
ক্রীড়া ডেস্ক

ব্যাটিং ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরই হতে পারছেন না বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই পুনরাবৃত্তিতে তিন ম্যাচ সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারল দল। এতে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের পর নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান আর শ্রীলংকার বিপক্ষে টানা চার টি-টুয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় বাংলাদেশ।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৫০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৩৫ রানে। তাতেই টানা দুই ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করে উইন্ডিজ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৫০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনেই খেলতে থাকেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জেসন হোল্ডারের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্র্যান্ডন কিংয়ের হাতে ধরা পড়েন সাইফ। ১১ বলে মাত্র ৫ রান করেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালান ক্যাপ্টেন লিটন দাস ও তানজিদ। দলীয় ৪৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৭ বলে ২৩ রান করে আকিল হোসেনের বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক লিটন। জমেনি তৃতীয় উইকেট জুটিও। ১৪ বলে ১২ রান করে রোমারিও শেফার্ডের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে তাওহীদ হৃদয় ফিরলে ৩৭ রানের জুটি ভাঙে।
জাকের আলীকে নিয়েও ৩২ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। তার নিজেরই প্রতিরোধ ভেঙে যায় ১৮তম ওভারে। ৪৮ বলে ৬১ রান করে ড্রেসিং রুমে ফেরেন। এরপর আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। জাকের আউট হয়েছেন ১৮ বলে ১৭ রান করে। শামীম ১ রান, রিশাদ ০ আর নাসুম ২ রান করে আউট হলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে রোমারিও শেফার্ড ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ও আকিল হোসেন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। জেসন হোল্ডার নিয়েছেন বাকি দুটি উইকেট, ৪ ওভারে রান দিয়েছেন ২০টি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় উইন্ডিজ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে দারুণ কিছুরই আভাস দিয়েছিল টাইগাররা। তবে ঘুরে দাঁড়াতেও সময় নেয়নি সফরকারীরা। অ্যালিক আথানেজ আর শাই হোপের মাত্র ৫৯ বলের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেই আসে ১০৫ রান।
এরপর অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটারদের চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। দ্বাদশ ওভারে বল করতে এসে দ্বিতীয় বলেই আথানেজের উইকেট তুলে নেন নাসুম। পরের বলেই তুলে নেন শেরফান রাদারফোর্ডের উইকেটও। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন ৩৬ বলে ৫৫ রান করা উইন্ডিজ ক্যাপ্টেন হোপের উইকেট।
এরপর আর বাকিদের কেউই তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি। রোস্টন চেজ অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ১৭ রান করে। রোমারিও শেফার্ড করেন ১৬ বলে ১৩ রান। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কও স্পর্শ করতে পারেননি। শেষ ৯ ওভারে ৪৪ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারালে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন, নাসুম ২ উইকেট নিয়েছেন ৪ ওভারে ৩৫ রানের খরচায়। একটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
২৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ১৬ বলে ১৩ রানের ইনিংসের জন্য প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন রোমিও শেফার্ড। একই স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচটি হবে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর)।

ব্যাটিং ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বেরই হতে পারছেন না বাংলাদেশের ব্যাটাররা। প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও সেই পুনরাবৃত্তিতে তিন ম্যাচ সিরিজে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারল দল। এতে আফগানিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের পর নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান আর শ্রীলংকার বিপক্ষে টানা চার টি-টুয়েন্টি সিরিজ জয়ের পর এবার ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় বাংলাদেশ।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) তিন ম্যাচ টি-টুয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আগে ব্যাট করে ১৫০ রানের লক্ষ্য ছুঁড়ে দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। জবাব দিতে নেমে বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৩৫ রানে। তাতেই টানা দুই ম্যাচ জিতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ নিশ্চিত করে উইন্ডিজ।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে ১৫০ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনেই খেলতে থাকেন দুই ওপেনার সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম। চতুর্থ ওভারের পঞ্চম বলে জেসন হোল্ডারের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ব্র্যান্ডন কিংয়ের হাতে ধরা পড়েন সাইফ। ১১ বলে মাত্র ৫ রান করেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালান ক্যাপ্টেন লিটন দাস ও তানজিদ। দলীয় ৪৮ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ১৭ বলে ২৩ রান করে আকিল হোসেনের বলে বোল্ড আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক লিটন। জমেনি তৃতীয় উইকেট জুটিও। ১৪ বলে ১২ রান করে রোমারিও শেফার্ডের বলে ক্যাচ তুলে দিয়ে তাওহীদ হৃদয় ফিরলে ৩৭ রানের জুটি ভাঙে।
জাকের আলীকে নিয়েও ৩২ রানের জুটি গড়েন তানজিদ। তার নিজেরই প্রতিরোধ ভেঙে যায় ১৮তম ওভারে। ৪৮ বলে ৬১ রান করে ড্রেসিং রুমে ফেরেন। এরপর আর কেউ প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। জাকের আউট হয়েছেন ১৮ বলে ১৭ রান করে। শামীম ১ রান, রিশাদ ০ আর নাসুম ২ রান করে আউট হলে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৩৫ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের পক্ষে রোমারিও শেফার্ড ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ও আকিল হোসেন ৪ ওভারে ২২ রান দিয়ে নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। জেসন হোল্ডার নিয়েছেন বাকি দুটি উইকেট, ৪ ওভারে রান দিয়েছেন ২০টি।
এর আগে টসে জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় উইন্ডিজ। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই ওপেনার ব্র্যান্ডন কিংকে ফিরিয়ে দারুণ কিছুরই আভাস দিয়েছিল টাইগাররা। তবে ঘুরে দাঁড়াতেও সময় নেয়নি সফরকারীরা। অ্যালিক আথানেজ আর শাই হোপের মাত্র ৫৯ বলের দ্বিতীয় উইকেট জুটিতেই আসে ১০৫ রান।
এরপর অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজের ব্যাটারদের চেপে ধরেন টাইগার বোলাররা। দ্বাদশ ওভারে বল করতে এসে দ্বিতীয় বলেই আথানেজের উইকেট তুলে নেন নাসুম। পরের বলেই তুলে নেন শেরফান রাদারফোর্ডের উইকেটও। পরের ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান তুলে নেন ৩৬ বলে ৫৫ রান করা উইন্ডিজ ক্যাপ্টেন হোপের উইকেট।
এরপর আর বাকিদের কেউই তেমন একটা সুবিধা করতে পারেননি। রোস্টন চেজ অপরাজিত থাকেন ১৫ বলে ১৭ রান করে। রোমারিও শেফার্ড করেন ১৬ বলে ১৩ রান। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কও স্পর্শ করতে পারেননি। শেষ ৯ ওভারে ৪৪ রান তুলতেই ৮ উইকেট হারালে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৪৯ রানে থামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংস।
বাংলাদেশের হয়ে মোস্তাফিজুর ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে নিয়েছেন ৩ উইকেট। ৩ ওভারে ২০ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন রিশাদ হোসেন, নাসুম ২ উইকেট নিয়েছেন ৪ ওভারে ৩৫ রানের খরচায়। একটি উইকেট নিয়েছেন তাসকিন আহমেদ।
২৯ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে ১৬ বলে ১৩ রানের ইনিংসের জন্য প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন রোমিও শেফার্ড। একই স্টেডিয়ামে সিরিজের শেষ ম্যাচটি হবে শুক্রবার (৩১ অক্টোবর)।

শৈশব থেকেই জয়িতার স্বভাব ছিল একটু আলাদা। চ্যালেঞ্জ নিতে ভালোবাসতেন, নতুন কিছু করতে আগ্রহী ছিলেন। তার নামের সঙ্গে যেন তার ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত মিল- জয়িতা, অর্থাৎ যিনি জয় করতে জানেন। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে জয়ী হওয়ার এক অদম্য প্রত্যয় তাকে এগিয়ে নিয়ে গেছে আজকের অবস্থানে।
৪ দিন আগে
সিরিজে টিকে থাকতে হলে এই ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প ছিল না। এমন ‘ডু অর ডাই’ লড়াইয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা ফেরাল স্বাগতিকরা। ৮৭ বল হাতে রেখে পাওয়া এই জয়ে আগামী বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে ম্যাচটি কার্যত অলিখিত ফাইনালে পরিণত হয়েছে।
৫ দিন আগে
এ ম্যাচে দলে এসেছে একটি পরিবর্তন। আগের ম্যাচে মিডল অর্ডারে নেমে ম্যাচের গতির সঙ্গে বেমানান ব্যাটিং করা আফিফ হোসেনকে বাদ দেওয়া হয়েছে একাদশ থেকে। তার জায়গায় ফিরছেন সৌম্য সরকার।
৫ দিন আগে
দেশ-বিদেশের ফাইটিং স্টারদের ফাইট দেখতে দর্শকদের গুঞ্জরণে মুখরিত হয়ে ছিল জুলকান ইনডোর অ্যারেনা। এই প্রতিযোগিতার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তানভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (টিবিজি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আহমেদ ইব্রাহিম সোবহান।
৬ দিন আগে