
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। দীর্ঘদিন ধরে অবসরের সময় নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও এবার নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন পর্তুগিজ তারকা। ২০২৬ সালই হতে পারে পেশাদার ফুটবলে তার শেষ বছর— এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো জানিয়েছেন, মাঠ ছাড়ার পরের জীবন নিয়েও তার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ভ্রমণ, প্যাডেল খেলা এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অর্জন করা সাফল্য উপভোগ করেই বাকি সময় কাটাতে চান তিনি।
অবসরের সম্ভাব্য সময় নিয়ে রোনালদো বলেন, ভবিষ্যতের জন্য অনেক কিছুই ভেবে রেখেছেন তিনি। এরপরই দেন বড় ইঙ্গিত, ‘সম্ভবত এটাই আমার ফুটবলের শেষ বছর। আর আমি এমন একটি বর্ণাঢ্য উত্তরাধিকার রেখে যেতে চাই।’
ফুটবল ছাড়ার পর জীবনে শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলেও মনে করেন ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সেই শূন্যতা কাটাতে পরিবার, ভ্রমণ ও নিজের পছন্দের খেলাগুলোকে সময় দিতে চান তিনি।
রোনালদোর ভাষায়, ফুটবল থেকে সরে যাওয়ার পর আরও আনন্দ করতে, বেশি ভ্রমণ করতে এবং প্যাডেল খেলতে ও দেখতে চান তিনি। একই সঙ্গে এত বছরের পরিশ্রমে পাওয়া অর্জনগুলো উপভোগ করার কথাও বলেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
পেশাদার ফুটবলে রোনালদোর পথচলা শুরু হয়েছিল স্পোর্টিং সিপিতে। এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মতো ক্লাবে খেলেছেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন সৌদি ক্লাব আল নাসরে। রিয়াল মাদ্রিদেই কাটে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল সময়। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে ৪৩৮ ম্যাচে করেছেন ৪৫০ গোল।
বর্তমানে আল নাসরের সঙ্গে রোনালদোর চুক্তি রয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। তবে গত নভেম্বরে তিনি জানিয়েছিলেন, আরও এক-দুই বছর খেলা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। একই সময়ে ২০২৬ বিশ্বকাপকে নিজের শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে নিশ্চিত করেছিলেন।
বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পরও অবসরের সময় নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেননি রোনালদো। তবে এবার তাঁর নিজের বক্তব্যেই সেই অপেক্ষার অবসরের সম্ভাবনা স্পষ্ট হলো।
দীর্ঘ ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য শিরোপা ও ব্যক্তিগত সাফল্য পাওয়া রোনালদো এখন মাঠের বাইরে নতুন অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর নিজের কথাই বলছে, সেই অধ্যায় শুরু হতে পারে এ বছরই।

ফুটবল ক্যারিয়ারের শেষ অধ্যায়ে পৌঁছে গেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। দীর্ঘদিন ধরে অবসরের সময় নিয়ে স্পষ্ট কিছু না বললেও এবার নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় ইঙ্গিত দিয়েছেন পর্তুগিজ তারকা। ২০২৬ সালই হতে পারে পেশাদার ফুটবলে তার শেষ বছর— এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।
ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রোনালদো জানিয়েছেন, মাঠ ছাড়ার পরের জীবন নিয়েও তার পরিকল্পনা রয়েছে। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, ভ্রমণ, প্যাডেল খেলা এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অর্জন করা সাফল্য উপভোগ করেই বাকি সময় কাটাতে চান তিনি।
অবসরের সম্ভাব্য সময় নিয়ে রোনালদো বলেন, ভবিষ্যতের জন্য অনেক কিছুই ভেবে রেখেছেন তিনি। এরপরই দেন বড় ইঙ্গিত, ‘সম্ভবত এটাই আমার ফুটবলের শেষ বছর। আর আমি এমন একটি বর্ণাঢ্য উত্তরাধিকার রেখে যেতে চাই।’
ফুটবল ছাড়ার পর জীবনে শূন্যতা তৈরি হতে পারে বলেও মনে করেন ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড। সেই শূন্যতা কাটাতে পরিবার, ভ্রমণ ও নিজের পছন্দের খেলাগুলোকে সময় দিতে চান তিনি।
রোনালদোর ভাষায়, ফুটবল থেকে সরে যাওয়ার পর আরও আনন্দ করতে, বেশি ভ্রমণ করতে এবং প্যাডেল খেলতে ও দেখতে চান তিনি। একই সঙ্গে এত বছরের পরিশ্রমে পাওয়া অর্জনগুলো উপভোগ করার কথাও বলেছেন পর্তুগিজ অধিনায়ক।
পেশাদার ফুটবলে রোনালদোর পথচলা শুরু হয়েছিল স্পোর্টিং সিপিতে। এরপর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ ও জুভেন্টাসের মতো ক্লাবে খেলেছেন তিনি। ২০২৩ সালের জানুয়ারিতে যোগ দেন সৌদি ক্লাব আল নাসরে। রিয়াল মাদ্রিদেই কাটে তাঁর ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সফল সময়। স্প্যানিশ ক্লাবটির হয়ে ৪৩৮ ম্যাচে করেছেন ৪৫০ গোল।
বর্তমানে আল নাসরের সঙ্গে রোনালদোর চুক্তি রয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। তবে গত নভেম্বরে তিনি জানিয়েছিলেন, আরও এক-দুই বছর খেলা চালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। একই সময়ে ২০২৬ বিশ্বকাপকে নিজের শেষ বিশ্বকাপ হিসেবে নিশ্চিত করেছিলেন।
বিশ্বকাপ থেকে পর্তুগালের বিদায়ের পরও অবসরের সময় নিয়ে নির্দিষ্ট কোনো ঘোষণা দেননি রোনালদো। তবে এবার তাঁর নিজের বক্তব্যেই সেই অপেক্ষার অবসরের সম্ভাবনা স্পষ্ট হলো।
দীর্ঘ ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে অসংখ্য শিরোপা ও ব্যক্তিগত সাফল্য পাওয়া রোনালদো এখন মাঠের বাইরে নতুন অধ্যায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তাঁর নিজের কথাই বলছে, সেই অধ্যায় শুরু হতে পারে এ বছরই।

শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
১ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
২ দিন আগে
৬ উইকেটে ৩৫১ রানে দিন শুরু করেছিল বাংলাদেশ। প্রথম এক ঘণ্টার মধ্যে হাসান ও তাইজুল আউট হন। হাসানকে এলবিডব্লিউ করেন জশ হ্যাজলউড। তাইজুল তার বলেই ক্যামেরন গ্রিনের ক্যাচ হন। তারপর তাসকিন ও মিরাজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত জুটিকে টেনে নেন। প্রথম সেশনে ৬৬ রান তোলে বাংলাদেশ ২ উইকেটের বিনিময়ে।
২ দিন আগে
শুক্রবার (১৪ আগস্ট) ডারউইনে দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তানজিদ আর মুমিনুল হক দেখেশুনে শুরু করেছিলেন। প্রথম দুই সেশনেই ছিল বাংলাদেশি ব্যাটারদের দাপ এরপর নতুন বল হাতে তুলে নিয়ে অজি বোলাররা ১১ রানের মধ্যে ৩ উইকেট তুলে নেন। পরে মিরাজ-হাসানের দৃঢ়তায় ৬ উইকেটে ৩৫১ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে টাইগাররা।
৩ দিন আগে