
ক্রীড়া ডেস্ক

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে প্যারাগুয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে ছিল জার্মানি। প্রথমার্ধে ৭৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ৩০৮টি পাস দেয় ইউরোপের দলটি, যেখানে প্যারাগুয়ের পাস ছিল মাত্র ৫৫টি। কিন্তু পরিসংখ্যানের এই আধিপত্য গোলের সুযোগে রূপ দিতে পারেনি জুলিয়ান নাগেলসমানের শিষ্যরা। বরং শক্তিশালী রক্ষণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ৪-৫-১ ফরমেশন এবং পাল্টা আক্রমণের কৌশলে জার্মানদের বারবার হতাশ করে প্যারাগুয়ে।
প্রথমার্ধ শেষের আগে আগে ৪২তম মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। মিগেল আলমিরনের কর্নার থেকে জার্মান গোলরক্ষক মানুয়েল নয়্যার বল মুষ্টিবদ্ধ করে ফিরিয়ে দিলেও দ্বিতীয় দফার আক্রমণে মাতিয়াস গালারসার দারুণ ক্রস খুঁজে নেয় হুলিও এনসিসোকে। মাত্র সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতার এই ফরোয়ার্ডের শক্তিশালী হেডে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। পুরো প্রথমার্ধে জার্মানদের বল দখলের আধিপত্যকে এক মুহূর্তে ম্লান করে দেয় সেই গোল।
বিরতির পর খেলায় পরিবর্তন আনতে একাধিক বদলি করেন নাগেলসমান। এর সুফলও মেলে দ্রুত। ৫৪তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিখুঁত ক্রসে চমৎকার ফ্লিক হেডে সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ। গোলের পর জার্মানি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয় গোলের খোঁজে চাপ বাড়ায়।
তবে প্যারাগুয়ের রক্ষণ ছিল অবিচল। ৭৫তম মিনিটে আবারও ভির্টজ-হাভার্টজ জুটি জার্মানিকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভ করেন গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল। অন্যদিকে সুযোগ পেয়ে এনসিসোও জার্মান রক্ষণকে ব্যস্ত রেখেছিলেন, যদিও নয়্যার একটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন।
নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই ঘটে নাটক। বিশ্বকাপে এতদিন টাইব্রেকারে অপরাজিত জার্মানি একের পর এক ভুলে নিজেদের ছন্দ হারায়। বিপরীতে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা ছিলেন অনেক বেশি স্নায়ু-দৃঢ়। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত করে তারা উল্লাসে মাতে, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই জয়ে শেষ ১৬-তে উঠে ফিলাডেলফিয়ায় পরবর্তী ম্যাচ খেলবে প্যারাগুয়ে। আর জার্মানির জন্য বিশ্বকাপে যুক্ত হলো আরেকটি হতাশাজনক অধ্যায়। ২০১৪ সালে শিরোপা জয়ের পর দুই বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে তারা। এবার নকআউটের প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিতে হলো তাদের।
অথচ এবারের বিশ্বকাপে তাদের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গেলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে মুসিয়ালাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হয়৷ পরের ম্যাচে আইভরি কোস্টকেও তারা ২-১ গোলে হারায়৷ শেষ ম্যাচে অবশ্য ইকুয়েডর দারুণ রূপকথা লিখে জার্মানদের হারিয়ে দেয় জার্মানিকে। তাতে জার্মানির সঙ্গে সঙ্গে ইকুয়েডরও ওঠে নকআউটে। সেই নকআউটেই জার্মান মেশিনকে স্তব্ধ করে দিলো প্যারাগুয়ে।
দুই বিশ্বকাপ পর নকআউট পর্বে প্রত্যাবর্তনও সুখকর হলো না তাদের। নাগেলসমানের ভবিষ্যৎ নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে কোচ গুস্তাভো আলফারোর শৃঙ্খলাবদ্ধ কৌশল, গিলের দৃঢ় গোলকিপিং এবং এনসিসোর গুরুত্বপূর্ণ গোল প্যারাগুয়েকে এনে দিয়েছে বিশ্বমঞ্চের স্মরণীয় এক জয়।

চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানিকে রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের পর টাইব্রেকারে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে প্যারাগুয়ে। যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টনে অনুষ্ঠিত শেষ ষোলোর টিকিটের এই লড়াইয়ে নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ১-১ সমতায় থাকার পর টাইব্রেকারে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ১৬ নিশ্চিত করেছে দক্ষিণ আমেরিকার দলটি। একই সঙ্গে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো টাইব্রেকারে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেল জার্মানি।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের দখলে ছিল জার্মানি। প্রথমার্ধে ৭৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখে ৩০৮টি পাস দেয় ইউরোপের দলটি, যেখানে প্যারাগুয়ের পাস ছিল মাত্র ৫৫টি। কিন্তু পরিসংখ্যানের এই আধিপত্য গোলের সুযোগে রূপ দিতে পারেনি জুলিয়ান নাগেলসমানের শিষ্যরা। বরং শক্তিশালী রক্ষণ, শৃঙ্খলাবদ্ধ ৪-৫-১ ফরমেশন এবং পাল্টা আক্রমণের কৌশলে জার্মানদের বারবার হতাশ করে প্যারাগুয়ে।
প্রথমার্ধ শেষের আগে আগে ৪২তম মিনিটে আসে ম্যাচের প্রথম গোল। মিগেল আলমিরনের কর্নার থেকে জার্মান গোলরক্ষক মানুয়েল নয়্যার বল মুষ্টিবদ্ধ করে ফিরিয়ে দিলেও দ্বিতীয় দফার আক্রমণে মাতিয়াস গালারসার দারুণ ক্রস খুঁজে নেয় হুলিও এনসিসোকে। মাত্র সাড়ে ৫ ফুট উচ্চতার এই ফরোয়ার্ডের শক্তিশালী হেডে এগিয়ে যায় প্যারাগুয়ে। পুরো প্রথমার্ধে জার্মানদের বল দখলের আধিপত্যকে এক মুহূর্তে ম্লান করে দেয় সেই গোল।
বিরতির পর খেলায় পরিবর্তন আনতে একাধিক বদলি করেন নাগেলসমান। এর সুফলও মেলে দ্রুত। ৫৪তম মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে ফ্লোরিয়ান ভির্টজের নিখুঁত ক্রসে চমৎকার ফ্লিক হেডে সমতায় ফেরান কাই হাভার্টজ। গোলের পর জার্মানি আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এবং দ্বিতীয় গোলের খোঁজে চাপ বাড়ায়।
তবে প্যারাগুয়ের রক্ষণ ছিল অবিচল। ৭৫তম মিনিটে আবারও ভির্টজ-হাভার্টজ জুটি জার্মানিকে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করলেও দুর্দান্ত সেভ করেন গোলরক্ষক অরলান্ডো গিল। অন্যদিকে সুযোগ পেয়ে এনসিসোও জার্মান রক্ষণকে ব্যস্ত রেখেছিলেন, যদিও নয়্যার একটি নিশ্চিত গোল রুখে দেন।
নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও কোনো দল ব্যবধান গড়তে না পারায় ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। সেখানেই ঘটে নাটক। বিশ্বকাপে এতদিন টাইব্রেকারে অপরাজিত জার্মানি একের পর এক ভুলে নিজেদের ছন্দ হারায়। বিপরীতে প্যারাগুয়ের খেলোয়াড়রা ছিলেন অনেক বেশি স্নায়ু-দৃঢ়। শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে জয় নিশ্চিত করে তারা উল্লাসে মাতে, যা দেশটির ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই জয়ে শেষ ১৬-তে উঠে ফিলাডেলফিয়ায় পরবর্তী ম্যাচ খেলবে প্যারাগুয়ে। আর জার্মানির জন্য বিশ্বকাপে যুক্ত হলো আরেকটি হতাশাজনক অধ্যায়। ২০১৪ সালে শিরোপা জয়ের পর দুই বিশ্বকাপেই গ্রুপ পর্ব থেকে বাদ পড়ে তারা। এবার নকআউটের প্রথম ম্যাচেই বিদায় নিতে হলো তাদের।
অথচ এবারের বিশ্বকাপে তাদের শুরুটা হয়েছিল দুর্দান্ত। নবাগত কুরাসাওকে ৭-১ গেলের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে মুসিয়ালাদের বিশ্বকাপ মিশন শুরু হয়৷ পরের ম্যাচে আইভরি কোস্টকেও তারা ২-১ গোলে হারায়৷ শেষ ম্যাচে অবশ্য ইকুয়েডর দারুণ রূপকথা লিখে জার্মানদের হারিয়ে দেয় জার্মানিকে। তাতে জার্মানির সঙ্গে সঙ্গে ইকুয়েডরও ওঠে নকআউটে। সেই নকআউটেই জার্মান মেশিনকে স্তব্ধ করে দিলো প্যারাগুয়ে।
দুই বিশ্বকাপ পর নকআউট পর্বে প্রত্যাবর্তনও সুখকর হলো না তাদের। নাগেলসমানের ভবিষ্যৎ নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অন্যদিকে কোচ গুস্তাভো আলফারোর শৃঙ্খলাবদ্ধ কৌশল, গিলের দৃঢ় গোলকিপিং এবং এনসিসোর গুরুত্বপূর্ণ গোল প্যারাগুয়েকে এনে দিয়েছে বিশ্বমঞ্চের স্মরণীয় এক জয়।

ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
২ দিন আগে
শেষ উইকেট হিসেবে নাথান লায়নকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। রিভিউ নিয়েও তাতে কোনো লাভ হয়নি তার। লায়নকে ফিরিয়ে ৫ উইকেট শিকার করে অস্ট্রেলিয়াকে দ্বিতীয় ইনিংসে ২৮৪ রানে অলআউট করেন মিরাজ।
২ দিন আগে
১৫৩ রানের লিড নিয়ে দিনের খেলা শুরু করে বাংলাদেশ। মেহেদি হাসান মিরাজের দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি টেলএন্ডারদের দৃঢ়তায় সে লিড থামে ২২৮ রানে। এরপর আবার হাসান মাহমুদের তোপে দুই ওপেনার সাজঘরে৷ পরে তাইজুল ইসলাম আর মিরাজ যথাক্রমে মারনাস লাবুশেন আর স্টিভেন স্মিথের উইকেট তুলে নিলে বাংলাদেশের হাসিটা চওড়া হয়েছে।
৩ দিন আগে