
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে ফেরার অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি সাকিব আল হাসানের। জাতীয় দল কিংবা দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখা না মিললেও বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলছেন তিনি। তবে সব জটিলতার মধ্যেও শিগগিরই দেশে ফিরতে পারবেন বলে আশাবাদী এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
বর্তমানে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) খেলছেন সাকিব। টুর্নামেন্ট শেষে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর। ইতোমধ্যে সেই আসরের একটি দলেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
বিদেশি লিগে ব্যস্ত থাকলেও নানা কারণে দেশে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না সাকিবের। ফলে জাতীয় দলে ফেরার পাশাপাশি দেশের কোনো ঘরোয়া প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিতে পারছেন না তিনি।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থ তামিম ইকবাল। এতে অনেকেই ধারণা করেছিলেন, সাকিবের দেশে ফেরার পথ সহজ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর তামিমের সঙ্গে তাঁর একবার কথা হয়েছে। তবে সেই আলোচনা ছিল মূলত ‘ক্যাপ্টেন কার্ড’ ইস্যু নিয়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভ স্পোর্টসকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সাকিব বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। আমরা সবাই বাংলাদেশকে মিস করি। দেশে ফেরার ব্যাপারে আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে খুব শিগগিরই এটা সম্ভব হবে।”
এ সময় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, দেশের ক্রিকেটে এত অবদান রাখার পরও ফিরতে না পারাটা অন্যায় বলে মনে করেন কি না। জবাবে সাকিব বলেন, “আমি কী ভাবছি সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো সাধারণ মানুষ কী ভাবছে। তারা যদি মনে করে আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে, তাহলে হয়তো তাই।”

বাংলাদেশে ফেরার অনিশ্চয়তা এখনও কাটেনি সাকিব আল হাসানের। জাতীয় দল কিংবা দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে দেখা না মিললেও বিদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে নিয়মিত খেলছেন তিনি। তবে সব জটিলতার মধ্যেও শিগগিরই দেশে ফিরতে পারবেন বলে আশাবাদী এই অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার।
বর্তমানে লঙ্কা প্রিমিয়ার লিগে (এলপিএল) খেলছেন সাকিব। টুর্নামেন্ট শেষে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে অংশ নেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর। ইতোমধ্যে সেই আসরের একটি দলেও নাম লিখিয়েছেন তিনি।
বিদেশি লিগে ব্যস্ত থাকলেও নানা কারণে দেশে ফেরা সম্ভব হচ্ছে না সাকিবের। ফলে জাতীয় দলে ফেরার পাশাপাশি দেশের কোনো ঘরোয়া প্রতিযোগিতাতেও অংশ নিতে পারছেন না তিনি।
এরই মধ্যে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন তাঁর দীর্ঘদিনের সতীর্থ তামিম ইকবাল। এতে অনেকেই ধারণা করেছিলেন, সাকিবের দেশে ফেরার পথ সহজ হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব জানান, বিসিবি সভাপতি হওয়ার পর তামিমের সঙ্গে তাঁর একবার কথা হয়েছে। তবে সেই আলোচনা ছিল মূলত ‘ক্যাপ্টেন কার্ড’ ইস্যু নিয়ে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম রেভ স্পোর্টসকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে দেশে ফেরার সম্ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সাকিব বলেন, “হ্যাঁ, অবশ্যই। আমরা সবাই বাংলাদেশকে মিস করি। দেশে ফেরার ব্যাপারে আমি অত্যন্ত আশাবাদী যে খুব শিগগিরই এটা সম্ভব হবে।”
এ সময় তাঁর কাছে জানতে চাওয়া হয়, দেশের ক্রিকেটে এত অবদান রাখার পরও ফিরতে না পারাটা অন্যায় বলে মনে করেন কি না। জবাবে সাকিব বলেন, “আমি কী ভাবছি সেটা বড় কথা নয়। বড় কথা হলো সাধারণ মানুষ কী ভাবছে। তারা যদি মনে করে আমার সঙ্গে অন্যায় করা হয়েছে, তাহলে হয়তো তাই।”

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে