
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে হেক্সা মিশনের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়েছে ব্রাজিলের। বিশ্বকাপের অপেক্ষা ২৪ বছর পেরিয়ে এখন পৌঁছে গেল ২৮ বছরে। অপেক্ষায় স্বাভাবিকভাবেই মুষড়ে পড়েছেন দলটির ভক্ত-সমর্থকরা। বাংলাদেশেও ব্রাজিলের বিপুল সমর্থকগোষ্ঠীর মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা।
এ ম্যাচে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন একটি খোলা চিঠি লিখেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো এফ ডি ফেরেস। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, কঠিন এই সময় কেটে যাবে, ব্রাজিল আবার ঘুরে দাঁড়াবে, আর হলুদ জার্সি আবারও জ্বলে উঠবে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত ২টায় নরওয়ের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচে হেরে যায় ব্রাজিল। পরে সোমবার রাতে বাংলাদেশের সমর্থকদের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন রাষ্ট্রদূত পাওলো। ব্রাজিল ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ সমর্থকদের যে আবেগ ও ভালোবাসা, এই চিঠি যেন তারই যেন স্বীকৃতি।
পাওলো চিঠির শুরুতেই লিখেছেন, ‘ফুটবলে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন শব্দের চেয়ে নীরবতাই বেশি কথা বলে। শেষ বাঁশি বাজার পর বিশ্বের কোটি কোটি ব্রাজিলিয়ানের মতো বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষের মনেও একই রকম হতাশা নেমে এসেছে— আমি তা জানি।’
বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সবার আগে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের জার্সি গায়ে তোলার জন্য, আমাদের পতাকা ওড়ানোর জন্য, আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য কণ্ঠ মেলানোর জন্য এবং এমন আন্তরিকভাবে ব্রাজিলকে বিশ্বাস ও ভালোবাসার জন্য আপনাদের প্রতি আমাদের গভীর কৃতজ্ঞতা। আপনাদের এই ভালোবাসা আমাদের সত্যিই স্পর্শ করে।’
ব্রাজিলিয়ানদের কাছে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয় বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তার ভাষায়, ‘ফুটবল আমাদের স্মৃতি, শৈশব, পরিবার, সংগীত, আনন্দ ও আশার অংশ। আর কখনো কখনো, আজকের মতো, এটি হৃদয়ভাঙারও গল্প। কিন্তু যে ভালোবাসা সত্যিকারের, সেখানে হৃদয়ভাঙাও তারই একটি অংশ। ফুটবলের সঙ্গে ব্রাজিলের সম্পর্কও তেমনই— অসংখ্য কঠিন সময় পেরিয়েও তা কখনো ভেঙে পড়েনি।’
চিঠিতে তিনি ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের ফুটবল সমন্বয়ক রদ্রিগো কায়েতানোর বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তাদের ভাষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরাজয় কোনো গল্পের শেষ নয়, বরং নতুন এক অধ্যায়ের শুরু। পুনর্গঠন, দায়বদ্ধতা, ধৈর্য ও ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাস নিয়েই আবার সামনে এগিয়ে যাবে ব্রাজিল।
রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, ‘ব্রাজিল আবারও উঠে দাঁড়াবে। পরাজয় ভুলে যাওয়া সহজ বলে নয়, বরং প্রতিকূলতা থেকে ফিরে আসাই আমাদের পরিচয়ের অংশ।’
বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আলাদা করে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পাওলো বলেন, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে কান্না করেন, আবার আমাদের জয়ও নিজেদের উৎসবের মতো উদ্যাপন করেন। এই ভালোবাসা ব্রাজিলের মানুষের জন্য এক অমূল্য উপহার। এমন মুহূর্তে আমরা উপলব্ধি করি— ফুটবল এমন এক ভ্রাতৃত্বের জন্ম দেয়, যা ভাষা, দূরত্ব কিংবা সীমান্তের চেয়েও শক্তিশালী।’
চিঠির শেষাংশে আশাবাদের সুরে পাওলো ফেরেস লেখেন, ‘হলুদ জার্সি আবার জ্বলে উঠবে। আবার বাজবে সুর, ফিরবে আনন্দ। আর ব্রাজিল যখন আবার ঘুরে দাঁড়াবে, তখন আমরা কখনো ভুলব না, সবচেয়ে কঠিন সময়েও কারা আমাদের পাশে ছিল।’

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে হেক্সা মিশনের স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়েছে ব্রাজিলের। বিশ্বকাপের অপেক্ষা ২৪ বছর পেরিয়ে এখন পৌঁছে গেল ২৮ বছরে। অপেক্ষায় স্বাভাবিকভাবেই মুষড়ে পড়েছেন দলটির ভক্ত-সমর্থকরা। বাংলাদেশেও ব্রাজিলের বিপুল সমর্থকগোষ্ঠীর মধ্যে নেমে এসেছে হতাশা।
এ ম্যাচে বিশ্বকাপ থেকে ব্রাজিলের বিদায়ের পর বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে আবেগঘন একটি খোলা চিঠি লিখেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত পাওলো এফ ডি ফেরেস। চিঠিতে তিনি বাংলাদেশের সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, কঠিন এই সময় কেটে যাবে, ব্রাজিল আবার ঘুরে দাঁড়াবে, আর হলুদ জার্সি আবারও জ্বলে উঠবে।
সোমবার (৬ জুলাই) রাত ২টায় নরওয়ের মুখোমুখি হওয়া ম্যাচে হেরে যায় ব্রাজিল। পরে সোমবার রাতে বাংলাদেশের সমর্থকদের উদ্দেশে খোলা চিঠি লিখেছেন রাষ্ট্রদূত পাওলো। ব্রাজিল ফুটবল দলের প্রতি বাংলাদেশের বিপুল পরিমাণ সমর্থকদের যে আবেগ ও ভালোবাসা, এই চিঠি যেন তারই যেন স্বীকৃতি।
পাওলো চিঠির শুরুতেই লিখেছেন, ‘ফুটবলে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যখন শব্দের চেয়ে নীরবতাই বেশি কথা বলে। শেষ বাঁশি বাজার পর বিশ্বের কোটি কোটি ব্রাজিলিয়ানের মতো বাংলাদেশের অসংখ্য মানুষের মনেও একই রকম হতাশা নেমে এসেছে— আমি তা জানি।’
বাংলাদেশের ব্রাজিল সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সবার আগে আমি আপনাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। আমাদের জার্সি গায়ে তোলার জন্য, আমাদের পতাকা ওড়ানোর জন্য, আমাদের খেলোয়াড়দের জন্য কণ্ঠ মেলানোর জন্য এবং এমন আন্তরিকভাবে ব্রাজিলকে বিশ্বাস ও ভালোবাসার জন্য আপনাদের প্রতি আমাদের গভীর কৃতজ্ঞতা। আপনাদের এই ভালোবাসা আমাদের সত্যিই স্পর্শ করে।’
ব্রাজিলিয়ানদের কাছে ফুটবল শুধু একটি খেলা নয় বলেও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তার ভাষায়, ‘ফুটবল আমাদের স্মৃতি, শৈশব, পরিবার, সংগীত, আনন্দ ও আশার অংশ। আর কখনো কখনো, আজকের মতো, এটি হৃদয়ভাঙারও গল্প। কিন্তু যে ভালোবাসা সত্যিকারের, সেখানে হৃদয়ভাঙাও তারই একটি অংশ। ফুটবলের সঙ্গে ব্রাজিলের সম্পর্কও তেমনই— অসংখ্য কঠিন সময় পেরিয়েও তা কখনো ভেঙে পড়েনি।’
চিঠিতে তিনি ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি ও ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশনের ফুটবল সমন্বয়ক রদ্রিগো কায়েতানোর বক্তব্যেরও উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত। তাদের ভাষ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, এই পরাজয় কোনো গল্পের শেষ নয়, বরং নতুন এক অধ্যায়ের শুরু। পুনর্গঠন, দায়বদ্ধতা, ধৈর্য ও ভবিষ্যতের প্রতি বিশ্বাস নিয়েই আবার সামনে এগিয়ে যাবে ব্রাজিল।
রাষ্ট্রদূত লিখেছেন, ‘ব্রাজিল আবারও উঠে দাঁড়াবে। পরাজয় ভুলে যাওয়া সহজ বলে নয়, বরং প্রতিকূলতা থেকে ফিরে আসাই আমাদের পরিচয়ের অংশ।’
বাংলাদেশের মানুষের প্রতি আলাদা করে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পাওলো বলেন, ‘আপনারা আমাদের সঙ্গে কান্না করেন, আবার আমাদের জয়ও নিজেদের উৎসবের মতো উদ্যাপন করেন। এই ভালোবাসা ব্রাজিলের মানুষের জন্য এক অমূল্য উপহার। এমন মুহূর্তে আমরা উপলব্ধি করি— ফুটবল এমন এক ভ্রাতৃত্বের জন্ম দেয়, যা ভাষা, দূরত্ব কিংবা সীমান্তের চেয়েও শক্তিশালী।’
চিঠির শেষাংশে আশাবাদের সুরে পাওলো ফেরেস লেখেন, ‘হলুদ জার্সি আবার জ্বলে উঠবে। আবার বাজবে সুর, ফিরবে আনন্দ। আর ব্রাজিল যখন আবার ঘুরে দাঁড়াবে, তখন আমরা কখনো ভুলব না, সবচেয়ে কঠিন সময়েও কারা আমাদের পাশে ছিল।’

স্প্যানিশ গণমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ভিনিসিয়ুসের বর্তমান চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের জুনে। নতুন চুক্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আলোচনা চললেও বেতন নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থানে বড় ব্যবধান রয়ে গেছে।
৩ দিন আগে
রোনালদোর সঙ্গে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছেন আর্সেনাল ও ফ্রান্সের সাবেক কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি। একসময় মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও এবার তারা একই প্রজেক্টে কাজ করবেন।
৩ দিন আগে
নতুন মৌসুমের সূচনা হবে স্প্যানিশ লা লিগা দিয়ে। আগামী ১৫ আগস্ট উদ্বোধনী ম্যাচে আলাভেসের মুখোমুখি হবে গেতাফে।
৫ দিন আগে
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপজয়ী এই তারকা আলবিসেলেস্তেদের হয়ে দুটি কোপা আমেরিকার শিরোপাও উঁচিয়ে ধরেছেন। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ১৩৯টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ওটামেন্ডি। স্পেনের বিপক্ষে অতি সম্প্রতি অনুষ্ঠিত আন্তঃমহাদেশীয় লড়াই ফিনালিসিমায় (বা সাম্প্রতিক ফাইনাল ম্যাচ) ১-০ গোলের হারের স্মৃতি
৭ দিন আগে