
ক্রীড় ডেস্ক

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও লিটন কুমার দাসের ফিফটিতে লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান করে স্বাগতিকরা। ফলে জয়ের জন্য কিউইদের করতে হবে ২৬৬ রান।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড টস জিতে আগে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশকে। শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইলিয়াম ও’রুর্কের বলে শূন্য রানে কটবিহাইন্ড হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। এরপর দ্রুত আউট হন তানজিদ হাসান (১)।
শুরুর ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ২৬ বলে ১৮ রান করে সৌম্য আউট হলে আবার চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩২ রানে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট, কিন্তু এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়।
চতুর্থ উইকেটে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন শান্ত ও লিটন দাস। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও পরে কিউই বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন তারা। গড়ে তোলেন ১৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
লিটন দাস খেলেন দায়িত্বশীল ৭৬ রানের ইনিংস। অন্যদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১১৯ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক।
শেষদিকে আরও কিছু রান যোগ করেন মেহেদী হাসান মিরাজ (২২)। শরিফুল ইসলাম (১) ও তানভীর ইসলাম (০) দ্রুত ফিরে যান। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৩৩ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশের ইনিংস: ৫০ ওভারে ৮/২৬৫।
(শান্ত ১০৫, লিটন ৭৬, তাওহিদ ৩৩, মেহেদী হাসান ২২; ও’রুর্ক ৩/৩২, লেনক্স ২/৫০, লিস্টার ২/৬২)।

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ওয়ানডেতে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও লিটন কুমার দাসের ফিফটিতে লড়াকু সংগ্রহ দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৬৫ রান করে স্বাগতিকরা। ফলে জয়ের জন্য কিউইদের করতে হবে ২৬৬ রান।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে নিউজিল্যান্ড টস জিতে আগে ব্যাট করতে পাঠায় বাংলাদেশকে। শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইলিয়াম ও’রুর্কের বলে শূন্য রানে কটবিহাইন্ড হয়ে ফেরেন সাইফ হাসান। এরপর দ্রুত আউট হন তানজিদ হাসান (১)।
শুরুর ধাক্কা সামলানোর চেষ্টা করেন সৌম্য সরকার ও নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে ২৬ বলে ১৮ রান করে সৌম্য আউট হলে আবার চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ৩২ রানে বাংলাদেশ হারায় ৩ উইকেট, কিন্তু এরপরই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায়।
চতুর্থ উইকেটে ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নেন শান্ত ও লিটন দাস। শুরুতে ধীরগতিতে খেললেও পরে কিউই বোলারদের ওপর চাপ তৈরি করেন তারা। গড়ে তোলেন ১৬০ রানের গুরুত্বপূর্ণ জুটি।
লিটন দাস খেলেন দায়িত্বশীল ৭৬ রানের ইনিংস। অন্যদিকে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে সেঞ্চুরি তুলে নেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১১৯ বলে ৯ চার ও ২ ছক্কায় ১০৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি, যা তার ওয়ানডে ক্যারিয়ারের চতুর্থ শতক।
শেষদিকে আরও কিছু রান যোগ করেন মেহেদী হাসান মিরাজ (২২)। শরিফুল ইসলাম (১) ও তানভীর ইসলাম (০) দ্রুত ফিরে যান। এ ছাড়া তাওহীদ হৃদয় ৩৩ এবং মুস্তাফিজুর রহমান ৩ রানে অপরাজিত থাকেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
বাংলাদেশের ইনিংস: ৫০ ওভারে ৮/২৬৫।
(শান্ত ১০৫, লিটন ৭৬, তাওহিদ ৩৩, মেহেদী হাসান ২২; ও’রুর্ক ৩/৩২, লেনক্স ২/৫০, লিস্টার ২/৬২)।

ডারউইনে টেস্টের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখানো বাংলাদেশ চতুর্থ দিনের শুরু থেকেই ছিল জয়ের অপেক্ষায়। দ্বিতীয় সেশনের মাঝামাঝি আসে সেই কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। বিশ্বের এক নম্বর টেস্ট দল অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় তুলে নেয় বাংলাদেশ। পুরো ম্যাচে প্রতিটি দিন ও প্রতিটি সেশনে দাপট দেখানো দলের পারফরম্যা
৫ দিন আগে
জাতীয় পর্যায়ে নারী বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে একাধিক পদক ও রেকর্ড গড়া বাংলাদেশি দুই অ্যাথলেট জান্নাত বেগম ও কবিতা রায়কে নারী বিভাগে প্রতিযোগিতা থেকে স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন। একই সঙ্গে জাতীয় প্রতিযোগিতায় তাদের অর্জিত পদক ও রেকর্ড বাতিল করা হয়েছে।
৬ দিন আগে
ধারাবাহিকতার অভাবে ভুগতে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে কেমন করবে, তা সময়ই বলে দেবে। কিন্তু তার আগ পর্যন্ত দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের সেরা মুহূর্ত জন্ম নিলো যে ডারউইনে, সেই আনন্দটুকুই না হয় উপভোগ করি সবাই প্রাণ খুলে।
৬ দিন আগে
বাংলাদেশ গড়ে ফেলল এক অনন্য ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে তাদের মাটিতেই ক্যাঙ্গারুদের ধসিয়ে দেওয়ার দারুণ ও স্মরণীয় এক স্বাদ পেল লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
৬ দিন আগে