
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার জটিলতা এবং তারকা স্ট্রাইকার সারদার আজমুনের আকস্মিক বাদ পড়া—এই দুই বড় বিতর্ক ও অনিশ্চয়তা মাথায় নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ইরান। সরকারের প্রতি 'আনুগত্যহীনতা'র অভিযোগে গোলমেশিন আজমুনকে স্কোয়াড থেকে বহিষ্কার করা হলেও, অভিজ্ঞ মেহদি তারেমি ও আলিরেজা জাহানবাখশকে ঘিরেই আক্রমণভাগ সাজিয়েছেন কোচ আমির ঘালেনোই। মার্কিন ভিসা না পাওয়ায় এখনো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিহুয়ানায় ঘাঁটি গেড়ে আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ইরান।
গ্রুপ পর্বে দলের সব খেলা যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশের ভিসা এখনও পায়নি দলের কোনো ফুটবলার। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরান কীভাবে খেলবে, তা নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। তবে এর মধ্যেই ইরান তাদের দল ঘোষণা করেছে সোমবার।
ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই ঘোষিত ২৬ জনের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ মেহদি তারেমি ও আলিরেজা জাহানবাখশ। তবে দলে রাখা হয়নি সারদার আজমুনকে। আজমুন আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯১টি ম্যাচে ৫৭টি গোল করেছেন। তিনি প্রাথমিক দলেও ছিলেন না। চূড়ান্ত দলেও তার জায়গা হয়নি।
এমনকি ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুলকারিম হোসেইনজাদেহ তাকে দলে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবু তাকে রাখা হয়নি। আজমুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব শাবাব আল-আহলিতে খেলেন। এর আগে মার্চ মাসেও তাকে ইরান দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সরকারের প্রতি 'আনুগত্যহীনতা'র অভিযোগে তাকে জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৩৩ বছর বয়সী তারেমি এখন অলিম্পিয়াকোসে খেলছেন। সাবেক ব্রাইটন উইঙ্গার জাহানবাখশও এবার আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেবেন। এ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
ইরান কয়েক মাস ধরেই বিশ্বকাপে যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিল। ফিফা শুরুতে অ্যারিজোনায় প্রশিক্ষণ শিবির নির্ধারণ করেছিল। পরে ইরানের আবেদনের পর ফিফা তা পরিবর্তন করে দেয়। এখন দলটি মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিহুয়ানায় ঘাঁটি গাড়বে।
গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই ইরান যুক্তরাষ্ট্রে খেলবে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ। ২১ জুন একই শহরে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ইরান।
ইরানের পূর্ণ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: আলিরেজা বেইরানভান্দ, সৈয়দ হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ।
ডিফেন্ডার: দানিয়াল এইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানায়ানি, শোজা খালিলজাদেহ, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান।
মিডফিল্ডার: রুজবেহ চেশমি, সাইদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘায়েদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানি, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজ্জাঘিনিয়া, মেহদি তোরাবি, আরিয়া ইউসেফি।
ফরোয়ার্ড: আলি আলিপুর, ডেনিস দারগাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, মেহদি তারেমি, শাহরিয়ার মোঘানলু।
রাজনীতি/এসআর

যুক্তরাষ্ট্রে ভিসার জটিলতা এবং তারকা স্ট্রাইকার সারদার আজমুনের আকস্মিক বাদ পড়া—এই দুই বড় বিতর্ক ও অনিশ্চয়তা মাথায় নিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপের জন্য ২৬ সদস্যের চূড়ান্ত দল ঘোষণা করেছে ইরান। সরকারের প্রতি 'আনুগত্যহীনতা'র অভিযোগে গোলমেশিন আজমুনকে স্কোয়াড থেকে বহিষ্কার করা হলেও, অভিজ্ঞ মেহদি তারেমি ও আলিরেজা জাহানবাখশকে ঘিরেই আক্রমণভাগ সাজিয়েছেন কোচ আমির ঘালেনোই। মার্কিন ভিসা না পাওয়ায় এখনো টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ নিয়ে শঙ্কা থাকলেও, মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিহুয়ানায় ঘাঁটি গেড়ে আগামী ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করতে যাচ্ছে ইরান।
গ্রুপ পর্বে দলের সব খেলা যুক্তরাষ্ট্রে। সেই দেশের ভিসা এখনও পায়নি দলের কোনো ফুটবলার। ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপে ইরান কীভাবে খেলবে, তা নিয়ে আছে অনিশ্চয়তা। তবে এর মধ্যেই ইরান তাদের দল ঘোষণা করেছে সোমবার।
ইরানের কোচ আমির ঘালেনোই ঘোষিত ২৬ জনের বিশ্বকাপ দলে জায়গা পেয়েছেন অভিজ্ঞ মেহদি তারেমি ও আলিরেজা জাহানবাখশ। তবে দলে রাখা হয়নি সারদার আজমুনকে। আজমুন আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৯১টি ম্যাচে ৫৭টি গোল করেছেন। তিনি প্রাথমিক দলেও ছিলেন না। চূড়ান্ত দলেও তার জায়গা হয়নি।
এমনকি ইরানের ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুলকারিম হোসেইনজাদেহ তাকে দলে ফেরানোর আহ্বান জানিয়েছিলেন। তবু তাকে রাখা হয়নি। আজমুন সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্লাব শাবাব আল-আহলিতে খেলেন। এর আগে মার্চ মাসেও তাকে ইরান দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সরকারের প্রতি 'আনুগত্যহীনতা'র অভিযোগে তাকে জাতীয় দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
৩৩ বছর বয়সী তারেমি এখন অলিম্পিয়াকোসে খেলছেন। সাবেক ব্রাইটন উইঙ্গার জাহানবাখশও এবার আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেবেন। এ বিশ্বকাপ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে ১১ জুন থেকে ১৯ জুলাই পর্যন্ত চলবে।
ইরান কয়েক মাস ধরেই বিশ্বকাপে যাতায়াত ও নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চয়তায় ছিল। ফিফা শুরুতে অ্যারিজোনায় প্রশিক্ষণ শিবির নির্ধারণ করেছিল। পরে ইরানের আবেদনের পর ফিফা তা পরিবর্তন করে দেয়। এখন দলটি মেক্সিকোর সীমান্ত শহর তিহুয়ানায় ঘাঁটি গাড়বে।
গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই ইরান যুক্তরাষ্ট্রে খেলবে। ১৫ জুন লস অ্যাঞ্জেলেসে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ। ২১ জুন একই শহরে বেলজিয়ামের মুখোমুখি হবে তারা। এরপর ২৬ জুন সিয়াটলে মিশরের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে ইরান।
ইরানের পূর্ণ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: আলিরেজা বেইরানভান্দ, সৈয়দ হোসেইন হোসেইনি, পায়াম নিয়াজমান্দ।
ডিফেন্ডার: দানিয়াল এইরি, এহসান হাজসাফি, সালেহ হার্দানি, হোসেইন কানায়ানি, শোজা খালিলজাদেহ, মিলাদ মোহাম্মাদি, আলি নেমাতি, রামিন রেজায়িয়ান।
মিডফিল্ডার: রুজবেহ চেশমি, সাইদ এজাতোলাহি, মেহদি ঘায়েদি, সামান ঘোদ্দোস, মোহাম্মদ ঘোরবানি, আলিরেজা জাহানবাখশ, মোহাম্মদ মোহেবি, আমির মোহাম্মদ রাজ্জাঘিনিয়া, মেহদি তোরাবি, আরিয়া ইউসেফি।
ফরোয়ার্ড: আলি আলিপুর, ডেনিস দারগাহি, আমিরহোসেইন হোসেইনজাদেহ, মেহদি তারেমি, শাহরিয়ার মোঘানলু।
রাজনীতি/এসআর

৪০ বছর বয়সী মদ্রিচ এই ম্যাচের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বিরল এক মাইলফলক স্পর্শ করেন। তিনি এখন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি ও কুয়েতের বাদের আল-মুতাওয়ার পর চতুর্থ ফুটবলার হিসেবে জাতীয় দলের হয়ে ২০০ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়লেন। ম্যাচ শেষে সতীর্থরা বিশেষ টি-শার্ট পরে এই অর্জন উদ্যাপন করেন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ম্যাচের আগে অধিনায়ক হ্যারি কেন সতীর্থদের মনে করিয়ে দিয়েছিলেন, আগের তিনটি বড় টুর্নামেন্টেই দ্বিতীয় ম্যাচে পয়েন্ট খোয়ানোর ইতিহাস রয়েছে ইংল্যান্ডের। এবার সেই ভুল না করার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বাস্তবে দৃশ্যপট বদলাতে পারেনি।
১৫ ঘণ্টা আগে
জাতীয় দলের হয়ে বড় টুর্নামেন্টে ১০ ম্যাচে কোনো গোল পাননি সিআর৭-খ্যাত রোনালদো। বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে আর ভক্ত-সমর্থকদের উল্লাসে ভাসাতে সময় নেননি তিনি। ষষ্ঠ মিনিটেই গোলের দেখা পান তিনি। এর মধ্য দিয়ে ছয়টি বিশ্বকাপে অংশ নিয়ে প্রতিটিতেই গোল করার অনন্য রেকর্ড গড়েন তিনি। এমন রেকর্ড আর কারও নেই।
১ দিন আগে
হ্যাঁ, উজবেকিস্তানের সঙ্গে ম্যাচে হুয়াও কানসেলোর ক্রসে বক্সে প্রথম স্পর্শে ভলিতে বল জালে পাঠিয়ে ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন পর্তুগালের সমসাময়িক ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় তারকা রোনালদো। প্রথম ফুটবলার হিসেবে গড়েছেন বিশ্বকাপের ছয় আসরে অংশ নিয়ে প্রতিটিতেই গোল করার এক অনন্য কীর্তি।
১ দিন আগে