এপ্রিল ও ৪–৫ মে
- ফাইনাল: ৫ জুন

স্টিভেন স্মিথ ও ক্যামেরন গ্রিনের জুটিতে কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। শেষ পর্যন্ত ১০১ রানের লিড নিয়ে দিন শেষ করেছে অজিরা, হাতে রয়েছে মাত্র ২ উইকেট। বাংলাদেশের হয়ে একাই ছয় উইকেট নিয়েছেন শরীফুল ইসলাম। এর আগে মিচেল স্টার্কের বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ৬৪ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।
৬ দিন আগে
জেবক ওয়েদারল্ডের জায়গায় এই টেস্টে দলে এসেছিলেন ম্যাট রেনশো। এ মাঠে সবশেষ তিন ফার্স্ট ক্লাস ম্যাচে তিন সেঞ্চুরি রয়েছে। তবে টেস্ট দলে ফেরাটা সুখখর হলো না তার জন্য। খেলতে পেরেছেন মাত্র ১০ বল। তাসকিনের বলে আউটসাইড এজড হয়ে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে বসেন তিনি। ৮ রান করে বিদায় নেন রেনশো, ২২ রানে প্রথম উইকেট হারায়
৬ দিন আগে
সেখান শেষে শেষের দিকে কিছুটা প্রতিরোধ এলো। শেষ উইকেটে এলো সর্বোচ্চ রানের জুটি। আর ১১ নম্বর ব্যাটারের ব্যাট থেকে এলো সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তার ওপর ভর করে দল পঞ্চাশের কোটাও পেরোলো। শেষ পর্যন্ত ৩৪ ওভারে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশের ইনিংস। দল অলআউট ৬৪ রানে।
৬ দিন আগে
সবচেয়ে বড় শাস্তি পেয়েছেন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। তাকে ১০ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন শৃঙ্খলাভঙ্গের ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে (এএফএ) ১ লাখ ১০ হাজার ডলার জরিমানা করেছে ফিফা।
৭ দিন আগে