
ক্রীড়া ডেস্ক

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসের পাতায় আরও দুটি নতুন অধ্যায় যোগ করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ৩৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার এখন তিনিই। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬-তে— যা তাকে নিয়ে গেছে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে।
এক ম্যাচেই যেন সময়কে আবারও হারিয়ে দিলেন মেসি। এর বাইরেও আরও এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি জাতীয় দলের হয়ে। ২০ বছর আগে ঠিক ১৬ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে গোলস্কোরার হয়েছিলেন তিনি। আলজেরিয়ার এ ম্যাচে গোল করে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন।
চার বছর আগে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে অপূর্ণতার শেষ অধ্যায়ও পূর্ণ করেছিলেন মেসি। অনেকের ধারণা ছিল, সেই ট্রফিই হয়তো হবে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ গল্প। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে এসেও তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তার গল্প এখনো শেষ হয়নি।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকেই ছিলেন স্বমহিমায়। বল পায়ে প্রতিটি স্পর্শে ছিল আত্মবিশ্বাস, প্রতিটি দৌড়ে ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ। আর গোলের সামনে গিয়ে যেন আবারও ফিরে এলেন সেই চেনা মেসি। তিনবার বল জালে পাঠিয়ে শুধু আর্জেন্টিনাকে বড় জয়ই এনে দেননি, নিজের নামও আরও উঁচুতে তুলে নিয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিকের রেকর্ডটি হয়তো একদিন ভাঙতে পারে। কিন্তু ২০ বছরের ব্যবধানে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সী আর্জেন্টাইন গোলদাতা থেকে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা হওয়ার পর, এবার সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিকের মালিক হওয়া— এমন গল্প ফুটবলে খুব কমই লেখা হয়েছে।
আরেকটি অর্জনও কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।
বিশ্বকাপে ১৬ গোল করে তিনি স্পর্শ করেছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। এতদিন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি একাই ধরে রেখেছিলেন ক্লোসা। এখন সেই আসনে দুই কিংবদন্তির যৌথ নাম।
তবে পার্থক্যটা অন্য জায়গায়। ক্লোসার ১৬ গোল এসেছিল চারটি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে। মেসিও চারটি নয়, বরং নিজের দীর্ঘ বিশ্বকাপ যাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২৬ আসরে এসে সেই উচ্চতায় পৌঁছেছেন। দুই যুগজুড়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেই তিনি ছুঁয়েছেন এই মাইলফলক।
মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার যেন একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২০০৬ সালে কিশোর হিসেবে অভিষেক, ২০১৪ সালে ফাইনালের হতাশা, ২০১৮ সালের সংগ্রাম, ২০২২ সালে বিশ্বজয়ের উল্লাস, আর ২০২৬ সালে এসেও একের পর এক ইতিহাস।
এ কারণেই হয়তো মেসিকে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। তার প্রতিটি রেকর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি সময়, একটি প্রজন্ম, একটি আবেগ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন দুটি নাম পাশাপাশি— মিরোস্লাভ ক্লোসা এবং লিওনেল মেসি।
তবে মেসির সামনে সুযোগ এখনো শেষ হয়নি। এই বিশ্বকাপে তার প্রতিটি গোলই হতে পারে নতুন ইতিহাস। আর যদি আর একটি গোলও আসে, তাহলে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে আর কারও সঙ্গে ভাগাভাগি নয়— একাই বসবেন ফুটবলের এই মহাতারকা।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত এক হ্যাটট্রিক করে ইতিহাসের পাতায় আরও দুটি নতুন অধ্যায় যোগ করলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ৩৮ বছর ৩৫৮ দিন বয়সে বিশ্বকাপে হ্যাটট্রিক করা সবচেয়ে বেশি বয়সী ফুটবলার এখন তিনিই। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৬-তে— যা তাকে নিয়ে গেছে জার্মান কিংবদন্তি মিরোস্লাভ ক্লোসার পাশে, বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে।
এক ম্যাচেই যেন সময়কে আবারও হারিয়ে দিলেন মেসি। এর বাইরেও আরও এক অনন্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি জাতীয় দলের হয়ে। ২০ বছর আগে ঠিক ১৬ জুন সার্বিয়ার বিরুদ্ধে গোল করে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে সবচেয়ে কম বয়সে বিশ্বকাপে গোলস্কোরার হয়েছিলেন তিনি। আলজেরিয়ার এ ম্যাচে গোল করে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ডও নিজের করে নিয়েছেন।
চার বছর আগে কাতারে বিশ্বকাপ জিতে অপূর্ণতার শেষ অধ্যায়ও পূর্ণ করেছিলেন মেসি। অনেকের ধারণা ছিল, সেই ট্রফিই হয়তো হবে তার বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের শেষ গল্প। কিন্তু ২০২৬ বিশ্বকাপে এসেও তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তার গল্প এখনো শেষ হয়নি।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে শুরু থেকেই ছিলেন স্বমহিমায়। বল পায়ে প্রতিটি স্পর্শে ছিল আত্মবিশ্বাস, প্রতিটি দৌড়ে ছিল অভিজ্ঞতার ছাপ। আর গোলের সামনে গিয়ে যেন আবারও ফিরে এলেন সেই চেনা মেসি। তিনবার বল জালে পাঠিয়ে শুধু আর্জেন্টিনাকে বড় জয়ই এনে দেননি, নিজের নামও আরও উঁচুতে তুলে নিয়েছেন বিশ্বকাপ ইতিহাসে।
বিশ্বকাপে সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিকের রেকর্ডটি হয়তো একদিন ভাঙতে পারে। কিন্তু ২০ বছরের ব্যবধানে বিশ্বকাপে সবচেয়ে কম বয়সী আর্জেন্টাইন গোলদাতা থেকে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা হওয়ার পর, এবার সবচেয়ে বেশি বয়সে হ্যাটট্রিকের মালিক হওয়া— এমন গল্প ফুটবলে খুব কমই লেখা হয়েছে।
আরেকটি অর্জনও কম তাৎপর্যপূর্ণ নয়।
বিশ্বকাপে ১৬ গোল করে তিনি স্পর্শ করেছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে। এতদিন বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ডটি একাই ধরে রেখেছিলেন ক্লোসা। এখন সেই আসনে দুই কিংবদন্তির যৌথ নাম।
তবে পার্থক্যটা অন্য জায়গায়। ক্লোসার ১৬ গোল এসেছিল চারটি বিশ্বকাপে ২৪ ম্যাচ খেলে। মেসিও চারটি নয়, বরং নিজের দীর্ঘ বিশ্বকাপ যাত্রার অভিজ্ঞতা নিয়ে ২০২৬ আসরে এসে সেই উচ্চতায় পৌঁছেছেন। দুই যুগজুড়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে ধারাবাহিকভাবে পারফর্ম করেই তিনি ছুঁয়েছেন এই মাইলফলক।
মেসির বিশ্বকাপ ক্যারিয়ার যেন একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস। ২০০৬ সালে কিশোর হিসেবে অভিষেক, ২০১৪ সালে ফাইনালের হতাশা, ২০১৮ সালের সংগ্রাম, ২০২২ সালে বিশ্বজয়ের উল্লাস, আর ২০২৬ সালে এসেও একের পর এক ইতিহাস।
এ কারণেই হয়তো মেসিকে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। তার প্রতিটি রেকর্ডের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে একটি সময়, একটি প্রজন্ম, একটি আবেগ।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এখন দুটি নাম পাশাপাশি— মিরোস্লাভ ক্লোসা এবং লিওনেল মেসি।
তবে মেসির সামনে সুযোগ এখনো শেষ হয়নি। এই বিশ্বকাপে তার প্রতিটি গোলই হতে পারে নতুন ইতিহাস। আর যদি আর একটি গোলও আসে, তাহলে বিশ্বকাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে আর কারও সঙ্গে ভাগাভাগি নয়— একাই বসবেন ফুটবলের এই মহাতারকা।

বিস্ময়কর হলো— ঠিক ঠিক ২০ বছরের ব্যবধানে এই দুই গোল করা ফুটবলার একজনই— লিওনেল মেসি!
৬ ঘণ্টা আগে
একপর্যায়ে আর্জেন্টিনা ও আলজেরিয়ার সমর্থকদের একটি অংশের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায়, দুপক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা থেকে ধাক্কাধাক্কি ও পরে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে চারপাশে ব্যাপক বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়।
১৫ ঘণ্টা আগে
তবে ইরানের জন্য ভোগান্তি তখনো শেষ হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র ভিসার শর্তে জানায়, তারা কেবল ম্যাচডেতে যুক্তরাষ্ট্রের নির্দিষ্ট ভেন্যুতে অবস্থান করতে পারবে। এর বাইরে বিশ্বকাপের শুরু থেকে বাকি সময়টা ক্যাম্প করতে হবে মেক্সিকোতে। ইরানি কোচ প্রথম ম্যাচ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর জানালেন, ম্যাচডেতেও ম্যাচ শেষে খুব বেশ
১৬ ঘণ্টা আগে
প্রশ্ন হলো— বুধবার সকালে কানসাস সিটির অ্যারোহেড স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে কেমন হবে আর্জেন্টিনার একাদশ? আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরা লিওনেল মেসি কি নামবেন শুরু থেকে? ‘বাজপাখি’ এমিলিয়ানো মার্টিনেজ কি ম্যাচ খেলার মতো যথেষ্ট ফিট? মেসির সঙ্গে আক্রমণে সঙ্গীই বা হবেন কে— লাউতারো মার্টিনেজ নাকি হুলিয়ান আলভারেজ?
১৭ ঘণ্টা আগে