
ক্রীড়া ডেস্ক

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলকে রুখে দিয়ে শুধু মাঠের খেলাতেই নয়, একটি বিরল রেকর্ড গড়েও আলোচনায় এসেছে মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা ম্যাচে মরক্কোর শুরুর একাদশে থাকা ১১ জন খেলোয়াড়ের কেউই দেশটির মাটিতে জন্মগ্রহণ করেননি।
ইতালীয় ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তার দাবি, জাতীয় দলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দেশ এমন একটি শুরুর একাদশ মাঠে নামিয়েছে, যার সব খেলোয়াড়ের জন্ম হয়েছে দেশের বাইরে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমানোর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর জন্ম কানাডার মন্ট্রিয়লে। ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউইয়ের জন্ম নেদারল্যান্ডসের লেইডারডর্পে। ডিফেন্ডার ইসা দিয়প, মিডফিল্ডার নিল এল আইনাউই, আয়ুব বুয়াদ্দি ও সামির এল মুরাবেতের জন্ম ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে।
অন্যদিকে ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি, চাদি রিয়াদ এবং মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারির জন্ম স্পেনে। আর ফরোয়ার্ড চেমসদিন তালবি ও মিডফিল্ডার বিলাল এল খান্নৌসের জন্ম বেলজিয়ামে।
আফ্রিকা ও ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মরক্কো বংশোদ্ভূত অভিবাসী সম্প্রদায়ের সন্তানদের নিয়ে গড়া এই দলটিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেশটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিভা অনুসন্ধান ও প্রবাসী খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির নীতির সফল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শুরুতেই ধাক্কা ব্রাজিলের
গত শনিবারের (১৩ জুন) ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে স্পষ্ট ফেভারিট ছিল ব্রাজিল। নেইমারের অনুপস্থিতিতেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারাইসদের নিয়ে সাজানো দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে মাঠের খেলায় সেই আধিপত্যের প্রতিফলন দেখা যায়নি।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। দ্রুতগতির আক্রমণ, উচ্চ প্রেসিং এবং মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিলকে চাপে ফেলে দেয় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ব্রাজিলের রক্ষণ ও মিডফিল্ডের একের পর এক ভুলের সুযোগও কাজে লাগাতে থাকে তারা।
সেই চাপের ফল আসে প্রথমার্ধেই। মিডফিল্ড থেকে ব্রাহিম দিয়াজের (বদলি) নিখুঁত থ্রু পাস ধরে দুরন্ত গতিতে ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়েন ইসমাইল সাইবারি। সামনে এগিয়ে আসা গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে পরাস্ত করতে ঠান্ডা মাথায় চিপ শট নেন তিনি। বল জড়িয়ে যায় জালে, আর এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি মরক্কো। বরং ব্রাজিলকে নিজেদের অর্ধেই আটকে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে প্রথমার্ধের ড্রিংকস ব্রেকের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা।
ভিনিসিয়ুসের ঝলক
প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময়ই নিজেকে খুঁজে ফিরছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু একটি মুহূর্তই বদলে দেয় ম্যাচের চিত্র।
বাম প্রান্তে ব্রুনো গিমারাইসের সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিকে কাটিয়ে এগিয়ে যান তিনি। এরপর দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু শুধু দর্শক হয়ে দেখেন বলের গতিপথ। ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে সতর্ক দুই দল
বিরতির পর দুই দলই অনেক বেশি সংগঠিত ও সতর্ক ফুটবল খেলেছে। প্রথমার্ধে মাঝমাঠে যে দুর্বলতা ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠে ব্রাজিল। একই সঙ্গে মরক্কোর আক্রমণের ধারও কিছুটা কমে আসে।
তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিতে পারেনি আনচেলত্তির দল। পরিষ্কার গোলের সুযোগও খুব বেশি তৈরি হয়নি। ব্রাজিলের জয়ের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে রাফিনিয়ার সামনে। কিন্তু কাছ থেকে নেওয়া তার শট সরাসরি গিয়ে লাগে ইয়াসিন বুনুর গায়ে। ফলে সম্ভাবনাময় সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই জয়ের গোল খুঁজে না পাওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
হেক্সা মিশনের শুরুটা ম্লান
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের লক্ষ্য দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা ঘোচানো। ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ষষ্ঠ শিরোপা ঘরে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই পয়েন্ট হারিয়ে সেই মিশনের শুরুটা প্রত্যাশামতো হলো না।
অন্যদিকে মরক্কো আবারও দেখিয়ে দিল, তারা আর কোনোভাবেই ‘আন্ডারডগ’ নয়। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট দলটি এবারও বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। আর ব্রাজিলের বিপক্ষে ড্র শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বিশ্ব ফুটবলে তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তিরও আরেকটি প্রমাণ।

বিশ্বকাপের মঞ্চে ব্রাজিলকে রুখে দিয়ে শুধু মাঠের খেলাতেই নয়, একটি বিরল রেকর্ড গড়েও আলোচনায় এসেছে মরক্কো। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করা ম্যাচে মরক্কোর শুরুর একাদশে থাকা ১১ জন খেলোয়াড়ের কেউই দেশটির মাটিতে জন্মগ্রহণ করেননি।
ইতালীয় ক্রীড়া সাংবাদিক ফ্যাব্রিজিও রোমানো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন। তার দাবি, জাতীয় দলের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো দেশ এমন একটি শুরুর একাদশ মাঠে নামিয়েছে, যার সব খেলোয়াড়ের জন্ম হয়েছে দেশের বাইরে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোমানোর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনুর জন্ম কানাডার মন্ট্রিয়লে। ডিফেন্ডার নুসাইর মাজরাউইয়ের জন্ম নেদারল্যান্ডসের লেইডারডর্পে। ডিফেন্ডার ইসা দিয়প, মিডফিল্ডার নিল এল আইনাউই, আয়ুব বুয়াদ্দি ও সামির এল মুরাবেতের জন্ম ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে।
অন্যদিকে ডিফেন্ডার আশরাফ হাকিমি, চাদি রিয়াদ এবং মিডফিল্ডার ইসমাইল সাইবারির জন্ম স্পেনে। আর ফরোয়ার্ড চেমসদিন তালবি ও মিডফিল্ডার বিলাল এল খান্নৌসের জন্ম বেলজিয়ামে।
আফ্রিকা ও ইউরোপজুড়ে ছড়িয়ে থাকা মরক্কো বংশোদ্ভূত অভিবাসী সম্প্রদায়ের সন্তানদের নিয়ে গড়া এই দলটিকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দেশটির দীর্ঘমেয়াদি প্রতিভা অনুসন্ধান ও প্রবাসী খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তির নীতির সফল উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
শুরুতেই ধাক্কা ব্রাজিলের
গত শনিবারের (১৩ জুন) ম্যাচের আগে কাগজে-কলমে স্পষ্ট ফেভারিট ছিল ব্রাজিল। নেইমারের অনুপস্থিতিতেও ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, ব্রুনো গিমারাইসদের নিয়ে সাজানো দলকে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তবে মাঠের খেলায় সেই আধিপত্যের প্রতিফলন দেখা যায়নি।
শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে মরক্কো। দ্রুতগতির আক্রমণ, উচ্চ প্রেসিং এবং মাঝমাঠে আধিপত্য বিস্তার করে ব্রাজিলকে চাপে ফেলে দেয় আফ্রিকার প্রতিনিধিরা। ব্রাজিলের রক্ষণ ও মিডফিল্ডের একের পর এক ভুলের সুযোগও কাজে লাগাতে থাকে তারা।
সেই চাপের ফল আসে প্রথমার্ধেই। মিডফিল্ড থেকে ব্রাহিম দিয়াজের (বদলি) নিখুঁত থ্রু পাস ধরে দুরন্ত গতিতে ব্রাজিলের বক্সে ঢুকে পড়েন ইসমাইল সাইবারি। সামনে এগিয়ে আসা গোলরক্ষক অ্যালিসন বেকারকে পরাস্ত করতে ঠান্ডা মাথায় চিপ শট নেন তিনি। বল জড়িয়ে যায় জালে, আর এগিয়ে যায় মরক্কো।
গোলের পরও আক্রমণের ধার কমায়নি মরক্কো। বরং ব্রাজিলকে নিজেদের অর্ধেই আটকে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যায়। তবে প্রথমার্ধের ড্রিংকস ব্রেকের পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে সেলেসাওরা।
ভিনিসিয়ুসের ঝলক
প্রথমার্ধের বেশির ভাগ সময়ই নিজেকে খুঁজে ফিরছিলেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। কিন্তু একটি মুহূর্তই বদলে দেয় ম্যাচের চিত্র।
বাম প্রান্তে ব্রুনো গিমারাইসের সঙ্গে দ্রুত ওয়ান-টু পাস খেলে মরক্কোর অধিনায়ক আশরাফ হাকিমিকে কাটিয়ে এগিয়ে যান তিনি। এরপর দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া দুর্দান্ত বাঁকানো শটে বল পাঠিয়ে দেন জালে। মরক্কোর গোলরক্ষক ইয়াসিন বুনু শুধু দর্শক হয়ে দেখেন বলের গতিপথ। ৩২ মিনিটে সমতায় ফেরে ব্রাজিল।
দ্বিতীয়ার্ধে সতর্ক দুই দল
বিরতির পর দুই দলই অনেক বেশি সংগঠিত ও সতর্ক ফুটবল খেলেছে। প্রথমার্ধে মাঝমাঠে যে দুর্বলতা ছিল, দ্বিতীয়ার্ধে তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠে ব্রাজিল। একই সঙ্গে মরক্কোর আক্রমণের ধারও কিছুটা কমে আসে।
তবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে নিতে পারেনি আনচেলত্তির দল। পরিষ্কার গোলের সুযোগও খুব বেশি তৈরি হয়নি। ব্রাজিলের জয়ের সবচেয়ে বড় সুযোগটি আসে রাফিনিয়ার সামনে। কিন্তু কাছ থেকে নেওয়া তার শট সরাসরি গিয়ে লাগে ইয়াসিন বুনুর গায়ে। ফলে সম্ভাবনাময় সুযোগটি নষ্ট হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত আর কোনো দলই জয়ের গোল খুঁজে না পাওয়ায় ১-১ সমতায় শেষ হয় ম্যাচ।
হেক্সা মিশনের শুরুটা ম্লান
২০২৬ বিশ্বকাপে ব্রাজিলের লক্ষ্য দীর্ঘ ২৪ বছরের অপেক্ষা ঘোচানো। ২০০২ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ষষ্ঠ শিরোপা ঘরে তোলাই তাদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু প্রথম ম্যাচেই পয়েন্ট হারিয়ে সেই মিশনের শুরুটা প্রত্যাশামতো হলো না।
অন্যদিকে মরক্কো আবারও দেখিয়ে দিল, তারা আর কোনোভাবেই ‘আন্ডারডগ’ নয়। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট দলটি এবারও বিশ্বের সেরাদের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করার সামর্থ্য রাখে। আর ব্রাজিলের বিপক্ষে ড্র শুধু একটি পয়েন্ট নয়, বিশ্ব ফুটবলে তাদের ক্রমবর্ধমান শক্তিরও আরেকটি প্রমাণ।

ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের অবস্থানের পার্থক্য বেশ বড়। নেদারল্যান্ডস বিশ্বের পঞ্চম সেরা দল, জাপান ১৮তম। কিন্তু ফুটবল যে শুধু র্যাঙ্কিংয়ের হিসাব মেনে চলে না, সেটিই আবারও প্রমাণ করল এশিয়ার প্রতিনিধিরা। ডালাস স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে দুবার পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়িয়ে শক্তিশালী নে
১৭ ঘণ্টা আগে
২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে স্বাগতিক ব্রাজিলকেই ৭-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকে চমকে দিয়েছিল জার্মানরা। সারা বিশ্বের কোটি ব্রাজিল ভক্তদের কাছে বিভীষিকাময় স্মৃতির সাক্ষী সে ম্যাচটি নানা আলোচনাতে ‘সেভেন-আপ’ হিসেবেই পরিচিতি পেয়ে আসছে। ১২ বছর পর আবার বিশ্বকাপে ‘সেভেন-আপ’ উপহার দিলো জার্মানি।
১ দিন আগে
মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দারুণ সূচনা করেছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে নেদারল্যান্ডসের মেয়েদের ৬ উইকেটে হারিয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। বিশ্বকাপের আগে ৯ ম্যাচে সাত পরাজয়ের সাক্ষী হওয়ায় প্রথম ম্যাচেই জয় স্বস্তি এনেছে টাইগ্রেস শিবিরে।
১ দিন আগে
রোববার (১৪ জুন) মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয়েছিল বাংলাদেশ ও অস্ট্রেলিয়া। প্রথম ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেট হারিয়ে সংগ্রহ করে ২৭৪ রান। সিরিজে প্রথমবার দুই দলের মধ্যে টানটান প্রতিদ্বন্দ্বিতার দেখা মেলে। পর্যন্ত ৩ বল হাতে রেখে অস্ট্রেলিয়া ম্যাচ জিতে নিয়ে
১ দিন আগে